শিরোনাম
◈ ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন হয়নি, রোহিঙ্গা সংকটে নতুন কৌশলের আহ্বান ◈ কোচিং সেন্টারে জড়াতে পারবেন না জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র জারি ◈ প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ◈ সম্পাদকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, যা নিয়ে আলোচনা হলো ◈ ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব ◈ এশিয়ার যে দেশ সন্তান জন্ম দিলেই ৬৭ লাখ টাকা দেবে! ◈ প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রীরা অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যারা থাকবেন ◈ এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিত : ০৮ মে, ২০২৬, ১১:৪৩ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার যুক্তরাষ্ট্রে, সাজা ১৫ বছর

বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জে পাঁচ বছর আগে একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বিচার হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত ও হত্যার শিকার দুজনই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। ২০২১ সালে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে হত্যার ঘটনা ঘটে।

মার্কিন বিচার বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ওই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর বর্ণনা অনুযায়ী, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম গ্যানেট রোজারিও। আর ভুক্তভোগীর নাম মাইকেল রোজারিও। নিজের দোষ স্বীকারের পর আদালত গ্যানেটকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

আদালতের নথির বরাত দিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্যানেট নিউইয়র্কের ব্রঙ্কস এলাকার বাসিন্দা। ২০২১ সালের জুন মাসে মুন্সিগঞ্জে তিনি শটগান দিয়ে গুলি করে নিজের চাচা মাইকেলকে হত্যা করেন। মূলত সম্পত্তি নিয়ে দুজনের মধ্যে কয়েক বছর ধরে বিরোধ ছিল। ঘটনার আগে তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ওই বছরের ১১ জুন গ্যানেট ধূমপান করতে ঘরের বাইরে যান। পাশেই তাঁর চাচার শোবার ঘর ছিল। বাইরে থেকে গ্যানেট শুনতে পান ঘরের ভেতরে তাঁকে নিয়ে মাইকেল আপত্তিকর মন্তব্য করছেন। এতে রেগে গিয়ে গ্যানেট নিজের ঘর থেকে একটি শটগান নিয়ে চাচার ঘরের জানালা দিয়ে গুলি ছোড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই মাইকেল মারা যান। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে গ্যানেট যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান। পরের বছরের এপ্রিল মাসে তিনি নিজের চাচাকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত হন।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশেও গ্যানেটের বিরুদ্ধে হওয়া একটি মামলার রায় হয়েছে। গত বছরের ১০ মার্চ রায় দেন মুন্সিগঞ্জ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক। এ নিয়ে একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গ্যানেটের বাড়ি জেলার সিরাজদিখান উপজেলায়। রায়ে গ্যানেটের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার পরদিনই হত্যা ও অস্ত্র সংক্রান্ত মামলা হয় গ্যানেটের বিরুদ্ধে।

মার্কিন বিচার বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এফবিআই-এর লস অ্যাঞ্জেলেস এবং নিউইয়র্ক ফিল্ড অফিস যুক্তরাষ্ট্রে হওয়া মামলাটি তদন্ত করেছে। সহযোগিতা করেছে বাংলাদেশে নিযুক্ত এফবিআই-এর লিগ্যাল অ্যাটাশে এবং বিচার বিভাগের অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেন মার্কিন বিচার বিভাগের ক্রিমিনাল ডিভিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল এ টাইসেন ডুভা এবং নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের ইউএস অ্যাটর্নি জে ক্লেটন।

 

  • সর্বশেষ