শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪২ দুপুর
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

১০ বছরে ছ’জন অধিনায়ক শাহরুখ খা‌নের দল কেকেআরে! নতুন নেতার খোঁজ শুরু

স্পোর্টস ডেস্ক: সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন অজিঙ্ক রাহানে। তাঁর সিদ্ধান্তে বিপাকে কলকাতা নাইট রাইডার্স কর্তৃপক্ষ। গত দু’মরসুমের অধিনায়কের অবসরের কারণে নতুন নেতা খুঁজতে হবে বেঙ্কি মাইসোরদের। যদিও ২০২৪ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর রাহানের নেতৃত্বে আইপিএলের প্লে-অফেও উঠতে পারেনি শাহরুখ খানের দল।

১০ বছর পর কেকেআরকে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন শ্রেয়স আয়ার। তার পরও তাঁকে ধরে রাখার ব্যাপারে যথেষ্ট উদ্যোগী হননি কেকেআর কর্তৃপক্ষ। শ্রেয়স চলে গিয়েছেন পঞ্জাব কিংসে। শ্রেয়স চলে যাওয়ার পর অভিজ্ঞ রাহানেকে নিলাম থেকে কেনাই হয়েছিল মূলত অধিনায়ক করার জন্য।---- আনন্দবাজার 

advertisement

কারণ সে সময় নেতৃত্ব দেওয়ার মতো অভিজ্ঞ ভারতীয় ক্রিকেটার ছিল না দলে। গত দু’বছর রাহানের নেতৃত্বেই ভরসা রেখেছিল কেকেআর। অধিনায়ক রাহানের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তাঁর ব্যাটিং ছিল মোটের উপর সন্তোষজনক।

রাহানের অবসরে চাপে কেকেআর

advertisement

অধিনায়ক হিসাবে রাহানে দলকে সাফল্য দিতে না পারায় কেকেআর কর্তৃপক্ষ গত মরসুমের পর থেকেই নতুন অধিনায়কের কথা ভাবতে শুরু করেন। লোকেশ রাহুল, হার্দিক পাণ্ড্যদের নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু তাঁদের নেওয়ার বিষয়টি সহজ ছিল না। কারণ রাহুল দিল্লি ক্যাপিটালস এবং হার্দিক মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। 

তাঁদের ছেড়ে দিলে বা বিক্রির সিদ্ধান্ত নিলেই কেকেআর নিতে পারবে। সে ক্ষেত্রেও তাঁদের পাওয়ার নিশ্চয়তা ছিল না। কারণ রাহুল, হার্দিকের মতো ক্রিকেটারকে পেতে অন্য দলগুলিও নিশ্চিত ভাবে ঝাঁপাবে। তাই রাহানেকে ধরেই নতুন অধিনায়কের খোঁজে এগোচ্ছিলেন কেকেআর কর্তৃপক্ষ। স্বাভাবিক ভাবেই রাহানের অবসরের সিদ্ধান্ত চাপ বাড়াল অভিষেক নায়ার, মাইসোরদের উপর।

advertisement

ভাবনায় দলের তিন ক্রিকেটার

গত মরসুমে রিঙ্কু সিংহকে সহ-অধিনায়ক করেছিল কেকেআর। আপাত ভাবে রাহানের পর রিঙ্কুর নেতৃত্ব পাওয়ার কথা। ঘরোয়া ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব করার কিছু অভিজ্ঞতা রয়েছে রিঙ্কুর। তিনি বলিউড বাদশারও প্রিয় ক্রিকেটার। 

তবে অধিনায়ক হিসাবে এখনও পোক্ত নন উত্তরপ্রদেশের ব্যাটার। তাই তাঁকে এখনই আইপিএলের মতো বড় এবং কঠিন প্রতিযোগিতায় অধিনায়ক করতে চাইছেন না কেকেআর কর্তৃপক্ষ। চাপ দিতে চাইছেন না। ব্যাটার রিঙ্কুকেই তাঁরা সেরা ফর্মে পেতে চান। দলের আরও দুই ক্রিকেটারের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। মণীশ পাণ্ডে এবং সুনীল নারাইন।

ঘরোয়া ক্রিকেটে নেতৃত্ব দিয়েছেন মণীশ। কিন্তু তিনি ক্রিকেটজীবনের শেষ প্রান্তে। প্রথম একাদশের নিয়মিত সদস্যও নন। অধিনায়ক করে দেওয়া হলে মণীশকে প্রতি ম্যাচে খেলাতেই হবে। তাতে নতুন সমস্যা তৈরি হতে পারে।

নারাইনের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা প্রশ্নাতীত। দলের সবচেয়ে পুরনো সদস্য। ২০১২ সাল থেকে খেলছেন। সে বারই কেকেআর প্রথম আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। কেকেআরের তিন বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নেপথ্যে নারাইনের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ৩৮ বছরের নারাইন হয়তো আর খুব বেশি দিন খেলবেন না। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের অলরাউন্ডারকে ধরে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা সম্ভব নয়। তিনি বড়জোর আপৎকালীন সমাধান হতে পারেন।

চার ক্রিকেটারের দিকে নজর

নেতৃত্বের সমস্যা সমাধানে দুই ক্রিকেটারের দিকে নজর ছিল কেকেআর কর্তৃপক্ষের। তাঁরা রাহুল এবং হার্দিক। দিল্লি কর্তৃপক্ষ রাহুলকে ছাড়বে না প্রায় নিশ্চিত। গত মরসুমে অক্ষর পটেলের নেতৃত্বে তাঁরা খুশি নন। তাই অধিনায়ক হিসাবে রাহুলের মতো অভিজ্ঞ এবং পরীক্ষিত ক্রিকেটারকে তাঁরা হাতছাড়া করবেন না। রাহুলকে পাওয়ার আশা নেই বললেই চলে।

হার্দিকের মুম্বই ছাড়া নিশ্চিত। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বডোদরার অলরাউন্ডের দূরত্ব তৈরি হয়েছে গত মরসুমের মাঝামাঝি সময় থেকে। কিন্তু কেকেআর ছাড়াও হার্দিককে পেতে আগ্রহী চেন্নাই সুপার কিংস, রাজস্থান রয়্যালস, গুজরাত টাইটান্স, লখনউ সুপার জায়ান্টসের মতো দল। মুম্বই কর্তৃপক্ষও চড়া দাম না পেলে হার্দিককে ছাড়বেন না। আগ্রহী দলগুলির সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছেন তাঁরা। দৌড়ে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে চেন্নাই। হার্দিককে পেতে চেন্নাই শিবম দুবের মতো অলরাউন্ডারকে ছেড়ে দিতে রাজি। 

শিবম আদতে মুম্বইয়ের ক্রিকেটার। তাঁকে নিয়ে আপত্তি নেই মুম্বইয়েরও। ইতিমধ্যেই হার্দিকের দাম ২০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই দৌড়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে কেকেআর।

  • সর্বশেষ