সদর, ভুল্লি ও রুহিয়া নিয়ে গঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসন। দীর্ঘদিন ধরে মির্জা পরিবারের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ আসনটি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা মরহুম মির্জা রুহুল আমিনের সময় থেকে ঠাকুরগাঁও-১ তাদের দখলে। গত ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখান থেকে এমপি নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। সবশেষ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি।
এর পরই আসনটি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় আলোচনা। মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে এ আসন খালি হবে। কে হবেন এখানে বিএনপির প্রার্থী, কে ধরবেন ঠাকুরগাঁওয়ের হাল এ নিয়ে সর্বত্র আলোচনা তুঙ্গে। কেউ বলছেন মির্জা ফখরুলের ভাই মির্জা ফয়সাল আমিনকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। আবার অনেকে মন্তব্য করছেন মনোনয়ন পাবেন মির্জা ফখরুলের মেয়ে শামারুহ মির্জা। বিএনপিা তৃণমূল নেতা-কর্মীরা মনে করছেন দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার পক্ষে সবাই কাজ করবে। মনোনয়নের দাবিদার মির্জা ফয়সাল আমিন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি। পৌরসভার মেয়র ছিলেন।
তিনি দীর্ঘদিন তৃণমূলের রাজনীতির সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত। দলের অনেকে মনে করছেন তিনি হবেন বিএনপি প্রার্থী। আলোচনায় থাকা শামারুহ মির্জা পেশায় গবেষক ও শিক্ষাবিদ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস ও কর্মরত আছেন। পাশাপাশি বাবার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেও বিভিন্ন সময়ে তিনি আলোচনায় এসেছেন। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিয়ে গিয়েছেন জনগণের কাছাকাছি। ঠাকুরগাঁও চেম্বারের সাবেক নেতা আবদুস ছালাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে এ আসনে মির্জা ফখরুল নির্বাচিত হয়ে আসছেন। তাঁর বাবাও এখানের এমপি ছিলেন। সঙ্গত কারণে আসনটি মির্জা পরিবারের পাওয়া উচিত।’
ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গম আলী বলেন, ‘দল যাঁকে মনোনয়ন দেবে তাঁর পক্ষে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন কাজ করবে। ঠাকুরগাঁও বিএনপি ঐক্যবব্ধ। এখানে কোনো বিভেদ নেই।’ উৎস: বিডি-প্রতিদিন।