শিরোনাম
◈ এবার যৌথভাবে কাজ করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সালমান মুক্তাদির ◈ বন উজাড় বাড়ছে, খাদ্য ও জলবায়ু নিরাপত্তা নিয়ে এফএওর বড় সতর্কবার্তা! ◈ এবার যুক্তরাজ্যকে সরাসরি পারমাণবিক হামলার হুমকি দিলো রাশিয়া! ◈ প্রধানমন্ত্রীর ১০ বছরের মেয়াদসীমা নিয়ে যে মতামত এলো ◈ রাজস্ব আদায় কম, ব্যাংক ঋণে সরকারের নির্ভরতা বাড়ছে ◈ অভিমান করে লাপাত্তা ৩ কিশোরী অতঃপর... ◈ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সি‌লের পরবর্তী সভাপতি তামিম ইকবাল?  ◈ কারাগারে কয়েক বন্দির জন্য লাক্সারি ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়ায় ৫ কর্মকর্তা বরখাস্ত ◈ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে কী হচ্ছে ◈ ২০২৭ সালের হজে নতুন প্যাকেজ, এক চুক্তিতেই থাকা-খাওয়া-যাতায়াত

প্রকাশিত : ০৬ মে, ২০২৬, ০৭:৩৫ বিকাল
আপডেট : ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর করতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান ‘সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব’ আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক।

বুধবার (৬ মে) বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক দিয়াওউতাই স্টেট গেস্ট হাউসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন।

বৈঠকে উভয় নেতা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামোগত সংযোগ (কানেকটিভিটি) এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে পারস্পরিক সহযোগিতা গভীরতর করার বিষয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে চীনের অব্যাহত সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অন্যদিকে, চীন বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা  হুমায়ুন কবির ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে বৈঠকের আগে চায়নিজ পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্স (সিপিপিসিসি)-এর চেয়ারপারসন ওয়াং হুনিং-এর সাথে সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাতে দুই দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করে যে, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত বিনিময় এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশ ও চীন একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। বিশেষ করে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পণ্য রফতানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধার মতো বিষয়গুলো আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায়।

  • সর্বশেষ