শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা ◈ ৫ দিনে রেমিটেন্স এলো ৫ হাজার কোটি টাকা ◈ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন বিদ্যুৎপ্রতিমন্ত্রী ◈ বঙ্গবন্ধু কূটনৈতিক উৎকর্ষ পদক পেলেন লায়লা হোসেন ও ইতো নাওকি ◈ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরো সক্রিয় হতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ লজ্জা থাকলে বিএনপি লোডশেডিং নিয়ে বলতো না: ওবায়দুল কাদের ◈ কুষ্টিয়া নিখোঁজের ৫ দিন পর  আমাদের নতুন সময়ের সাংবাদিক রুবেলের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা ◈ দলীয় প্রধানের পদ থেকে বরিস জনসনের পদত্যাগ, প্রধানমন্ত্রীত্বও ছাড়বেন ◈ সেপ্টেম্বরের আগে বিদ্যুৎ সংকট কাটছে না, সকলকে সাশ্রয়ী হতে হবে ◈ ২৭টি গরু নিয়ে ডুবল ট্রলার, ৬ গরুর মৃত্যু

প্রকাশিত : ২০ মে, ২০২২, ০৬:০০ বিকাল
আপডেট : ২০ মে, ২০২২, ০৬:০২ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অন্যের নামে এনজিও খেকে ঋণ উত্তোলন

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দম্পতি গ্রেপ্তার

ঋণ উত্তোলন করে অর্থ আত্মসাত

সুজন কৈরী: [২] প্রতারণার মাধ্যমে অন্যের নামে বিভিন্ন এনজিও খেকে ঋণ উত্তোলন করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দম্পতি গ্রেপ্তার। অন্যের ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ উত্তোলন করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আসমা খানম শিল্পী (৩৮) ও মো. শহিদুল ইসলাম (৫২)। ঢাকার সাভারের কাউন্দিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

[৩] শুক্রবার দুপুরে র‌্যাব-৪ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মাজহারুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি একজন নারী ভুক্তভোগী র‌্যাব-৪ এ অভিযোগ করেন, সাভারের কাউন্দিয়া এলাকার বাসিন্দা জনৈক আছমা খানম এবং তার স্বামী এলাকার বিভিন্ন দরিদ্র নারীকে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থেকে ত্রাণ ও ঋণ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেন। এরপর বিভিন্ন ব্যাংক ও ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে তারা আত্মসাৎ করছিলেন। 

[৪] অভিযোগের ভিত্তিতে ছায়া তদন্ত করে র‌্যাব-৪ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে স্বর্ণের তৈরি একটি চুড়ি, দুটি কানের দুল, ৫৫টি পাশ বই, ভুক্তভোগীদের ৫০টি জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, তিনটি চেকবই, ছয়টি রেজিস্টার ও একটি মোবাইল জব্দ করা হয়।

[৫] প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা র‌্যাবের কাছে প্রতারণার কথা স্বীকার করেন। তারা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সাভারের মধ্য কাউন্দিয়া এলাকার সাধারণ নারীদের বিভিন্ন চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এবং ব্যবসার নামে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করছিলেন।

[৬] আছমা খানম নানা কৌশলে অল্প বয়সী মেয়েদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে পতিতাবৃত্তিতে নিয়োজিত করাসহ মেয়েদের বিক্রি করে দেওয়া, এমনকি নারী পাচারের কাজে জড়িত বলেও দাবি করেন র‌্যাব কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম। গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ