শিরোনাম
◈ সৌদির সঙ্গে আলোচনা সফল হলে হজের ভাড়া আরও কমবে: আফরোজা খানম ◈ গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: পেট্রোবাংলা ◈ প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান নিয়ে সুখবর ◈ রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নির্ধারণের দায়িত্ব তারেক রহমানকে দিলো বিএনপি ◈ র‍্যাবের ‘আয়নাঘরে’ ৭ ‘ডেথ সেল’, মিলল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য (ভিডিও) ◈ সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কায় দেশজুড়ে কড়া সতর্কতা ◈ কারাতে দক্ষতার প্রদর্শন, কাঠের তক্তা ভাঙলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ (ভিডিও) ◈ দেশের সব বন্দরে ২৪ ঘণ্টা সেবা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশি হিন্দুরা অনুপ্রবেশকারী নয়, তারা শরণার্থী: শুভেন্দু ◈ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ, আগামী সপ্তাহে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ ব্যবসায়ী

প্রকাশিত : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০১:২৭ রাত
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বছরের শেষেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরুর আশা: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

চলতি বছরের শেষের দিকেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। একই সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা বুড়ি তিস্তা পুনঃখনন প্রকল্পের জটিলতা দ্রুত নিরসন এবং তিস্তা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে নদীতীর সংরক্ষণকাজ শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।

শনিবার (১ আগস্ট) নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বুড়ি তিস্তা পুনঃখনন প্রকল্প এলাকা এবং ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ছাতুনামা ভেন্ডাবাড়ি এলাকায় তিস্তা নদীর ভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শন শেষে ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, টেকনিক্যাল কমিটি ইতোমধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে, যাতে দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা যায়। পানি সংরক্ষণ, নদীর দুই তীরের স্থায়ী সুরক্ষা এবং আধুনিক ব্যারেজ নির্মাণ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। যদিও এত বড় প্রকল্প একদিনে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, তবে চলতি বছরের শেষ নাগাদ অন্তত পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বুড়ি তিস্তা পুনঃখনন প্রকল্প সম্পর্কে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ১৯৬৭ সালে প্রকল্পটির কাজ শুরু হলেও দীর্ঘদিনে পলি জমে নদীটির নাব্যতা নষ্ট হয়ে যায়। পরে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচটি প্যাকেজে পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন জটিলতায় তা বন্ধ হয়ে যায়। এ মাসের মধ্যেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিশেষজ্ঞ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করে প্রকল্পটির স্থায়ী সমাধানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মামলা-মোকদ্দমাসহ সব ধরনের জটিলতা দূর করতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

তিস্তা নদীর ভাঙন নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ছাতুনামা ভেন্ডাবাড়ি এলাকায় অনেক মানুষের বসতভিটা ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের আগামী দু-এক দিনের মধ্যে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ব্যবহার করে জরুরি ভিত্তিতে নদীতীর সংরক্ষণকাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, "আমাদের সরকারের অঙ্গীকার, একটি মানুষের একটি ঘর, এক বিঘা জমি, এমনকি এক ইঞ্চি জমিও যেন নদীগর্ভে বিলীন না হয়।"

এ সময় প্রতিমন্ত্রী ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডকে তিস্তা নদীর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত নদীতীর সংরক্ষণকাজ শুরু এবং জিওটেক্সটাইল, জিও ব্যাগ ও জিও টিউবের গুণগত মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী বুড়ি তিস্তা পুনঃখনন প্রকল্প এলাকা ও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শোনেন।

পরিদর্শনকালে রংপুর অঞ্চল সার্কেল-২-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান, ঠাকুরগাঁও সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কৃষ্ণকমল সরকার, ডালিয়া পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী, নীলফামারী পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম জাকারিয়া, ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরানুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়