শিরোনাম
◈ রাজধানীতে স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, নারীসহ গ্রেপ্তার ৫৪ ◈ এলএনজি কার্গো সংকটে মহেশখালীর এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে নতুন চাপ ◈ দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান থেকে স্মার্ট গ্রিড—জ্বালানি খাতে সরকারের ১০ বছরের রূপরেখা ◈ বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল, চার থেকে পাঁচবার আবেগে ভেঙে পড়েন, চাইলেন ক্ষমা  (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশকে জ্বালানি সহযোগিতার আশ্বাস কাতারের প্রধানমন্ত্রীর ◈ বৃহস্পতিবার টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না দেশের যেসব এলাকায় ◈ হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল অডিও কল নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী(ভিডিও) ◈ রাজধানীতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি করতেন ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া!(ভিডিও) ◈ নিজের গ্যাস মাটির নিচে রেখে এলএনজি আমদানির মাফিয়াতন্ত্র: জ্বালানি খাতের অন্ধকার চিত্র(ভিডিও) ◈ তারেক রহমান ব্রিকসও এড়িয়ে যেতে পারেন

প্রকাশিত : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০৪ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

এলএনজি কার্গো সংকটে মহেশখালীর এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে নতুন চাপ

মনিরুল ইসলাম: এলএনজি কার্গোর ঘাটতির কারণে মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর থেকে টার্মিনালটির মজুত এলএনজি শেষ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। বর্তমানে বিকল্প হিসেবে সামিট গ্রুপের এলএনজি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ অব্যাহত রাখা হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুর ১২টায় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ২৮৯ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে সরবরাহ আসে ১ হাজার ৬২৮ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এলএনজি থেকে আসে ৬৬১ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে সন্ধ্যা ৬টার দিকে এলএনজি সরবরাহ কমে দাঁড়ায় ৫৬২ মিলিয়ন ঘনফুটে। একই সময়ে দেশীয় গ্যাস সরবরাহ প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও সামগ্রিকভাবে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস প্রবাহ কমে দাঁড়ায় ২ হাজার ১৮৯ মিলিয়ন ঘনফুটে।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)-এর এক কর্মকর্তা জানান, বুধবার দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে থাকা শেষ এলএনজি মজুত শেষ হয়ে যায়। এর পরপরই টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, মূলত এলএনজি কার্গোর ঘাটতির কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে টার্মিনালের বয়লার মেরামত নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হয়। প্রথমদিকে এক্সিলারেট কর্তৃপক্ষ জানায়, বয়লার সচল করতে ৭২ ঘণ্টা সময় লাগবে। পরবর্তীতে বয়লার চালু হলেও পর্যাপ্ত এলএনজি মজুত না থাকায় সরবরাহ অব্যাহত রাখা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে সামিট গ্রুপের এলএনজি টার্মিনাল চালু থাকায় সেখান থেকেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখা হচ্ছে। তবে একাধিক জ্বালানি বিশেষজ্ঞের মতে, একাধিক টার্মিনালের ওপর নির্ভরতা থাকা সত্ত্বেও এলএনজি আমদানিতে ধারাবাহিকতা না থাকলে এ ধরনের সংকট ভবিষ্যতেও দেখা দিতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং আবাসিক খাতে গ্যাস সরবরাহে চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হলে তা সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, দ্রুত নতুন এলএনজি কার্গো আমদানি এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক না হলে চলমান গ্যাস সংকট আরও তীব্র হতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়