শিরোনাম
◈ কোটি টাকার করের ফাঁদে আবাসন খাতের গ্রাহক! ◈ ৭০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম: মাজারের ডেগ খুলে প্রকাশ্যে টাকা গণনা, দানবাক্স খুলে মিলল ১৭ লাখ টাকার বেশি ◈ আবারও ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ! ◈ ব্যাংক অনিয়মে কঠোর শাস্তির বার্তা গভর্নরের ◈ চাকরির প্রলোভনে ঠেলা হচ্ছে বিদেশের অজানা বন্দিদশায় ◈ ১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল, বর্ধিত বেতন কবে হাতে পাবেন চাকরিজীবীরা ◈ জাহাজ পুনর্ব্যবহার শিল্পে বিশ্বমঞ্চে শীর্ষে বাংলাদেশ, বছরে আয় ২.১ বিলিয়ন ডলার ◈ স্বামী-স্ত্রীর ডিভোর্স হতে পারে, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে নয়: সংসদে জিএম সিরাজ ◈ বাংলাদেশের ভেতরে স্থলমাইন পুঁতছে কারা? সীমান্তবাসীর আতঙ্ক বাড়ছে ◈ মমতাকে সরিয়ে তৃণমূলের নতুন চেয়ারম্যান অরূপ রায়

প্রকাশিত : ২২ জুন, ২০২৬, ০৯:৪০ রাত
আপডেট : ২২ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অপপ্রচার, কুৎসা ও বিভ্রান্তি মোকাবেলায় ‘বাংলাফ্যাক্ট’ কার্যক্রম তৎপর রয়েছে: মন্ত্রী

মনিরুল ইসলাম : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, অপপ্রচার, কুৎসা এবং বিভ্রান্তিমূলক তথ্য মোকাবেলায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) পরিচালিত ‘বাংলাফ্যাক্ট’ কার্যক্রম সক্রিয় ও তৎপর রয়েছে।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে জামালপুর-৩ সরকারি দলের সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত বাংলাফ্যাক্ট মোট ৭৮৩টি ফ্যাক্টচেক, বিশ্লেষণধর্মী ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, পাশাপাশি ভিডিও ও বুলেটিন প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ২২৯টি ফ্যাক্টচেক ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

জহির উদ্দিন স্বপন জানান, গণমাধ্যমকর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অক্টোবর ২০২৪ থেকে জুন ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে পিআইবি দেশের ৬৪ জেলায় মোট ১২৩টি প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করেছে, যেখানে ৫ হাজার ৯৭৭ জন সাংবাদিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ১০টি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ৩৬৫ জন সাংবাদিককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এসব প্রশিক্ষণের প্রতিটিতে অন্তত একদিন করে অংশগ্রহণকারীদের গুজব ও অপতথ্য মোকাবিলার কৌশল, ফ্যাক্টচেকিং পদ্ধতি এবং সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর ব্যবহার বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আরও জানান, সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের আদলে পরিচালিত হলেও প্রকৃতপক্ষে প্রোপাগান্ডা ও অপতথ্য প্রচারে জড়িত ১৬টি ওয়েবসাইট ইতোমধ্যে ‘বাংলাফ্যাক্ট’ চিহ্নিত করেছে। একইসঙ্গে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচারকারী ৩০০টিরও বেশি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ১০০টি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাফ্যাক্ট প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৫টি দাবির সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন, রিল এবং ভিডিও প্রকাশ করছে। এছাড়া গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত কাজে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘ফ্যাক্টচেক ম্যানুয়াল’ শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

মন্ত্রী জানান, গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলো কীভাবে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন এবং তাদের চরিত্রহননের কাজে নিয়োজিত হয়, সে বিষয়ে গবেষণাধর্মী একটি গ্রন্থও প্রকাশ করা হয়েছে। পিআইবি থেকে সম্প্রতি প্রকাশিত ‘শিকারী সাংবাদিকতা’ শীর্ষক ওই গবেষণা গ্রন্থে বিষয়টি বিশদভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়