চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৭ দিনে ৪০ হাজার ৫৯৩ জন বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা কিছুটা কম হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জনশক্তি রপ্তানিতে যে বড় পতন ঘটেছিল, তা কাটিয়ে আবারও গতি ফিরছে বৈদেশিক কর্মসংস্থানে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বরের ১৭ দিনে কাজের সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন ৫৯ হাজার ৩২ জন। চলতি ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করলে পুরো মার্চ মাসে জনশক্তি রপ্তানি কমে ৪৪ হাজার ৬০০-তে নামে।
তথ্যে দেখা যায়, প্রবাসে পাড়ি জমানো বাংলাদেশি কর্মীদের মধ্যে যথারীতি শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব। পর্যালোচনাধীন ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের ১৭ দিনে একক দেশ হিসেবে সৌদি আরবে গেছেন সর্বোচ্চ ২০ হাজার ৩৪১ জন কর্মী।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর, যেখানে কর্মসংস্থানের উদ্দেশে গেছেন ৪ হাজার ৫৮১ জন কর্মী। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে ৩ হাজার ৮৫৬ জন, মালদ্বীপে ২ হাজার ৬০১ জন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ২ হাজার ৫৬০ জন বাংলাদেশি কর্মী কান্ট্রি ক্লিয়ারেন্স নিয়ে পাড়ি জমিয়েছেন।
অন্যান্য দেশের মধ্যে কুয়েতে দুই হাজার ২২১ জন, পর্তুগালে ৬৩৮ জন, ইতালিতে ৬১৭ জন, লাওসে ৩৯৩ জন, জর্ডানে ২৯৪ জন, লেবাননে ২২৩ জন, মরিশাসে ২১২ জন, গ্রিসে ২০৫ জন, ফিজিতে ১৯৩ জন ও ভিয়েতনামে ১৭৪ জন কর্মী গেছেন।
২০২৫ সালের ১৭ দিনে শীর্ষ ১৫ দেশে কত লোক গেছেন?
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৭ দিনে জনশক্তি রপ্তানিতে আগের বছরের মতোই শীর্ষে ছিল সৌদি আরব। ১৭ দিনে দেশটিতে সর্বোচ্চ ৩৭ হাজার ২৭৩ জন কর্মী গেছেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল কাতার, যেখানে গেছেন ৬ হাজার ১৯৩ জন এবং তৃতীয় স্থানে থাকা সিঙ্গাপুরে গেছেন চার হাজার ৬৫ জন কর্মী।
অন্য দেশগুলোর মধ্যে– মালদ্বীপে ২ হাজার ৭১১ জন, কুয়েতে ১ হাজার ৩৪৫ জন, কম্বোডিয়ায় ১ হাজার ২৩০ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১ হাজার ৯ জন, ইতালিতে ৯৮৯ জন, জর্ডানে ৭২১ জন, ইরাকে ৪৫২ জন, রাশিয়ায় ৩৪৯ জন, সাইপ্রাসে ৩৩৮ জন, লাওসে ২৮৯ জন, সার্বিয়ায় ২৭৪ জন এবং কঙ্গোয় ২৭১ জন।