পাকিস্তান বিশ্বকাপ বয়কট করলে করতেও পারে। এমন ইঙ্গিত স্বয়ং পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির। বয়কট প্রসঙ্গে গতকাল তিনি বলেছিলেন, পাকিস্তান সরকার যা বলবে, পিসিবি সে সিদ্ধান্ত মেনে নেবে। যদিও এমন দোলাচলের মধ্যে পাকিস্তান আজ দল ঘোষণা করেছে।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবর বলছে, পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ বয়কট করে, তবে আইসিসি কঠিন শাস্তি দেবে। এই শাস্তির আওতায় থাকতে পারে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে নিষেধাজ্ঞা, এশিয়া কাপ থেকে বহিষ্কার ও পিএসএলে বিদেশি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা।
সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস লিখেছে, ‘যদি পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে আইসিসি একের পর এক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে। এর মধ্যে থাকবে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলার অনুমতি না দেওয়া, পিএসএলে বিদেশি খেলোয়াড়দের জন্য এনওসি না দেওয়া এবং এশিয়া কাপে অংশগ্রহণের সুযোগ বাতিল।’
পাকিস্তানের বিশ্বকাপ বয়কট করার প্রসঙ্গ উঠেছে বাংলাদেশ ইস্যুতে। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ায় নিরাপত্তা শঙ্কা দেখিয়ে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বিসিবি। বিসিবির দাবি ছিল, তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা হোক। আইসিসি দাবি মানেনি, উপরন্তু সদস্যদের ভোটে বাংলাদেশের জায়গায় সুযোগ দিয়েছে স্কটল্যান্ডকে।
এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় গতকাল সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বিশ্বকাপ বয়কট করার প্রশ্নে নাকভি বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর ফেরার জন্য অপেক্ষা করছি।’ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে অংশ নেওয়ার জন্য শেহবাজ শরিফ সুইজারল্যান্ডে গিয়েছিলেন। তিনি কবে নাগাদ পাকিস্তানে ফিরবেন, তা জানা যায়নি।
আইসিসি দ্বিচারিতা করছে উল্লেখ করে নাকভি বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করা হয়েছে। আইসিসির বোর্ড সভায় আমি একই কথা বলেছি। দ্বিমুখী নীতি চলতে পারে না। যেখানে একটি দেশ যেকোনো সময় যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে, আরেকটি দেশের ক্ষেত্রে ঠিক তার উল্টো করা হয়। আমাদের অবস্থান হলো বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতেই তাদের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ দেওয়া উচিত। তারা একজন বড় অংশীদার। এই অবিচার করা উচিত নয়।’