ভারত সরকার যদি এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বন্ধ না করে এবং দলটির কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ অব্যাহত রাখে, তাহলে তা বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারী একটি দলকে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত ভারতেরই নিতে হবে। তবে বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতি ও বাস্তবতাকে ভারতের বিবেচনায় নেয়া উচিত।
তিনি বলেন, ‘ভারত কী করবে, না করবে, সেটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণের সেন্টিমেন্টকে ভারতের বুঝতে হবে।’
শামা ওবায়েদ আরও অভিযোগ করেন, অতীতে সংঘটিত গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়গুলো আড়াল করতে আওয়ামী লীগ পুরোনো সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের তত্ত্ব সামনে আনছে। আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এমন প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ভারত সরকার যদি আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সীমিত না করে, তাহলে তা দুদেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে পুনরায় মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
এ দিকে বাংলাদেশ ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচির ওপর নির্ভর করবে। তার সিডিউল অনুযায়ী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।