শিরোনাম
◈ দুবাইয়ে বেনজীর গ্রেফতার, এটি বাংলাদেশ পুলিশের একটি ঐতিহাসিক সাফল্য : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার ◈ বিশ্বের ধনীতমদের একজন, বিলাসবহুল প্রাসাদ নয়, ছোট্ট ঘরেই থাকেন ইলন মাস্ক, কারণ কী? ◈ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ এখন বাংলাদেশ, বিশ্বের সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ দেশ রাশিয়া ◈ ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ এআই মডেল নিয়ে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র, চ্যাটজিপিটির প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ক্লড ফেবল ৫’ স্থগিত, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন! ◈ বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করতে পাবেন পেনশন! ◈ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে বিএসএফের ১১ জনের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি ◈ গণমাধ্যম এখন বিজনেস হাউসের প্রতিনিধি হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল ◈ আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কত? যা জানাগেল ◈ এবার পরিবর্তন হচ্ছে যে উপজেলার নাম

প্রকাশিত : ১৩ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:২১ রাত
আপডেট : ২৮ মে, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

৭ নভেম্বর ছিল আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ: মির্জা ফখরুল

মনিরুল ইসলাম: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৭ নভেম্বর ছিল আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এক ঐতিহাসিক বিদ্রোহ। সিপাহি–জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এই দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের ইতিহাস পাল্টে দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ৫০ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাসাস আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মোবাইল ফোনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তার বক্তব্য সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের শোনানো হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের প্রতিটি সংকটকালে বিশেষ দূতের মতো আবির্ভূত হয়েছেন জিয়াউর রহমান।
তিনি বলেন, “৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে থেমে থাকেননি; রণাঙ্গণে সশরীরে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেন। স্বাধীনতার পর ব্যারাকে ফিরে গিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভূমিকা রাখেন। আবার ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি–জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে জনগণের সামনে আবির্ভূত হন এবং দেশ রক্ষায় নেতৃত্ব দেন।”

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাকশালের সময় কেড়ে নেওয়া বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন এবং দেশে রাজনৈতিক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে পরমতসহিষ্ণুতার রাজনীতি শুরু করেন।

ফখরুল বলেন, “আমি আজ শহীদ মিনারে জাসাসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে না পারায় দুঃখিত। দলের জরুরি স্থায়ী কমিটির বৈঠকের কারণে আসতে পারিনি। মোবাইল ফোনে যুক্ত হয়ে কথা বলার সুযোগ নেওয়ায় আনন্দিত। আশা করি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ্য হবে। ভবিষ্যতে জাসাসের যেকোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করব।”

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক, চিত্রনায়ক হেলাল খান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল এবং সহ–সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাইদ সোহরাব। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকন।

ঢাকা মহানগর উত্তর–দক্ষিণ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার জাসাস নেতা–কর্মীরা মিছিলসহকারে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। জাসাস কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। এরপর দলীয় সঙ্গীত ও ৭ নভেম্বরকে কেন্দ্র করে একটি নৃত্যনাট্য পরিবেশিত হয়। জাসাস শিল্পীদের সংগীতে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশিত হলে উপস্থিত দর্শক ও নেতা–কর্মীদের হাততালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়