শিরোনাম
◈ ক্যান্সারের চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর ৮০ শতাংশই স্বল্পশিক্ষিত ও স্বাক্ষরজ্ঞানহীন ◈ আইসিসির এক সিদ্ধান্তে ২৪৪ কোটি টাকা ক্ষতির মুখে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড! ◈ ‘শখের’ যুদ্ধই এখন ট্রাম্পের গলার কাঁটা, কী করবে যুক্তরাষ্ট্র? ◈ আটক ইমরান খানের স‌ঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন ক‌রে‌ছে পা‌কিস্তান সরকার: সৈয়দ আশরাফুল হক ◈ ‘সুপার সাইজড’ এল নিনো আসছে, বাড়ছে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি : সতর্কতা জাতিসংঘের ◈ গণমাধ্যমে ‘১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ’ শিরোনামে সংবাদ, যা জানাল পুলিশ ◈ নতুন যে পরিবর্তন এলো জমির নামজারিতে, আরো যা জানা জরুরী ◈ ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়া কোনও স্লোগান নয়, পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা ◈ দুর্যোগকবলিত নেপালকে ১২ কোটি ৩০ লাখ টাকা দিল বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৯ রাত
আপডেট : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাচাকে বাবা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেওয়া সেই ইউএনও বরখাস্ত

মুক্তিযোদ্ধা কোটার অপব্যবহার করে চাচাকে বাবা সাজিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় জেলে পাঠানো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব (ওএসডি) মো. কামাল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার।

আজ রোববার তাঁকে বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের ইউএনও থাকার সময় তাঁর বিরুদ্ধে এই মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কামাল হোসেন গত ২৮ জানুয়ারি ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ স্পেশাল জজকোর্টে হাজির হয়ে দুদকের মামলায় জামিন প্রার্থনা করলে আদালত শুনানি শেষে তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। এ জন্য সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী তাঁকে ২৮ জানুয়ারি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্তকালে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় ইউএনও হিসেবে কর্মরত থাকার সময় ২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এর উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু মামলার বাদী হয়ে মামলা করেন।

এজাহারে উল্লেখ বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধা নিতে কামাল হোসেন তাঁর প্রকৃত বাবা মো. আবুল কাশেম ও মা মোছা. হাবিয়া খাতুনের পরিবর্তে নিজের চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব ও চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে মা-বাবা হিসেবে দেখান। এই ভুয়া পরিচয়ের মাধ্যমে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং পরে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে চাকরি লাভ করেন।

 

  • সর্বশেষ