শিরোনাম
◈ ১০ দলীয় জোটে ভাঙন: ইসলামী আন্দোলন সরে দাঁড়ানোয় ৪৭ আসনে সমঝোতার নতুন হিসাব ◈ শফিকুর রহমানের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকের বৈঠক নিয়ে মুখ খুলল ভারত ◈ বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার অস্তিত্বকে ধারণ করতে হবে: আসিফ নজরুল ◈ নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলার তৎপরতা পর্যাপ্ত নয়: আসিফ মাহমুদ ◈ শরিয়াহ আইনের দিকে যাবে না জামায়াত, অবস্থান বদল নাকি ভোটের কৌশল? ◈ রাষ্ট্রের কাছে যা চাইলেন শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী ◈ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে ইরান ও ইসরাইলের নেতাদের ফোন করলেন পুতিন ◈ ঋণ কেলেঙ্কারি: ক্ষতির বোঝা সাধারণ আমানতকারীর ঘাড়ে ◈ ছাত্রদল কর্মীকে হত্যার ঘটনায় দম্পতি গ্রেপ্তার ◈ ২০২৫ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অ্যাথলেট পর্তুগিজ তারকা রোনাল‌দো

প্রকাশিত : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০১:০৪ দুপুর
আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০১:০৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চোখ উঠার লক্ষণ ও প্রতিকার

চোখ উঠা

হ্যাপী আক্তার: চোখ ওঠা একটি ভাইরাসজনিত রোগ। ‘কনজাংকটিভাইটিস’ বা চোখ ওঠা এখন ঘরে ঘরে দেখা দিচ্ছে। ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ানো এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে সব বয়সের মানুষ। সাধারণত বড় বা দীর্ঘস্থায়ী কোনো সমস্যা না হলেও লক্ষণগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখলে রোগীর কষ্ট লাঘব হতে পারে। এ রোগ হলে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কতার অবলম্বন করার পরামর্শ দিচ্ছেন চক্ষু বিশেষজ্ঞরা। যমুনা ও নিউজ বাংলা

গরমে আর বর্ষায় চোখ ওঠার প্রকোপ বাড়ে, চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটিকে কনজাংটিভাইটিস বা কনজাংটিভার বলা হয়। তবে এ সমস্যাটি চোখ ওঠা নামেই বেশি পরিচিত। রোগটি ছোঁয়াচে ফলে দ্রুত অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে বলছেন চিকিৎসকরা।

চোখের একেবারে বাইরের স্বচ্ছ অংশটির ডাক্তারি নাম ‘কনজাংকটিভা’। ভাইরাসের সংক্রমণে সেখানে তৈরি হয় প্রদাহ, ফুলে যায় চোখের ছোট ছোট রক্তনালি। ফুলে থাকা রক্তনালিগুলোর কারণেই চোখের রং লালচে হয়ে যায়, যেটাকে চোখ ওঠা বা ‘কনজাংকটিভাইটিস’ বলা হয়।

সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যেই এই রোগ সেরে যায়। তবে জটিল রূপ ধারণ করলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। আক্রান্তদের উল্লেখযোগ্য অংশই শিশু। তাই তাদের যত্ন নিতে হবে।

চোখ ওঠা বা ‘কনজাংকটিভাইটিস’ রোগ এর লক্ষণ: চোখ লাল হয়ে থাকা, জ্বলা, চুলকানি, চোখ থেকে পানি পড়া। আলোতে চোখ বন্ধ হয়ে আসা। চোখে বারবার সাদা ময়লা আসা। কিছু ক্ষেত্রে চোখে ব্যথা থাকতে পারে।

করণীয়: চোখ ওঠা ছোঁয়াচে রোগ। বাতাসের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে, তবে সবচেয়ে বেশি ছড়ায় বারবার হাত চোখে দিলে। হাত ধুতে হবে সাবান দিয়ে।

চোখের পানি সাবধানে টিস্যু দিয়ে মুছে নিতে হবে। ব্যবহার করা সেই টিস্যু সাবধানে ফেলতে হবে। যাতে করে রোগ না ছড়ায়।

চোখ ঘষা বা চুলকানো থেকে বিরত থাকতে হবে।

চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক আই ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে। বাইরে গেলে রোদচশমা ব্যবহার করতে হবে।

নিজের প্রসাধনসামগ্রী অন্যদের ব্যবহার করতে দেয়া যাবে না। এক চোখে সমস্যা দেখা দিলে অন্য চোখকে সংক্রমণ থেকে নিরাপদে রাখতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়