শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে, বাড়তে পারে দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক ◈ হাসনাত আবদুল্লাহর দুঃখপ্রকাশ ◈ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ গুম-খুন ও জুলাই শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে চাকরির নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজটে আটকে থাকা অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু ◈ হাসনাত আব্দুল্লাহ ক্ষমা না চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এনসিপির কর্মসূচি বন্ধের হুঁশিয়ারি ◈ এআই ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি ◈ নারায়ণগঞ্জে খেলনা বন্দুক নিয়ে ভিডিও করে আটক দুই টিকটকার ◈ দ্রুত ঋণের নামে লোন অ্যাপের ফাঁদে সর্বস্বান্ত, ৩৫০০ টাকার ঋণে গুনতে হলো ১০ হাজার ◈ নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান: মৃত ৬১৬, নিখোঁজ শতাধিক; হেলিকপ্টারে চলছে উদ্ধার অভিযান

প্রকাশিত : ১২ মার্চ, ২০২৬, ০১:০২ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে পথে বনগাঁ পৌঁছায় হাদির হত্যাকারীরা

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে বলে তদন্তকারীদের সূত্রে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে। গোয়েন্দারা ধৃতরা কোন পথে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁয় এসে পৌঁছেছিল তা জানার চেষ্টা করেছে। গোয়েন্দাদের দাবি, আটককৃতরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে সোজা গুয়াহাটিতে চলে যায়। সেখানে থাকা নিরাপদ নয় বিবেচনায় চলে এসেছিল শিলিগুড়িতে। কিছুদিন থাকার পর বাংলাদেশে ফেরার অভিপ্রায়ে কৃষ্ণনগর হয়ে আটককৃতরা বনগাঁয় এসেছিল বলে গোয়েন্দারা জানিয়েছেন। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, বারাসাত-মধ্যমগ্রাম অঞ্চলে কয়েক জনের সঙ্গে দেখা করেছিল। জানা গেছে, মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীরের বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে তাদের নিয়ে অভিযান চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, গত আড়াই মাস তারা নিয়মিত ডেরা পাল্টেছেন। কখনো পরিচিতদের আশ্রয়ে ছিল, কখনো পরিচয় গোপন করে হোটেলে ছিল। কোথায় কোথায় ধৃতরা কাদের আশ্রয়ে থেকেছে এবং কাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিল তার খোঁজ করছে গোয়েন্দারা। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের তদন্তকারী গোয়েন্দারা ধৃত দু’জনকে নিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন। ধৃতরা পশ্চিমবঙ্গে এসে কার কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল তাও জানার চেষ্টা চলছে। সীমান্ত এলাকায় কাদের মাধ্যমে আশ্রয় নিয়েছিল তাদেরও খোঁজ চলছে।

বাংলাদেশে চলে যাওয়ার জন্য সীমান্ত এলাকার কোন কোন দালালের সঙ্গে কথা হচ্ছিল তাও জানার চেষ্টা চলছে।

শনিবার মধ্যরাতে বনগাঁ-বাগদা রোড থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ভারতীয় গোয়েন্দারা ওসমান হাদির হত্যাকারীদের সম্পর্কে কিছুদিন আগেই বাংলাদেশ থেকে তথ্য পেয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। তার ভিত্তিতে তাদের ওপর নজর রাখছিল গোয়েন্দারা। শেষ পর্যন্ত শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করে রোববার বিধাননগর আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে ধৃতদের ১৪ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেন। উৎস: মানবজমিন।

 

  • সর্বশেষ