শিরোনাম
◈ শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ইরানের সঙ্গে সমঝোতার পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্রের আরব মিত্ররা ◈ ২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা ভেন‌্যু মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়াম ◈ তিস্তা মহাপরিকল্পনায় বাংলাদেশকে সহায়তা করতে আগ্রহী চীন: মাহদী আমিন ◈ তিউনিসিয়াকে উড়িয়ে দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন নেদারল্যান্ডস ◈ চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, নজরে বিনিয়োগ ও তিস্তা ◈ পার‌লো না বাংলা‌দেশ, ভারতের কাছে হেরে সেমির রেস থেকে ছিটকে গেলো ◈ নেপালে ফুটব‌ল নিষিদ্ধ করলো ফিফা! ◈ জিম্বাবুয়ের বিরু‌দ্ধে বাংলাদেশের ওয়ানডে দল ঘোষণা ◈ চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৬ জুন, ২০২৬, ০৯:৫৩ সকাল
আপডেট : ২৬ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা ভেন‌্যু মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়াম

স্পোর্টস ডেস্ক : উত্তর আমেরিকা মহাদেশের তিনটি দেশে ১৬টি ভিন্ন ভিন্ন শহরে আয়োজিত ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ এখন বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের প্রধান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। টুর্নামেন্টের জমকালো এই আয়োজনে বরাবরের মতো এবারও নতুন ও পুরনো বেশ কিছু স্টেডিয়াম বিশ্বমঞ্চে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের লড়াইয়ে নেমেছে। 

বিশাল এই টুর্নামেন্টের উত্তেজনা ও মাঠের বাইরের অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে বিবিসি স্পোর্টসের একঝাঁক অভিজ্ঞ সাংবাদিক ও ধারাভাষ্যকার তাদের চোখে সেরা ও ব্যতিক্রমী স্টেডিয়ামগুলোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আবেগের বিচারে মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামকে অনন্য বলে অভিহিত করেছেন বিবিসির জ্যেষ্ঠ ধারাভাষ্যকার জন মারে।

ফুটবল ইতিহাসের অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী এই স্টেডিয়ামটি আধুনিকায়নের পরেও তার পুরনো জাদুকরী আবহ ধরে রাখতে পেরেছে বলে তিনি মনে করেন। তার মতে, আজতেকা স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে মেক্সিকান দর্শকদের উন্মাদনা ও বর্ণিল পরিবেশ এই বিশ্বকাপের সেরা মঞ্চগুলোর একটি।

অন্যদিকে, প্রযুক্তি ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে ডলাস স্টেডিয়ামের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বিবিসির প্রধান ফুটবল লেখক ফিল ম্যাকনাল্টি এবং উপস্থাপিকা কেলি সোমারস। তীব্র গরমেও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই স্টেডিয়ামের আরামদায়ক পরিবেশ এবং বিশালাকৃতির ছাদ দর্শকদের জন্য এক দারুণ অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।

স্টেডিয়ামের বিশালতা এবং অসাধারণ সাউন্ড সিস্টেম দর্শকদের খেলার গভীরে ডুবে যেতে সাহায্য করে বলে তারা মন্তব্য করেছেন।

তবে পরিবেশ ও স্থাপত্যের নান্দনিকতায় সিয়াটলের লুমেন ফিল্ড বা সিয়াটল স্টেডিয়াম সাংবাদিকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। ধারাভাষ্যকার ভিকি স্পার্কস এবং প্রতিবেদক গ্যারি রোজের মতে, এই স্টেডিয়ামের নকশা এবং আকৃতির কারণে দর্শকদের চিৎকার ও উল্লাস মাঠের ভেতরে এক অভূতপূর্ব বাতাবরণ তৈরি করে, যা প্রায়শই স্টেডিয়ামকে কেঁপে উঠতে বাধ্য করে। এছাড়া স্টেডিয়ামের চারপাশের মনোরম দৃশ্য এবং শহরের স্কাইলাইনের সৌন্দর্য একে একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা হিসেবে গড়ে তুলেছে।

নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের বিশালতার মুগ্ধতা যেমন সাংবাদিকদের আকর্ষণ করেছে, তেমনি আটলান্টা স্টেডিয়ামের অনন্য গঠনশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় দর্শকদের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিজ্ঞতা উপহার দিচ্ছে বলে মনে করেন সাংবাদিক ইয়ান ডেনিস। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামের ক্ষেত্রে তারা প্রশংসা করেছেন সেখানকার ‘টেইলগেটিং’ সংস্কৃতির, যেখানে বিভিন্ন দেশের সমর্থকরা খেলার আগে একই সঙ্গে খাবার ও আনন্দ উৎসবে মেতে উঠছে।

আবার অনেক ক্ষেত্রে বিশালতায় ঢাকা পড়ে যাওয়া ছোটখাটো সীমাবদ্ধতার কথাও উঠে এসেছে। যেমন বস্টন স্টেডিয়ামের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের মতে, স্টেডিয়ামের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও দিকনির্দেশনা ও দর্শকদের যাতায়াতের ব্যবস্থাপনায় আরও উন্নতির সুযোগ ছিল। 

সব মিলিয়ে, ২০২৬ বিশ্বকাপের এই স্টেডিয়ামগুলো কেবল খেলার মাঠ নয়, বরং একেকটি আধুনিক স্থাপত্যের নিদর্শন হিসেবে ফুটবল ফ্যানদের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়