শিরোনাম
◈ দিল্লিতে প্রবেশে বাধা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে, ফয়েজের ফেসবুক স্ট্যাটাস ◈ দেড় লাখ মানু‌ষের দেশ কুরাসাও বিশ্বকাপ খেল‌ছে, জার্মা‌নির বিরু‌দ্ধে গোলও ক‌রে‌ছে ◈ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ এবার ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের যে সুখবর দিলেন ভারপ্রাপ্ত এমডি! ◈ লন্ডন থেকে যাত্রাপথে দুবাইয়ে এআই ফেস রিকগনিশনে ধরা পড়লেন বেনজীর! শনাক্তকরণ নিয়ে চাঞ্চল্য ◈ দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে: দুদক ◈ জামায়াতের দুই নারী সদস্যকে নিয়ে মন্তব্য করায় আবারও উত্তপ্ত সংসদ (ভিডিও) ◈ নারী টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপে সুন্দর সূচনা বাংলাদেশের ◈ বিনিয়োগ আকর্ষণে দেশের পাঁচ জেলায় নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ার সিদ্ধান্ত ◈ বিশ্বকা‌পে জাপা‌নের প্রথম ম‌্যাচ নেদারল্যান্ডসের বিরু‌দ্ধে যে কো‌নো উপা‌য়ে জয় চান কোচ

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৩০ বিকাল
আপডেট : ১৩ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা, কৃষক কার্ড কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে: তারেক রহমান

মনিরুল ইসলাম: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনটি নতুনের আহ্বান নিয়ে আমাদের জীবনে ফিরে আসে এবং পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে বাংলা ১৪৩২ সালকে বিদায় জানিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে স্বাগত জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগেও কৃষক প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়।

তিনি আরও বলেন, বৈশাখি মেলা, শোভাযাত্রা এবং হালখাতার মতো আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য তুলে ধরে এবং সমাজে ঐক্যবোধ জাগ্রত করে। বাংলা নববর্ষ নতুন সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার দুয়ার খুলে দেয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনব্যবস্থার অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সরকার দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

তিনি জানান, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

এছাড়া কৃষক, কৃষি ও কৃষি অর্থনীতির গুরুত্ব বিবেচনায় বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই কৃষক কার্ড ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কৃষক ও কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, “বাংলা নববর্ষে এটিই হোক আমাদের প্রত্যয় ও প্রত্যাশা।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়