শিরোনাম
◈ পাকিস্তান ছেড়ে ২ বছ‌রের চু‌ক্তি‌তে নেদারল্যান্ডসের কোচ অ‌্যাশ‌লি নফকে  ◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি

প্রকাশিত : ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৮ দুপুর
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিট বিক্ষোভ নিয়ে এবার মুখ খুললেন শচীন টেন্ডুলকার

স্পোর্টস ডেস্ক : যন্তর মন্তরে আরশোলাদের নিট বিক্ষোভ নিয়ে এযাবৎ মুখ খুলেছেন বহু সেলেব্রিটি। এবার মুখ খুললেন ‘লিটল মাস্টার’ শচীন টেণ্ডুলকার। জানালেন, সম্মিলিতভাবে এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে আর কখনওই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।

এক্স হ্যান্ডলে শচীন লিখেছেন, ‘আমার বাবা একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি অনেক তরুণ শিক্ষার্থীর পরামর্শদাতা ও পথপ্রদর্শক ছিলেন। তিনি শুরু থেকেই আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছিলেন— ব্যর্থ হওয়াটা দোষের কিছু নয়, কিন্তু তা বলে প্রতারণা করাটা ঠিক নয়। কখনওই শর্টকাট বা সহজ পথ বেছে নেবে না। সমাজের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সংস্কৃতি গড়ে তোলার দায়ভার আমাদেরই।

 যে সমাজ কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেয়, সেখানে যোগ্যতার চেয়ে শর্টকাট বা সহজ পথকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়। আজ শিক্ষার্থীরা যখন কঠোর পরিশ্রমের উপযুক্ত প্রতিদান না পেয়ে হতাশ হয়, তখন তাদের সেই অনুভূতিটা হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই সম্মিলিতভাবে আমাদের এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে যাতে তাদের আর কখনওই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।

এরপর তিনি লিখেছেন, ‘তরুণ ভারত স্বপ্ন ও প্রাণশক্তিতে ভরপুর। তারাই আমাদের সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি। অভিভাবক, শিক্ষক, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা— সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষেরই বিশাল দায়িত্ব রয়েছে। আমাদের তরুণরা যাতে সর্বদা উৎসাহ ও উদ্দীপনা বজায় রাখতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আমাদের প্রত্যেকেরই ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা পালন করতে হবে।

 আমাদের এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে যেখানে কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি মেলে, সততাকে উৎসাহিত করা হয় এবং যোগ্যতার জয় হয়। আমি নিশ্চিত যে, আমরা সবাই মিলে এমন সব সমাধান খুঁজে বের করবই যা আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎকে সুদৃঢ় করবে। এবং তাদের আকাঙ্ক্ষাগুলিকে সুরক্ষিত রাখবে। জয় হিন্দ!

  • সর্বশেষ