শিরোনাম
◈ হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ ৪৫ বছর পর প্রকাশ্যে জিয়াউর রহমান হত্যা তদন্তের অপ্রকাশিত প্রতিবেদন ◈ শীর্ষ ‘সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার ◈ ফেসবুকে ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পেতে যা করতে হবে ◈ শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ◈ এনসিপি ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি ◈ লাখো আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরত পাঠাতে কঠোর পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের ◈ সরোয়ার আলমগীরের এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালনে বাধা নেই, জামায়াতের আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ ◈ ছুটি শেষে ফিরেই দুঃসংবাদ: আমিরাতে হঠাৎ ভিসা বাতিলের আতঙ্ক, বিপাকে হাজারো বাংলাদেশি প্রবাসী ◈ মডেল স্নিগ্ধা কে নিয়ে যা বললো শাহরিয়ার নাজিম জয়(ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৯ জুলাই, ২০২৬, ০৩:১৯ দুপুর
আপডেট : ২৯ জুলাই, ২০২৬, ০৪:১১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসির কাছে একগুচ্ছ দাবি জানাল জামায়াত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশ নেওয়ার সুযোগ বহাল রাখা, মন্ত্রী-এমপিদের নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞাসহ একগুচ্ছ দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ দুই কমিশনারের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

এর আগে বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত জামায়াতের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ইসির সঙ্গে এই বৈঠকে অংশ নেয়।

বৈঠক শেষে গোলাম পরওয়ার বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করার প্রয়োজনে আমরা কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ইসির সঙ্গে মতবিনিময় করেছি।

বৈঠকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অযোগ্য করার যে প্রাথমিক সুপারিশের কথা উঠে এসেছে, তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে জামায়াত। 

ইসির সেই সুপারিশে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক যারা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যারা সরকারি বেতনের একটা অংশ পান, সেই শিক্ষকরা নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। 

এর বিপরীতে জামায়াতের যুক্তি, সংবিধানে বা জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের রাজনীতি বা নির্বাচনের ব্যাপারে বিধিনিষেধ নেই। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের বাদ দেওয়াটা বৈষম্যমূলক।

গোলাম পরওয়ার বলেন, দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুদীর্ঘ ইতিহাসে স্কুল-কলেজ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নিয়ে থাকেন। স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কোন আলোচনা ছাড়াই এই রেকমেন্ডেশন সরকারকে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। 

দলটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বর্তমান সরকার রাজনৈতিক যেসব নিয়োগ দিয়েছে, তাদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানিয়েছে জামায়াত। দলটির মতে, এসব পদে থেকে সরকারি সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচনে অংশ নিলে নিরপেক্ষতা বজায় থাকবে না এবং তা পক্ষপাতের সুযোগ তৈরি করবে।

যেহেতু এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হচ্ছে না, তাই সংসদ সদস্য বা মন্ত্রীরা যেন কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা বা সভায় অংশ নিতে না পারেন, সে ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারির লিখিত দাবি জানিয়েছে দলটি।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে শামসুল আলমের নিয়োগের সমালোচনাও করেছে জামায়াত।

গোলাম পরওয়ার দাবি করেন, তিনি বিএনপির একটি কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক সংস্থা হওয়ায় এখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তির নিয়োগ নির্বাচন নিরপেক্ষ করার ক্ষেত্রে বড় বাধা। তাই অবিলম্বে তার নিয়োগ বাতিলের দাবি জানানো হয়।

এছাড়া, রাজনীতি বা কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা কোনো রাজনৈতিক দলের পদে থাকা ব্যক্তিরা যেন কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সে বিষয়েও বিধিনিষেধ আরোপের দাবি জানিয়েছে দলটি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়