শিরোনাম
◈ যে জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের লাখ টাকা অনুদান দেবে সরকার ◈ টানা ছুটিতে জমজমাট কক্সবাজার, পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় ◈ কুমিল্লার লাকসামে কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের ৩ বগি লাইনচ্যুত, আপলাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ ◈ সব ধর্মের মানুষের সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ যুদ্ধ এড়াতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে পাকিস্তান ও কাতারের নতুন মধ্যস্থতা প্রস্তাব ◈ সন্ধ‌্যায় বাংলা‌দেশ-আফগা‌নিস্তান মু‌খোমু‌খি, ফাইনালে যেতে টাইগার‌দের সামনে কঠিন সমীকরণ ◈ ৫০ হাজার রুপি পুরস্কার ঘোষণার পর সেই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেফতার ◈ বাংলাদেশ-নেপালের সরকার পরিবর্তনের আন্দোলনের সঙ্গে ভারতের বিক্ষোভের তুলনা নাকচ করলেন অভিজিৎ দিপকে ◈ নগদনির্ভর লেনদেনে বছরে ৯৩ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার ◈ মা‌ছের পোনা কিন‌তে খরচ ২ কো‌টি ৯০ লাখ টাকা, সেই পোনা বাঁও‌রে ছাড়তে খরচ ৪৫ কোটি: মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প

প্রকাশিত : ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৬:১৬ বিকাল
আপডেট : ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৬:৫৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের লাখ টাকা অনুদান দেবে সরকার

ক্যান্সার ও কিডনি রোগসহ সাতটি জটিল এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত অসচ্ছল রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এককালীন এক লাখ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন এই কর্মসূচির আওতায় মোট ৬৫ হাজার রোগীকে এই সহায়তা দেওয়া হবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো অসচ্ছল ও দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানো এবং তাদের পরিবারের ওপর আর্থিক চাপ কমানো। এ বছর কর্মসূচির পরিধি বাড়াতে মোট বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫০ কোটি টাকা।

সরকারের এই আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত সাতটি জটিল রোগ হলো: ১. ক্যান্সার ২. কিডনি রোগ ৩. লিভার সিরোসিস ৪. প্যারালাইসিস ৫. হৃদরোগ ৬. লিউকেমিয়া ৭. থ্যালাসেমিয়া।

চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রতিটি রোগী চিকিৎসার জন্য এককালীন ১ লাখ টাকা করে পাবেন। নিয়ম অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি একই অর্থবছরে একবার এবং পুরো জীবনে সর্বোচ্চ তিনবার এই অনুদান নিতে পারবেন।

Advertisement

সমাজসেবা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এ কর্মসূচিতে বরাদ্দ ছিল মাত্র ২ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যার আওতায় সহায় পেয়েছিলেন ৫৬১ জন রোগী। পর্যায়ক্রমে এর পরিধি বৃদ্ধি পায়। বিগত ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩০০ কোটি টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হলেও, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা একলাফে বাড়িয়ে ৬৫০ কোটি টাকা করা হয়েছে।

আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। রোগী নির্বাচনে দরিদ্র ও অসচ্ছল ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া যাদের জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন, জীবন সংকটাপন্ন এবং যারা প্রতিবন্ধী, শিশু, নারী বা বয়স্ক—তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

তবে কোনো আবেদনকারী অসত্য তথ্য বা ভুয়া সনদপত্র জমা দিলে কিংবা ইতিপূর্বে এ বিষয়ে অন্য কোনো সরকারি অর্থ পেয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট কমিটি তাঁর আবেদন বাতিল করতে পারবে।

আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

অনলাইনে আবেদনের সময় যেসব ডকুমেন্টের কপি প্রয়োজন হবে:

রোগীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা শিশুর জন্মসনদ

আবেদনকারী, অভিভাবক বা প্রতিনিধির জাতীয় পরিচয়পত্র ও এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি

মনোনীত নমিনির তথ্য এবং রোগী বা অভিভাবকের ব্যাংক হিসাবের তথ্য (চেকবইয়ের কভার পাতার ফটোকপি)

চিকিৎসকের সর্বশেষ ব্যবস্থাপত্র ও রোগ শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় প্যাথলজিক্যাল রিপোর্ট (ক্যান্সার রোগীদের ক্ষেত্রে টিস্যু ডায়াগনস্টিক, বায়োপসি বা বোন ম্যারো রিপোর্ট)

যেভাবে আবেদন করবেন

রোগী নিজে অথবা তার পরিবারের কোনো সদস্য, অভিভাবক বা আইনগত প্রতিনিধি সমাজসেবা অধিদপ্তরের নির্ধারিত পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। প্রাপ্ত তথ্য ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত উপকারভোগী নির্বাচন করবে।

  • সর্বশেষ