সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, চলতি মাসেই ঢাকা–কক্সবাজার রুটে আরও একজোড়া নতুন ট্রেন চালু করা হবে। পাশাপাশি দেশের অন্যতম আধুনিক কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর লক্ষ্যে এর পরিচালনার দায়িত্ব একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়া হবে।
শনিবার দুপুরে কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন ও রামু জংশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনকে শুধু একটি স্টেশন নয়, বরং আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনবান্ধব রেল হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া সারাদেশকে রেল যোগাযোগের আওতায় আনতে সরকার পরিকল্পনা নিয়েছে। এই সরকারের আমলেই পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার ঢাকা থেকে সিলেট পর্যন্ত ডুয়েলগেজ রেললাইন বাস্তবায়ন করা হবে।
এসময় প্রতিমন্ত্রী স্টেশনের বিভিন্ন অংশ ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন এবং যাত্রীসেবা, অবকাঠামো, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা ও চলমান কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং স্টেশনকে দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পর্যটননগরী কক্সবাজারে প্রতিনিয়ত যাত্রী ও পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে। সেই চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং যাত্রীসেবা আরও আধুনিক করার উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন ট্রেন চালু হলে যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে, টিকিটের চাপও অনেকটা হ্রাস পাবে। পাশাপাশি ঢাকা–কক্সবাজার রুটে ভ্রমণ আরও সহজ, আরামদায়ক ও সময়োপযোগী হবে।
তিনি আরও বলেন, কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনকে শুধু একটি রেলস্টেশন হিসেবে নয়, আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনবান্ধব রেল হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যেই স্টেশনটির পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা নিশ্চিত করতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী স্টেশনের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং যাত্রীসেবা, অবকাঠামো, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং স্টেশনটি দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে কক্সবাজার সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির মৎস্যজীবি বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান কাজল, রেল মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।