শিরোনাম
◈ একদিনের ব্যবধানে আবারও কমল স্বর্ণের দাম ◈ পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা পাওয়ার হিটিং শিখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে   ◈ শেখ হাসিনার পতনের পর প্রথমবার ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে ২০টি ট্রেনের কোচ ◈ ভেনেজুয়েলার পর ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান ◈ ভেনেজুয়েলায় ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুই শক্তিশালী ভূমিকম্প, ১ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা! ◈ হাইতির বিপক্ষে নাটকীয় জয়ে নকআউটে মরক্কো ◈ ঢাকার কাছে ভূমিকম্পের উৎস, বড় ঝুঁকির আশঙ্কা কতটুকু? ◈ পর্যটক ও বাসিন্দাদের জন্য ‘সিভিলিটি গাইডবুক’ আনছে দুবাই ◈ লাল কার্ডের পর এবার ৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ কাতারের মিডফিল্ডার ◈ এবার মাজারের অর্থ নিয়ে ডিসি সারওয়ারের কল রেকর্ড ভাইরাল

প্রকাশিত : ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ০৯:৩৯ সকাল
আপডেট : ১৭ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণকারী ৮২ প্রবাসীর মধ্যে ১৯ জন বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ার কেলানতান রাজ্যে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৮২ জন প্রবাসী স্বেচ্ছায় অভিবাসন দপ্তরে আত্মসমর্পণ করেছেন। তাদের মধ্যে ১৯ জনই বাংলাদেশি।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজ্য অভিবাসন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ খান জানিয়েছেন, এসব ব্যক্তি ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ১৫(১)(সি) অনুযায়ী আত্মসমর্পণ করেছেন, যা মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা সংক্রান্ত অপরাধ।

তিনি বলেন, তারা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন কারণ তারা দেশে ফিরে যেতে চেয়েছেন এবং বুঝতে পেরেছেন যে তারা অভিবাসন আইন ভঙ্গ করেছেন।

অভিবাসন দপ্তরের তথ্যানুসারে, আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক ২৯ জন, বাংলাদেশি ১৯ জন এবং থাই নাগরিক ১৭ জন। এই তিনটি দেশ শীর্ষে রয়েছে। বাকিরা এসেছেন ভারত, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, চীন, ফিলিপাইন, সুদান, নাইজেরিয়া, লাওস ও ইরাক থেকে।

এছাড়া রাজ্যের প্রবেশপথে আরও তিনজন, দুইজন কম্বোডিয়ান ও একজন থাই নাগরিক ধারা ১৫(১)(সি) এবং ধারা ৫৫ই লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক হয়েছেন। এসব ধারা অনুযায়ী অপরাধ হলো মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থান এবং অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়া।

মোহাম্মদ ইউসুফ আরও জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত অভিবাসন বিভাগ এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে মোট ৪৯৩ জন অননুমোদিত বিদেশি আটক হয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের নাগরিকদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

তিনি জানান, স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ দ্রুত তাদের মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে এবং নিরাপদে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ হয়।

অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে সকল বিদেশিদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যারা এখনো মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় রয়েছেন বা অভিবাসন আইন ভঙ্গ করেছেন, তারা যেন আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার আগেই স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসেন। সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়