শিরোনাম
◈ জিয়া‌ন্নি ইনফান্তিনো কি ফিফার আগামী নির্বাচ‌নে টিকে থাকতে পারবেন? ◈ যারা যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষায় ঢাল হিসাবে ব্যবহৃত হবে তারা যুদ্ধের আগুনে পুড়ে যাবে: ইরানের হুঁশিয়ারি ◈ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার শর্তে হামলা বাতিলের ঘোষণা ট্রাম্পের ◈ বিশ্বকাপের স্বত্ব বিক্রি নিয়ে ইনফা‌ন্তি‌নোর স‌ঙ্গে আমার কো‌নো কথা হয়‌নি, বল‌লেন ট্রাম্প ◈ ইন্টারনেটে অন্যতম ধীরগতির দেশ বাংলাদেশ, মোবাইলে ৯১ ও ব্রডব্যান্ডে ৯৩তম: বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন ◈ ২৪ বছর পর আবার বিশ্বকাপ ক্রিকে‌টের আয়জনে আফ্রিকা, ১২ ভেন্যু ঘোষণা ◈ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৫ দেশে কমেছে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ◈ ঢাকায় একের পর এক বোমা উদ্ধার, নেপথ্যে কারা? ◈ হবিগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ১৩ জনের কাছে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হত্যার হুমকি ◈ রাশিয়ায় প্রবাসী ও শিক্ষার্থীদের জরুরি সতর্কবার্তা বাংলাদেশ দূতাবাসের

প্রকাশিত : ০২ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৪ রাত
আপডেট : ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভাষাসৈনিক আহমদ রফিক আর নেই

ভাষাসৈনিক, কবি, প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাত ১০টা ১২ মিনিটে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আহমদ রফিকের বিশেষ সহকারী মো. রাসেল গণমাধ্যমকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে তার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়।

এর আগে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বুধবার বিকালে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। বারডেম হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডা. কানিজ ফাতেমার তত্ত্বাবধানে চলছিল চিকিৎসা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন এবং সম্প্রতি একাধিকবার মাইল্ড স্ট্রোকে আক্রান্ত হন।

এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর তাকে পান্থপথের হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা না থাকায় গত রবিবার তাকে বারডেমে স্থানান্তর করা হয়।

১৯২৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্ম নেওয়া আহমদ রফিক দীর্ঘ জীবন কাটিয়েছেন লেখালেখি, গবেষণা ও সংস্কৃতিচর্চায়। একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত এই রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ শতাধিক গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনা করেছেন। পেয়েছেন একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা। দুই বাংলায় রবীন্দ্রচর্চায় তার অবদান অনন্য; কলকাতার টেগর রিসার্চ ইনস্টিটিউট তাকে ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধি দেয়। ২০০৬ সালে স্ত্রীকে হারানোর পর থেকে তিনি নিঃসন্তান অবস্থায় একাই জীবন কাটাচ্ছিলেন। নিউ ইস্কাটনের একটি ভাড়া বাসায় একাই থাকতেন তিনি। ব্যক্তিগত সংগ্রহে বিপুলসংখ্যক বই থাকলেও তার আর কোনও উল্লেখযোগ্য সম্পদ নেই।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়