শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত ◈ তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর সার্জিও গর: একসঙ্গে কাজ করলে মিলবে বাস্তব ফল ◈ সৌদি আর‌বের প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার অর্থ কী? ◈ গালিগালাজ কোনো সমস্যার সমাধান নয়, যারা আমাকে গালি দিয়েছে, তাদের ক্ষমা করে দিলাম: ভিডিও বার্তায় মোদি ◈ উড়ন্ত বিমানের ডানায় জ্যান্ত সাপ! ভিডিও ভাইরাল ◈ বিশ্বকাপে বিতর্কিত বিনিয়োগ পরিকল্পনা থেকে সরে এলো ফিফা সভাপ‌তি ◈ অ‌নেক সি‌নিয়র খে‌লোয়াড় বাদ দি‌য়ে নতুনদের নিয়ে ব্রা‌জিল দল গড়‌ছেন কোচ আনচেলত্তি ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে বিএনপিতে নানা সমীকরণ ◈ চলতি আগস্ট মাসে সরকারি চাকরিজীবীদের দুই দফায় ৮ দিন ছুটির সুযোগ ◈ আগামী বিশ্বকাপে নির্বাসিত হতে পারেন আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা, ফকল্যান্ড-কাণ্ডে  শাস্তি দিতে পারে ফিফা

প্রকাশিত : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৬ দুপুর
আপডেট : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ০২:২১ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে বিএনপিতে নানা সমীকরণ

ডেস্ক রি‌পোর্ট: রাষ্ট্রপতি হিসেবে যাদের নাম  আলোচনায় রয়েছে অতীতে দল ও দেশের জন্য তাদের ভূমিকা, অভিজ্ঞতা, দেশ-বিদেশে গ্রহণযোগ্যতা ও পরিচিতি, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, সরকার ও দলের সাংগঠনিক ভারসাম্য এবং ভবিষ্যতের সম্ভাব্য রাজনৈতিক ঝুঁকি সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী বাছাইয়ে এবার অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি। আজ শনিবার দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ইস্যুটি নিয়ে আলোচনা হবে। তবে অতীতের ধারাবাহিকতায় এবারো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের একক ক্ষমতা দেয়া হতে পারে বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর। তিনি অনেক সমীকরণ মাথায় রেখে সব দিক বিবেচনায় নিয়ে যাকে যোগ্য মনে করবেন আলোচনা করে তাকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন। -- সূত্র, নয়া‌দিগন্ত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে ক্ষমতাসীন বিএনপিতে চলছে নানা সমীকরণ। রাষ্ট্রপতি হিসেবে যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে অতীতে দল ও দেশের জন্য তাদের ভূমিকা, অভিজ্ঞতা, দেশ-বিদেশে গ্রহণযোগ্যতা ও পরিচিতি, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, সরকার ও দলের সাংগঠনিক ভারসাম্য এবং ভবিষ্যতের সম্ভাব্য রাজনৈতিক ঝুঁকি সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী বাছাইয়ে এবার অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি।

আজ শনিবার দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ইস্যুটি নিয়ে আলোচনা হবে। তবে অতীতের ধারাবাহিকতায় এবারো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের একক ক্ষমতা দেয়া হতে পারে বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর। তিনি অনেক সমীকরণ মাথায় রেখে সব দিক বিবেচনায় নিয়ে যাকে যোগ্য মনে করবেন আলোচনা করে তাকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন।

গত ২৪ জুলাই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বর মাসে জাতীয় সংসদের নিয়মিত অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে পারে। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি জুলাই সনদ ও সংবিধান সংশোধনকে সামনে রেখে এই নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনাও সরকারের উচ্চপর্যায়ে রয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটি এবং আন্তর্জাতিক মহলে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য এমন কেউই রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, এমনটি একাধিক সূত্র জানিয়েছে। আর সেটি নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের ওপরই। কারণ এর আগেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতে। স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য জানান, আজকের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। তবে বৈঠকের রাষ্ট্রপতি কে হবেন বা হচ্ছেন তা চূড়ান্ত হবে না। সেখানে কাকে রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন দেয়া যায় সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা দলের চেয়ারম্যানের ওপরই ন্যস্ত করা হবে।

অনেকেই বলছেন, রাষ্ট্রপতি মনোনয়নেও চমক দেখাবেন তারেক রহমান। যেভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চমক ধরে রেখেছিলেন তিনি। এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরেও একই ধরনের কৌশল নেয়া হতে পারে।

দলীয় সূত্র বলছে, মর্যাদাপূর্ণ এ পদের জন্য দলের পরীক্ষিত, ত্যাগী ও বিশ্বস্ত নেতাদেরই অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। আলোচনায় সবচেয়ে বেশি রয়েছে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম। এ ছাড়া স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান এবং সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুকের নামও আলোচনায় রয়েছে।

বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের নামও কিছু মহলে এসেছে। দলের বাইরে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও জাতিসঙ্ঘে কর্মরত একজন প্রভাবশালী নারীর নামও আলোচনায় রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে, মন্ত্রিসভার মতো পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন তা হয়তো আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছেন তারেক রহমান। তবে আলোচনায় যাদের নাম রয়েছে, তাদের মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি করা হলে এ ক্ষেত্রে দলের মধ্যেও সাংবিধানিক কিছু পরিবর্তন ঘটাতে হবে। যেমন দলের মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি করা হলে সে ক্ষেত্রে মহাসচিব পদটি শূন্য হয়ে যাবে।

সেখানে কাকে মনোনয়ন দেয়া হবে, এখনই কাউন্সিল করে সেটি সম্ভব কিনা, নাকি অন্য কোনোভাবে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে কাউকে মহাসচিব করা হতে পারে বা দলে একজনকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব না করে অঞ্চলভিত্তিক কয়েকজনকে আপাতত দায়িত্ব দেয়া হতে পারে, এসব নিয়ে নানা চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে।

এ ছাড়া সরকারে একসাথে কয়েকটি পরিবর্তন আনতে হবে। তাকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়তে হবে। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলে সংবিধান অনুযায়ী তার ঠাকুরগাঁও-১ আসনও শূন্য হবে। সরকারের মেয়াদের শুরুর দিকেই দল, মন্ত্রিসভা ও সংসদীয় আসনে এই পুনর্বিন্যাস করা হবে কি না, সেটিও বিএনপির সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনার বিষয় হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

দলীয় প্রার্থী বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে মির্জা ফখরুলের পক্ষে কয়েকটি বিষয় যুক্তি হিসেবে আসছে। এক যুগের বেশি সময় ধরে মহাসচিবের দায়িত্ব পালন, আওয়ামী লীগ সরকারের নির্যাতন-নিপীড়নের কঠিন সময়ে বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ রাখা, তার রাজনৈতিক ভাবমর্যাদা এবং দলের বাইরেও তার গ্রহণযোগ্যতা গুরুত্ব পাচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ইতোমধ্যে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে ‘সেরা প্রার্থী’ বলে প্রকাশ্যে মত দিয়েছেন। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক মহলেও তার সুনাম রয়েছে। রাজনীতিতে একজন পরিচ্ছন্ন, মার্জিত ও ‘স্বজ্জন ব্যক্তি’ হিসেবে সর্বমহলে পরিচিত ও সমাদৃত।

রাষ্ট্রপতি পদে আলোচিত নামগুলোর একটি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। দলের জ্যেষ্ঠতম নেতাদের একজন হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত। কুমিল্লা-১ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এই নেতা নানা রাজনৈতিক সঙ্কটেও দল ছাড়েননি কিংবা বিভক্তির ঝুঁকি নেননি। রয়েছে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানে ও খালেদা জিয়ার সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা, দায়িত্ব পালন করেছেন একাধিক মন্ত্রণালয়ে।

দলীয় নেতাদের একটি অংশ মনে করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা ও সক্রিয় সংসদীয় ভূমিকার কারণে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি শক্তিশালী প্রার্থী হতে পারেন। অতীতেও বিএনপি সরকার গঠন করলে তাকে রাষ্ট্রপতি করা হতে পারে, এমন আলোচনা প্রকাশ্যে এসেছিল। এ ছাড়া তাকে রাষ্ট্রপতি করা হলে মহাসচিব পরিবর্তন, মন্ত্রিসভার রদবদল এসব ইস্যু থাকবে না। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও উনাকে বেশ সম্মান করেন এবং দলের যেকোনো বড় সিদ্ধান্তে উনার সহযোগিতা চান।

রাষ্ট্রপতি পদে বেশ আলোচনায় রয়েছেন এমন একজন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ প্রতিবেদককে জানান, আজকের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নিয়ে আলোচনা হলেও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে না। দলের চেয়ারম্যানই চূড়ান্ত নিবেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সাথে আছি। দল যেখানে যে দায়িত্ব দেয়েছে সেটি পালন করার চেষ্টা করেছি। দল ও দেশের ভাবমর্যাদা ক্ষুণœ হয় এমন কোনো কাজ করিনি। দল দায়িত্ব দিলে অবশ্যই প্রেসিডেন্ট পদের মর্যাদা রাখব ইনশাআল্লাহ।

জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে জানান, আগামীতে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন, তিনি বিএনপির দলীয় নাকি বাইরের কেউ তা নির্ধারণ করা হবে দলের নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে। সংবিধান ও প্রয়োজনীয় আইন মেনে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা শেষে দলের চেয়ারম্যানই এ বিষয়ে চূড়ান্ত নেবেন।

সরকার ও বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার পেছনে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টিও রয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে সংবিধানের অষ্টাদশ সংশোধনী বিল আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সেখানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্যসহ জুলাই জাতীয় সনদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব যুক্ত হতে পারে।

সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও দায়িত্বে কোনো পরিবর্তন আসছে কি না, সেটি স্পষ্ট হওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা যুক্তিযুক্ত হবে। বিএনপির নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখেন, দলের এমন চিন্তাশীল নেতারা মনে করছেন, সংবিধানের সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতির বিদ্যমান আলঙ্কারিক পদের তুলনায় তার ক্ষমতা ও দায়িত্ব বাড়লে প্রার্থী বাছাইয়ের বিবেচনাও বদলে যাবে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী মনে করেন, জাতীয় স্বার্থে এমন একজনকে রাষ্ট্রপতি করা প্রয়োজন, যিনি কেবল দলীয় আনুগত্য নয়, সাংবিধানিক নিরপেক্ষতা ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের সক্ষমতার জন্যও গ্রহণযোগ্য।

এ দিকে আরেকটি সূত্র বলছে, সরকার ও দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কাউকে রাষ্ট্রপতি করা হলে একাধিক সাংবিধানিক ও সাংগঠনিক পদে পরিবর্তন আনতে হবে। সেই বাস্তবতাও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এ কারণেই মন্ত্রিসভার বাইরে থাকা বিএনপির স্থায়ী কমিটি বা বাইরের কাউকেও রাষ্ট্রপতি করা হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সব মহলে জল্পনা-কল্পনা যাই থাকুক আপাতত দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের সিদ্ধান্ত এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষা করতে হবে নতুন রাষ্ট্রপতির নাম জানতে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়