শিরোনাম
◈ সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবার ‘মাস্টারমাইন্ড’ তকমা নিয়ে যা বললেন ◈ মাসে কত টাকা পাবেন জুলাইযোদ্ধার, জানালেন মন্ত্রী ◈ বিদেশি ঋণ নয়, নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগোচ্ছে সরকার ◈ ‘সিক্সটিন হানড্রেড মাইল অফ কাঁচা রাস্তা বলার যে ব্যাখ্যা দিলেন আলোচিত সেই এমপি জেবা আমিন (ভিডিও) ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধটি আসলে কেন হয়েছিল? ◈ বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানের হাঙর সাব‌মে‌রিন, বাংলাদেশকে নি‌য়েও জল্পনা তু‌ঙ্গে, ভারতের জন্য কতটা চিন্তার? ◈ যুক্তরা‌স্ট্রের স‌ঙ্গে আলোচনার মানে এটা নয় যে, শত্রুর মতামত মেনে নেয়া হবে: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ◈ ‌বিশ্বকা‌পে হাইতির বিরু‌দ্ধে নতুন  কৌশল নিয়ে নামবেন ব্রা‌জি‌লের কোচ কা‌র্লো আনচেলত্তি ◈ হরমুজ খুলতেই এশিয়ার বাজারে আসছে ৬ কোটি ব্যারেল তেল ◈ শ‌নিবার নারী টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকা‌পে পাকিস্তানের মু‌খোমু‌খি বাংলা‌দেশ 

প্রকাশিত : ১১ মার্চ, ২০২৬, ০৯:৩০ সকাল
আপডেট : ১৮ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বৈধ ভিসার ফাঁদে ফেঁসে গ্রিসে বাংলাদেশিরা অবৈধ হওয়ার পথে

বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় গ্রিসে গিয়েও নির্ধারিত কাজ না পেয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন শতাধিক বাংলাদেশি। প্রতিশ্রুত নিয়োগকর্তা না থাকায় এবং ভিসার নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ায় অনেকেই ইতোমধ্যে অবৈধ হয়ে পড়ছেন। অসাধু মালিক ও দালালদের প্রতারণায় বিপাকে পড়ে দূতাবাসের দ্বারস্থ হয়েছেন এসব বাংলাদেশি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বাংলাদেশের দালালরা গ্রিসে নির্দিষ্ট কোম্পানিতে ভালো বেতনে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ভিসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু গ্রিসে পৌঁছানোর পর দেখা যায়, প্রতিশ্রুত নিয়োগকর্তার কোনো অস্তিত্ব নেই। জানা গেছে, দালালরা গ্রিসের বিভিন্ন গ্রামের কৃষিজমির মালিকদের কাছ থেকে ৫০০ থেকে ১০০০ ইউরোর বিনিময়ে শুধু কাগুজে ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করেন। পরে ওই পারমিট ব্যবহার করে দিল্লি গ্রিসের দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করা হয়। কিন্তু ভিসা অনুমোদনের পর গ্রিসে পৌঁছালে চাকরির কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পান না প্রবাসীরা। ফলে নির্ধারিত সময়ের পর অনেকেই হয়ে যান অবৈধ। চুক্তিভিত্তিক এই ভিসায় এক বছর পরপর নবায়ন করে পাঁচ বছর পর্যন্ত থাকা যায়, যদি একই নিয়োগকর্তা থাকে। অন্যদিকে দিল্লিতেও রয়েছে সক্রিয় দালাল সিন্ডিকেট, তাদের সঙ্গে ঠিকমতো চুক্তি না করলে ভিসা হয় না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের একজন নারায়ণগঞ্জের আসিফ মিয়া বলেন, দালালের মাধ্যমে প্রায় ১৩ লাখ টাকা দিয়ে গ্রিসে আসি। বলা হয়েছিল একটি কৃষি খামারে কাজ পাব। কিন্তু এখানে এসে দেখি ওই মালিকের কোনো খোঁজই নেই। এখন কাজও নেই, কাগজও নেই।

প্রতারণার শিকার ইব্রাহিম হোসেন জানান, বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় বলা হয়েছিল মাসে অন্তত ১২০০ ইউরো বেতন পাব। কিন্তু এখানে এসে দেখি যে কোম্পানির নামে ভিসা হয়েছে, সেই কোম্পানির কোনো অফিসই নেই।

নাসিম হোসেন বলেন, গ্রিসে এসেছি ১১ মাস হয়ে গেছে, দালালদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ফোন ধরছে না। যে মালিকের ভিসায় এসেছি ওই মালিক আমাদের পারমিট নবায়ন না করলে ভিসা বাতিল, এক মাস পর অবৈধ হয়ে যাব। এখন কী করব বুঝতে পারছি না।

এ বিষয়ে এথেন্সে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মার্জিয়া সুলতানা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় গ্রিসে এসে যারা প্রতিশ্রুত নিয়োগকর্তাকে পাচ্ছেন না, ইতোমধ্যে তারা কয়েকজন দূতাবাসে যোগাযোগ করেছেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে রাষ্ট্রদূত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়