শিরোনাম
◈ ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ: হাইকোর্টে আরও পাঁচ প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ ◈ মিরপুরের পিচের প্রশংসা কর‌লেন পাকিস্তানি কোচ মাইক হেসন  ◈ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্পট মার্কেট থেকে দুই লাখ টন ডিজেল কিনছে বিপিসি ◈ ইরানের বর্তমান শাসন পতনের পর যুক্তরাষ্ট্র বিপুল অর্থ আয় করতে পারবে: লিন্ডসে গ্রাহাম ◈ জ্বালানি তেল নিয়ে জরুরি নির্দেশনা, সব ডিসি অফিসে চিঠি ◈ নতুন নেতাকে স্বাগত জানিয়ে ইরানে বিশাল শোভাযাত্রা ◈ তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ ◈ ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের জন্য অসহনীয় বোঝা, কমনওয়েলথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী   ◈ সিঙ্গাপুর থেকে এলো ২৭ হাজার টন ডিজেল, চট্টগ্রামে খালাস শুরু ◈ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২২, ০২:৩৭ রাত
আপডেট : ০৪ অক্টোবর, ২০২২, ০২:৩৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুক্তিযোদ্ধারা যে তিন আকুতি জানাতেন

মোরশেদ শফিউল হাসান

মোরশেদ শফিউল হাসান: মুক্তিযুদ্ধের চিকিৎসা ইতিহাস সম্পর্কে একটা বইয়ের পান্ডুলিপি পড়তে গিয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় জানতে পারলাম। অন্তত আমার কাছে তথ্যটা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মনে হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় (স্বাভাবিকভাবেই ভারতের কোনো হাসপাতালে) চিকিৎসাধীন মুক্তিযোদ্ধারা মৃত্যুর আগে তাঁদের শেষ ইচ্ছার কথা সাধারণত ডাক্তার কিংবা সেবাদানকারী নার্সদেরই বলে যেতেন। আর তাঁদের প্রায় সবাই যে-তিনটি বিষয়ে আকুতি জানাতেন তা হলো : (১) তাঁর মাকে যেন তাঁর মৃত্যু সংবাদটি পৌঁছানো হয় ; (২) তাঁর লাশটা যেন দেশের মাটিতে নিয়ে কবর দেওয়া হয় ; এবং (৩) তাঁর কবরে যদি কোনো সমাধি ফলক স্থাপন করা হয়, তা যেন বাংলায় লেখা হয়।
বাস্তব কারণেই মুক্তিযুদ্ধের অনেক শহীদের বেলায় এই সবকটি আকাক্সক্ষা হয়তো পূরণ করা যায়নি। তবে এর মধ্যে দিয়ে মা, মাটি (অর্থাৎ মাতৃভূমি) এবং মাতৃভাষার প্রতি তাঁদের যে টান ও অঙ্গীকার প্রকাশ পেয়েছে, এক কথায় তা অতুলনীয়। দেশপ্রেম বলুন কিংবা স্বাধীনতার চেতনা, এই তিনটি বিষয়কে বাদ দিয়ে তো নয়!

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়