শিরোনাম
◈ স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক, প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্যে বদলে গেল শিক্ষা বিভাগের সিদ্ধান্ত ◈ জামায়াত এমপি গোলাম রসুলের বাড়ি ঘেরাও, ভাঙচুরের অভিযোগ ◈ ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি: জাহেদ উর রহমান ◈ আগুনে পুড়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু  ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে: দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি, প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন : সিইসি ◈ ১০টি সাধারণ ভুল আয়কর রিটার্ন তৈরিতে, জানুন ভুলগুলো কী ◈ ৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর, শেষ পর্যায়ে প্রস্তুতি ◈ বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের তিন বছর কারাদণ্ড ◈ আবারও টানা দুই দিন ১২ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

প্রকাশিত : ২৮ জুলাই, ২০২৬, ০২:৪১ দুপুর
আপডেট : ২৮ জুলাই, ২০২৬, ০৪:২৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফার্স্ট ক্লাস পেয়েও গ্রামের স্কুলে, বিউটি পালকে নিয়ে ভাইরাল সহপাঠীর আবেগঘন পোস্ট

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ইংরেজি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রাণী পালকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ‘প্রথম শ্রেণিতে’ ফলাফল করা এই শিক্ষিকাকে নিয়ে তার সহপাঠী ও বর্তমানে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের সহকারী অধ্যাপক মো. বদরুজ্জামান বাপ্পি একটি ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বিউটি পাল আমাদের ব্যাচমেট। ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষে আমরা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হই। আমাদের ব্যাচে ছিলাম ৬০ জন। ২০১২ সালে স্নাতকোত্তর শেষ করার পর বর্তমানে আমাদের ব্যাচের ৮ জন বাংলাদেশের বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষকতা করছেন ৫ জন। বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন ৭ জন, নন-ক্যাডার সরকারি চাকরিতে আছেন ৫ জন। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আমাদের সহপাঠীরা দেশের সেবায় নিয়োজিত।’

তিনি আরও লেখেন, ‘বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সবচেয়ে অবহেলিত স্তরগুলোর একটি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। সেই স্তরেই কাজ করছেন আমাদের দুই সহপাঠী—বিউটি পাল এবং মাসুদুল ইসলাম রানা। দুজনেরই ফলাফল ছিল ফার্স্ট ক্লাস, যোগ্যতাও ছিল উজ্জ্বল। তবু তারা বড় শহরের চাকরি বা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরামদায়ক পরিবেশের পরিবর্তে বেছে নিয়েছেন প্রত্যন্ত গ্রামের শিশুদের শিক্ষাদানের পথ।’

তার ভাষ্য, ‘তারা ছেড়ে এসেছেন সিলেট শহরের আভিজাত্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় বড় শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ভবন, সমৃদ্ধ লাইব্রেরির সুযোগ-সুবিধা। আজ তারা কাজ করছেন এমন বাস্তবতায়, যেখানে শিক্ষকদের বই কেনার জন্য ২০০ টাকারও প্রণোদনা নেই, নেই ৫০ টাকার ইন্টারনেট ভাতাও। তারপরও নিজের অর্থ ব্যয় করে তারা শিশুদের পড়িয়ে যাচ্ছেন।’

তার আরেক সহপাঠীর অবস্থা তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘মাসুদুল ইসলাম রানা কর্মরত কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার পাওন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। একবার আমরা কয়েকজন বন্ধু তার স্কুল দেখতে গিয়েছিলাম। সময়টা ছিল অক্টোবর মাস, হাওরের উত্তাল মৌসুম। বিশাল ঢেউয়ে নৌকা বারবার দুলছিল। সেই যাত্রায় আমরা ভয়ে আয়াতুল কুরসি পড়তে পড়তে নৌকাডুবির আশঙ্কা থেকে রক্ষা পাই। রানার বাড়িতে আমাদের জন্য অনেক আয়োজন ছিল, কিন্তু ঢাকার বন্ধুরা আতঙ্কে ঠিকমতো খেতেও পারেনি। রানার কথা উঠলেই সেই ট্রমাটিক স্মৃতিগুলো ফিরে আসে।’

আজকের সেই গ্রামও নানা সংকটে জর্জরিত উল্ল্যেখ করে তিনি বলেন, এবার আসি আলো জ্বলমলে শহরের বিপরীতে ২০২৬ সালের রানার গ্রামে, যেখানে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হয়। এমন এক বাস্তবতা, যেখানে গ্রীষ্মের গরমের চেয়ে প্রবাসী আয়ের প্রভাব বেশি আলোচিত। যেখানে অনেক সময় মানুষ নিজের কল্যাণের চেয়ে অন্যের অকল্যাণ নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকে। সেইসব গ্রামে যেখানে আপনার ভাষণ নয়, ভূষণই মুখ্য। সেইসব গ্রামে যেখানে সবাই ইহকালের চেয়ে পরকালের কথা একটু বেশিইভাবে। তবে সেইসব গ্রামে যেখানে সুদের ব্যবসা হালাল হয়েছে, বহু আগেই। সেইসব গ্রামে যেখানে ধর্ম এখন আর আধ্যাত্মিকতা নয় বরং লৌকিকতা।’

তিনি আরও লেখেন, ‘সেইসব গ্রামে পরিবেশেই শিক্ষকরা ধীরে ধীরে ‘শিক্ষক’ থেকে শুধু ‘মাস্টার’ হয়ে যান—অবহেলা ও অবমূল্যায়নের ভারে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর করা রানা আর বিউটিরা আজ ক্লাস নেন এমন কক্ষে, যেগুলোর বাইরের রূপ মোটামুটি হলেও ভেতরের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। অথচ একসময় তারাই বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টসেল, শিরোনামহীন, মাইলসের কনসার্টে নেচেছেন, পহেলা বৈশাখে ‘নোঙর’ সাংস্কৃতিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।’

তিনি লেখেন, ‘সেই সাদাকালো গ্রামের বাস্তবতায় বিউটি পাল, মাসুদুল রানার ‘অপরাধ’ নীল রঙের শাড়ি পরা, হাসিমুখে শিশুদের পড়ানো, বাতাসে চুল উড়িয়ে স্বপ্ন দেখানো। তার ‘অপরাধ’—সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ইংরেজি শেখানো, বিনিয়োগী শিক্ষা ব্যবস্থায় বিনিয়োগে অসমর্থ গ্রামের শোষিত বাচ্চাদের টুইংকেল টুইংকেল লিটিল স্টার গাইতে শেখানো। যেন এসব শুধু শহরের শিশুদের জন্যই বরাদ্দ, গ্রামের শিশুদের জন্য নয়। গ্রামের বাচ্চারা সারাজীবন ইংরেজিতে দূর্বল থাকবে। ফেল করতে করতে কোন রকমে পাস করে ২৫ বছর বয়স হবে, বিয়ে করবে, সংসার করবে। জগতের সবচেয়ে সৃষ্টিশীল কাজ—মানব সন্তান জন্ম দিবে। আমাদের একমাত্র রপ্তানি পণ্য—আদম সন্তান, রপ্তানি করে সরকারের কোষাগার সমৃদ্ধ করবে।। জিডিপি এগিয়ে যাবে, কিন্তু হ্যাপিনেস ইনডেক্স শূন্য হবে। স্বামী বিদেশে, বউ স্বদেশে। ফলাফল উগ্র বিকারগ্রস্ত সন্তান।’

তিনি আরও লেখেন, ‘বিউটি পাল ও মাসুদুল ইসলাম রানার আরেকটি ‘অপরাধ’—গ্রামের শিশুদের বড় স্বপ্ন দেখতে শেখানো। সাহিত্যের ভাষায় যাকে বলা হয় ‘এসকেপিজম’। তারা বিদ্যমান বাস্তবতাকে মেনে নিতে শেখান না; বরং পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখান। যদিও সমাজের চাপ অনেক সময় সেই স্বপ্নকেও বদলে দেয়।’

তিনি লিখেন, ‘মাস্টার্সের পাঠ্যসূচিতে আমরা মিশেল ফুকোর Madness and Civilization পড়েছিলাম। হয়তো সেই শিক্ষা থেকেই বুঝেছি—একটি অস্থির সমাজ, চাপের মুখে থাকা শিক্ষা ব্যবস্থা এবং অসংখ্য সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বিউটি পালের মতো শিক্ষকরা নেচে-গেয়ে শিশুদের শেখাতে পারেন। এটাই তাদের শক্তি, এটাই তাদের স্বপ্ন। স্যালুট বিউটি পাল, মাসুদুল ইসলাম রানা এবং তোমাদের মতো শত শত স্বপ্নবাজ শিক্ষককে ‘

শেষে দিনি লিখেন, ‘আমি নিজেও একজন শিক্ষক। ১৩ বছরের শিক্ষকতা জীবনে রুটিনের একটি ক্লাসও মিস করিনি। হয়তো আমারও কিছু পাগলামি আছে। স্ট্রাকচারালিজমের বিপরীতে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে এলোমেলো চুল রেখেছি। এখনও বিশ্বাস করি—শিক্ষার মাধ্যমেই বদলে যেতে পারে বাংলাদেশ।’

তার ভাষ্য, ‘তারা ছেড়ে এসেছেন সিলেট শহরের আভিজাত্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় বড় শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ভবন, সমৃদ্ধ লাইব্রেরির সুযোগ-সুবিধা। আজ তারা কাজ করছেন এমন বাস্তবতায়, যেখানে শিক্ষকদের বই কেনার জন্য ২০০ টাকারও প্রণোদনা নেই, নেই ৫০ টাকার ইন্টারনেট ভাতাও। তারপরও নিজের অর্থ ব্যয় করে তারা শিশুদের পড়িয়ে যাচ্ছেন।’

তার আরেক সহপাঠীর অবস্থা তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘মাসুদুল ইসলাম রানা কর্মরত কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার পাওন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। একবার আমরা কয়েকজন বন্ধু তার স্কুল দেখতে গিয়েছিলাম। সময়টা ছিল অক্টোবর মাস, হাওরের উত্তাল মৌসুম। বিশাল ঢেউয়ে নৌকা বারবার দুলছিল। সেই যাত্রায় আমরা ভয়ে আয়াতুল কুরসি পড়তে পড়তে নৌকাডুবির আশঙ্কা থেকে রক্ষা পাই। রানার বাড়িতে আমাদের জন্য অনেক আয়োজন ছিল, কিন্তু ঢাকার বন্ধুরা আতঙ্কে ঠিকমতো খেতেও পারেনি। রানার কথা উঠলেই সেই ট্রমাটিক স্মৃতিগুলো ফিরে আসে।’

আজকের সেই গ্রামও নানা সংকটে জর্জরিত উল্ল্যেখ করে তিনি বলেন, এবার আসি আলো জ্বলমলে শহরের বিপরীতে ২০২৬ সালের রানার গ্রামে, যেখানে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হয়। এমন এক বাস্তবতা, যেখানে গ্রীষ্মের গরমের চেয়ে প্রবাসী আয়ের প্রভাব বেশি আলোচিত। যেখানে অনেক সময় মানুষ নিজের কল্যাণের চেয়ে অন্যের অকল্যাণ নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকে। সেইসব গ্রামে যেখানে আপনার ভাষণ নয়, ভূষণই মুখ্য। সেইসব গ্রামে যেখানে সবাই ইহকালের চেয়ে পরকালের কথা একটু বেশিইভাবে। তবে সেইসব গ্রামে যেখানে সুদের ব্যবসা হালাল হয়েছে, বহু আগেই। সেইসব গ্রামে যেখানে ধর্ম এখন আর আধ্যাত্মিকতা নয় বরং লৌকিকতা।’

তিনি আরও লেখেন, ‘সেইসব গ্রামে পরিবেশেই শিক্ষকরা ধীরে ধীরে ‘শিক্ষক’ থেকে শুধু ‘মাস্টার’ হয়ে যান—অবহেলা ও অবমূল্যায়নের ভারে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর করা রানা আর বিউটিরা আজ ক্লাস নেন এমন কক্ষে, যেগুলোর বাইরের রূপ মোটামুটি হলেও ভেতরের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। অথচ একসময় তারাই বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টসেল, শিরোনামহীন, মাইলসের কনসার্টে নেচেছেন, পহেলা বৈশাখে ‘নোঙর’ সাংস্কৃতিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।’

তিনি লেখেন, ‘সেই সাদাকালো গ্রামের বাস্তবতায় বিউটি পাল, মাসুদুল রানার ‘অপরাধ’ নীল রঙের শাড়ি পরা, হাসিমুখে শিশুদের পড়ানো, বাতাসে চুল উড়িয়ে স্বপ্ন দেখানো। তার ‘অপরাধ’—সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ইংরেজি শেখানো, বিনিয়োগী শিক্ষা ব্যবস্থায় বিনিয়োগে অসমর্থ গ্রামের শোষিত বাচ্চাদের টুইংকেল টুইংকেল লিটিল স্টার গাইতে শেখানো। যেন এসব শুধু শহরের শিশুদের জন্যই বরাদ্দ, গ্রামের শিশুদের জন্য নয়। গ্রামের বাচ্চারা সারাজীবন ইংরেজিতে দূর্বল থাকবে। ফেল করতে করতে কোন রকমে পাস করে ২৫ বছর বয়স হবে, বিয়ে করবে, সংসার করবে। জগতের সবচেয়ে সৃষ্টিশীল কাজ—মানব সন্তান জন্ম দিবে। আমাদের একমাত্র রপ্তানি পণ্য—আদম সন্তান, রপ্তানি করে সরকারের কোষাগার সমৃদ্ধ করবে।। জিডিপি এগিয়ে যাবে, কিন্তু হ্যাপিনেস ইনডেক্স শূন্য হবে। স্বামী বিদেশে, বউ স্বদেশে। ফলাফল উগ্র বিকারগ্রস্ত সন্তান।’

তিনি আরও লেখেন, ‘বিউটি পাল ও মাসুদুল ইসলাম রানার আরেকটি ‘অপরাধ’—গ্রামের শিশুদের বড় স্বপ্ন দেখতে শেখানো। সাহিত্যের ভাষায় যাকে বলা হয় ‘এসকেপিজম’। তারা বিদ্যমান বাস্তবতাকে মেনে নিতে শেখান না; বরং পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখান। যদিও সমাজের চাপ অনেক সময় সেই স্বপ্নকেও বদলে দেয়।’

তিনি লিখেন, ‘মাস্টার্সের পাঠ্যসূচিতে আমরা মিশেল ফুকোর Madness and Civilization পড়েছিলাম। হয়তো সেই শিক্ষা থেকেই বুঝেছি—একটি অস্থির সমাজ, চাপের মুখে থাকা শিক্ষা ব্যবস্থা এবং অসংখ্য সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বিউটি পালের মতো শিক্ষকরা নেচে-গেয়ে শিশুদের শেখাতে পারেন। এটাই তাদের শক্তি, এটাই তাদের স্বপ্ন। স্যালুট বিউটি পাল, মাসুদুল ইসলাম রানা এবং তোমাদের মতো শত শত স্বপ্নবাজ শিক্ষককে ‘

শেষে দিনি লিখেন, ‘আমি নিজেও একজন শিক্ষক। ১৩ বছরের শিক্ষকতা জীবনে রুটিনের একটি ক্লাসও মিস করিনি। হয়তো আমারও কিছু পাগলামি আছে। স্ট্রাকচারালিজমের বিপরীতে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে এলোমেলো চুল রেখেছি। এখনও বিশ্বাস করি—শিক্ষার মাধ্যমেই বদলে যেতে পারে বাংলাদেশ।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়