শিরোনাম
◈ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ফাঁস করলেন সজীব ওয়াজেদ জয়! ◈ ১২ ফেব্রুয়া‌রি নির্বাচন কি আসলেই হবে- এই প্রশ্ন এখনো কেন উঠছে ◈ চ‌্যা‌ম্পিয়ন্স লি‌গে মার্সেইকে ৩-০ গো‌লে হারা‌লো লিভারপুল ◈ আজ নির্বাচনী মাঠে নামছেন তারেক রহমান, ডা. শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলাম ◈ কানায় কানায় পূর্ণ আলিয়া মাদরাসা মাঠ, জনসমুদ্রে রূপ নিল বিএনপির জনসভা ◈ হাফিজ উদ্দিন খানের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক ◈ ফুটবল বিশ্বকা‌পের দ‌লে কী  জায়গা পা‌বেন নেইমার? ◈ টি–২০ বিশ্বকাপই শেষ সুযোগ, সে‌মিফাইনা‌লে উঠতে না পারলে চাকরি হারা‌বেন ম্যাককালাম ◈ রমজানে স্কুল খোলা রাখা 'বৈষম্যমূলক': পুরো মাস ছুটির দাবিতে হাইকোর্টে রিট ◈ কলাবাগানে ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনি: দুই যুবক ঢামেকে ভর্তি

প্রকাশিত : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০২:৪৯ রাত
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০২:৪৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বানান সরল করুন

শামসুদ্দিন পেয়ারা 

শামসুদ্দিন পেয়ারা: কোনো বাঙলা বানানেই ঈ বা (ঈ-কার), ঊ বা (ঊ-কার), ঞ, ণ, য, ষ, ঢ়, ৎ থাকার দরকার নেই। বাংলা ভাষাকে যখন সংস্কৃত ভাষার অঙ্গভাষা মনে করা হতো তখনকার সংস্কৃত পণ্ডিতরা এইসব সংস্কৃত (তৎসম) বানান চালু করেছিলেন। তারপর বাংলা ভাষা বহু চড়াই-উৎরাই পার হয়ে একটি শতভাগ স্বাধীন ও সার্বভৌম ভাষায় পরিণত হয়েছে। বাংলা এখন বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম ভাষা। পৃথিবীর অষ্টম বৃহত্তম দেশ বাংলাদেশ-এর রাষ্ট্রভাষা। তাকে এখন নিজের পরিচয় দেয়ার জন্য অন্যের বংশমর্যাদার দোহাই দিতে হয় না। সংস্কৃতের দুহিতা পরিচয়ে জগৎসভায় পেছনের আসনে গিয়ে বসতে হয় না। গত এক হাজার বছরে বাংলার নিজস্ব উচ্চারণ রীতি সৃষ্টি হয়ে তা পাকাপোক্ত রূপ নিয়েছে। সে উচ্চারণ রীতি সংস্কৃত ভাষার উচ্চারণ রীতি থেকে আলাদা। কাজেই তার বানান-ও সংস্কৃতের থেকে আলাদাই হবে। সেটাই স্বাভাবিক ও যুক্তিসঙ্গত। লেখক: মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়