শিরোনাম
◈ শুল্কের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি, আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ ◈ ‘আসামে এলে ধাক্কা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেব’, রাহুলকে হিমন্ত ◈ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ ব্যবসায় নামতে চায় টিসিবি ◈ অল্প সময়ে বেশি ফলন, কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে মুড়িকাটা পেঁয়াজে ◈ শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ জনশক্তি গড়তে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ জাতীয় সংসদ ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে একাধিক সুপারিশ কমিটির ◈ মাইকিং করে বাণিজ্যমেলার মাঠে ভাঙচুর, ভেকু দিয়ে গেট ভাঙছেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা: মাঠ বিশ্ববিদ্যালয়কে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ◈ মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বরপ্লেট নিয়ে যে নতুন সিদ্ধান্ত ◈ এবার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড আড়াই ঘণ্টা পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ ◈ জাতীয় নিরাপত্তা শুধু সামরিক প্রস্তুতি নয়, প্রয়োজন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত : ১১ আগস্ট, ২০২৪, ১০:৩৪ দুপুর
আপডেট : ২৭ এপ্রিল, ২০২৫, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শায়খ আহমাদুল্লাহ আয়নাঘর নিয়ে যা বললেন

শনিবার (১০ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘আয়নাঘর’ প্রসঙ্গে নিজের মতামত জানান তিনি।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ধার্মিক তরুণদের আয়নঘরে নিয়ে জঙ্গি নাকট সাজানোর লোমহর্ষক ঘটনাগুলো একের পর এক সামনে আসতে শুরু করেছে। যারা বিগত দিনগুলোতে প্রশাসনের জঙ্গি নাটকে বিভ্রান্ত হয়ে ইসলামপন্থীদের জঙ্গি বলে গালি দিয়েছেন, আপনাদের এখন লজ্জিত ও অনুতপ্ত হওয়া উচিত।  সূত্র : যুগান্তর

গণবিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়েছেন শেখ হাসিনা। এর সঙ্গেই পতন হয় আওয়ামী সরকারের। তার পতনের পর একে একে উঠে আসছে ভয়ঙ্কার তথ্য। এর মধ্যে উঠে এসেছে আওয়ামী লীগের তৈরি নির্যাতনের জেল আয়নাঘর। এবার এ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন দেশের ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।

শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও লেখেন, গুয়ানতানামো বে কিংবা আবু গারিব কারাগারের নাম শুনলেই আমাদের গা শিউরে ওঠে। চোখের সামনে ভেসে ওঠে লোমহর্ষক নির্যাতনের মর্মান্তিক সব দৃশ্য। অথচ আমরা এখন আয়নাঘরের যে বীভৎসতার খবর জানছি, তা যেন গুয়ানতানামো বে, আবু গারিব কারাগারকেও হার মানায়। 

তিনি লেখেন, আয়নাঘরে হয় কী, ইতোমধ্যে আমরা সবাই তা জেনে গেছি। আয়নাঘর হয়ে উঠেছিল জঙ্গি নাটক বানানোর বিশাল মঞ্চ। প্রশাসনের যখনই কোনো কথিত জঙ্গির প্রয়োজন হতো, নিরীহ কোনো মানুষকে ধরে এনে আয়নাঘরে রাখত আর নির্যাতন করে মিডিয়ার সামনে জঙ্গি হিসেবে পেশ করত। 

তিনি আরও লেখেন, এদের এই ঘৃণ্য চক্রান্তের সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছে ধার্মিক মানুষেরা। এর মাধ্যমে কত মানুষের স্বপ্ন যে ধূলিসাৎ হয়েছে, কত তরুণের ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়েছে, কত যুবকের তরতাজা প্রাণ যে নষ্ট হয়েছে, গুম হওয়া স্বজনের প্রতীক্ষায় থেকে কত পরিবার যে একটু একটু করে ক্ষয় হয়েছে, তার কোনো হিসাবই নেই। 

তিনি বলেন, যারা আমাদের এই সবুজ বাংলাদেশে গুয়ানতানামো বে তৈরি করেছে, অসংখ্য নিরীহ মানুষের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে, অগণিত যুবককে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে বছরের পর বছর অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি করে রেখেছে, আমরা সেসব কালপ্রিটদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।

আমরা চাই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো মানুষ গুম না হোক, প্রতিটি অন্যায়কারী বিচারের মুখোমুখি হয়ে উপযুক্ত সাজা পাক, ভুল ভাঙুক ও প্রহসন বন্ধ হোক আলেম সমাজ ও ধার্মিক মানুষদের প্রতি বলে জানান তিনি।

  • সর্বশেষ