শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপের অনুশীলনে ঘাসের মধ্যে বিষধর কপারহেড সাপ, আতঙ্কে জার্মান ফুটবল দল ◈ বড় বিনিয়োগে বদলাচ্ছে পতেঙ্গা টার্মিনাল, আসছে ৩০ মিলিয়ন ডলারের চার এসটিএস ক্রেন ◈ অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে নকআউটে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র ◈ অবৈধ প্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, নতুন আইনে কড়াকড়ি ইউরোপের ◈ পাকিস্তানের ভেতরে আফগানিস্তানের বিমান হামলা, নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা সীমান্তে! ◈ পুলিশের ইউনিফর্মে ফের পরিবর্তন, গাঢ় নীল-জলপাই রঙে ফিরছে পুরোনো পোশাক ◈ বাংলাদেশের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগে উদ্বিগ্ন ভারত, বাড়ছে চীনা কৌশলগত প্রভাবের শঙ্কা ◈ ব্রহ্মপুত্রে চীনের বিশাল বাঁধ প্রকল্প, নিরাপত্তা ও পানিপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কায় ভারত! ◈ বাংলাদেশে হি'ন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ করবো : চৈতালী চক্রবর্তী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে জমি অধিগ্রহণে গিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে শুভেন্দু সরকার

প্রকাশিত : ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৫:৩৬ বিকাল
আপডেট : ১৮ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেখ হাসিনাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করল পিবিআই

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অভিযুক্তদের অব্যাহতির কারণ ব্যাখ্যা করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি জানিয়েছে, মামলাটির তদন্তে অভিযোগের পক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি; বরং মামলার ভিকটিম ও তথ্যের সত্যতা নিয়েই গুরুতর অসংগতি পাওয়া গেছে।

আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে পিবিআই সদর দপ্তর গণমাধ্যমে এই ব্যাখ্যাটি পাঠায়। এতে পিবিআই জানায়, তারা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংশ্লিষ্ট সব মামলা আন্তরিকতার সঙ্গে তদন্ত করছে। ইতিমধ্যে আন্দোলনকে ঘিরে দায়ের হওয়া ১৭টি জিআর মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা হয়েছে। পাশাপাশি ৬৭টি সিআর মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি ধানমন্ডি থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় (মামলা নম্বর–০১, তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪) ফাইনাল রিপোর্ট (চূড়ান্ত প্রতিবেদন) আদালতে দাখিল করাকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। ওই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে আসামি করা হয়েছিল।

পিবিআইয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে শরিফ (৩৭) নামের এক ব্যক্তি ধানমন্ডি থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ভিকটিম হিসেবে উল্লেখ করা হয় সাহেদ আলী (২৭) নামে এক যুবককে, যাকে বাদীর ছোট ভাই বলা হয়। এ ছাড়া আহত হিসেবে আরও নয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়, তবে তাঁদের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা বা পরিচয় দেওয়া হয়নি। ঘটনার স্থান হিসেবে ধানমন্ডি–২৭ এলাকার মিনা বাজারের আশপাশ এবং ঘটনার সময় ৪ আগস্ট ২০২৪ সকাল ১১টা উল্লেখ করা হয়।

তদন্তে নেমে পিবিআই জানতে পারে, এজাহারে উল্লেখিত ঠিকানা অনুযায়ী সাহেদ আলী নামে কেউ কখনো সেখানে বসবাস করেননি। বাদীর ঠিকানাতেও তাঁর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তদন্তে আরও উঠে আসে, সাহেদ আলী বাদীর ভাই নন। তাঁর নামে এজাহারে উল্লেখ করা জাতীয় পরিচয়পত্রটি ভুয়া এবং সেটির সঙ্গে কোনো মোবাইল নম্বর নিবন্ধিত নেই।

এজাহারে ভিকটিমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সীমান্ত স্কয়ারের নাম উল্লেখ করা হলেও মার্কেট কমিটির সঙ্গে লিখিত ও সরাসরি যোগাযোগ করেও ওই নামে কোনো ব্যক্তির তথ্য পাওয়া যায়নি। আহত হিসেবে উল্লেখ করা অন্যদের বিষয়ে যাচাই করতে ঢাকা কলেজ ও ঢাকা সিটি কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ও সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকায় তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

এসব তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হওয়ায় মামলাটিতে ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

উল্লেখ্য, ধানমন্ডি থানায় করা ওই হত্যাচেষ্টা মামলা থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ১১৩ জনের অব্যাহতির সুপারিশের বিষয়টি গতকাল সোমবার নিশ্চিত করেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ধানমন্ডি থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই আবুল বাশার। তিনি জানান, সম্প্রতি আদালতে ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে পিবিআই। এ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎস: আজকের পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়