শিরোনাম
◈ বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে থমকে যাচ্ছে ঢাকার অগ্রগতি ◈ পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা‌কে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ ১৮ অ‌ক্টোবর শুরু  ◈ দখলমুক্ত ফুটপাত, কমছে যানজট : নতুন রূপে ফিরছে রাজধানী ◈ মহাসড়কে ডাকাতের দৌরাত্ম্য, রাত নামলেই আতঙ্ক ◈ যুক্তরাষ্ট্রের ‘মাদার অব অল বোম্বস’ ইরানে ফেলার পরিকল্পনা, কতটা ভয়ংকর এই বোমা? ◈ একদিনে যে তিন বিভাগ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ পায়রা বন্দরের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগের পথ সুগম, আন্ধারমানিক সেতুর ডেক নির্মাণ সম্পন্ন ◈ সাগরে ভাসছে হাজার হাজার আইফোন ১৮! জেলেদের হাতে কোটি টাকার ‘ধন’ (ভিডিও) ◈ যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ তারেক রহমানের, থাকছে বিশেষ প্রটোকল ◈ সাফে জাতীয় দলের জার্সিতে রোনান সু‌লিভান, সরাসরি অভিষেকের অপেক্ষা

প্রকাশিত : ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৫ দুপুর
আপডেট : ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিশুর মোবাইল আসক্তি কমাতে মা-বাবা যা করবেন

বর্তমানে মা-বাবার অন্যতম বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিশুদের মোবাইল ফোনে আসক্তি। স্মার্টফোনে গেম খেলা কিংবা ভিডিও কনটেন্ট দেখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটাচ্ছে অনেক শিশু। একবার ফোন হাতে পেলে তারা সহজে সেটি থেকে মনোযোগ সরাতে পারে না। 

এতে বাইরের জগতের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ কমছে, কমে যাচ্ছে শারীরিক কার্যকলাপও। ফলে ছোটবেলা থেকেই অলস জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে শিশুরা। এ পরিস্থিতি থেকে শিশুদের দূরে রাখতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভ্যাসে লাগাম টানা জরুরি। তবে হঠাৎ করে ফোন ব্যবহার বন্ধ না করে কিছু কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাদের এ অভ্যাস থেকে বের করে আনা সম্ভব। চলুন, জেনে নেওয়া যাক শিশুকে মোবাইল ফোন থেকে দূরে রাখতে কী কী করতে পারেন।

১. নিজেকেও ফোন থেকে দূরে রাখুন

আপনার স্মার্টফোনগুলোকে দূরে রাখুন, বিশেষ করে যখন পরিবারে কোয়ালিটি টাইম কাটাবেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটানো কমিয়ে আনুন। সেইসঙ্গে শিশুর সামনে ফোন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। কারণ আপনাকে দেখেই শিশু শিখবে। তাই তাকে ফোন থেকে দূরে রাখতে চাইলে আগে নিজের অভ্যাস তৈরি করুন।

Advertisement

২. নির্দিষ্ট সময়ে নো ডিভাইস নিয়ম অনুসরণ করুন

শিশুরা নির্দিষ্ট সময়ে যেমন খাবার সময় এবং ঘুমানোর আগে ডিভাইস ব্যবহার যেন না করে সেদিকে খেয়াল রাখুন। শিশুদের ঘুমের সময় নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ। তাদের বিছানার পাশে যেন ডিভাইস না থাকে সেদিকেও খেয়াল রাখুন। এছাড়া তাদের প্রতিদিন ভালো ঘুমের জন্য অন্তত ৮-৯ ঘণ্টা ঘুমানোর ব্যবস্থা করুন। এতে তাদের মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

৩. শিশুকে সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত রাখুন

নাচ, সাঁতার, জিমন্যাস্টিকস, সঙ্গীত বা শিশুর পছন্দের কিছু শেখানোর ব্যবস্থা করতে পারেন। নিজেই করা যায় এমন কাজ শিশুকে করতে শেখাতে পারেন। তাদের কোনো সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত রাখুন। এটি তাদের অবসর সময়গুলোতে ব্যস্ত এবং উৎপাদনশীল রাখবে। যা তার মেধা বিকাশেও কাজ করবে। 

৪. রাতের খাবারের আগে বা পরে পারিবারিক আড্ডা

পুরো পরিবারের একসঙ্গে অন্তত রাতের বেলা সময় কাটানোর ব্যবস্থা করুন। হতে পারে তা মজার কোনো খেলা, মজার গল্প বলা বা নিছকই আড্ডা দেওয়া। সবাইকে নিয়ে সময় কাটান। শিশুদের সৃজনশীল কিছু করার জন্য বলতে পারেন। তারা আবৃত্তি শোনাতে পারে কিংবা গান গেয়ে শোনাতে পারে। বড়রাও তাদের সঙ্গে অংশ নিতে পারেন। পরিবারের সবার সঙ্গে আনন্দময় স্মৃতি তৈরি করার বিকল্প নেই। এটি শিশুকে একজন হাসিখুশি আর ইতিবাচক মানুষ হিসেবে তৈরি করবে।

৫. বই পড়তে দিন

শিশুদের বই পড়া উপভোগ করতে উৎসাহিত করুন। পুরো পরিবারের জন্য প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে পড়ার জন্য সময় আলাদা করুন। পড়া শেষ হলে শিশুরা তাদের বাবা-মা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তারা যে বইগুলো পড়েছে তা নিয়ে আলোচনা করতে পারে।

৬. বাইরে খেলা

শিশুকে স্মার্টফোন থেকে দূরে রাখার একটি দুর্দান্ত উপায় হলো বাইরে গিয়ে রোদ এবং প্রকৃতি উপভোগ করা। যখনই সম্ভব, আপনার শিশুদের সঙ্গে পার্কে বেড়াতে যান। সম্ভব হলে ক্রিকেট, ফুটবল বা ব্যাডমিন্টন খেলা উপভোগ করুন। এই ক্রিয়াকলাপগুলো শিশুদের শুধু প্রতিযোগিতামূলকই করে তুলবে না, তারা যথেষ্ট সময়ের জন্য শারীরিকভাবে সক্রিয়ও থাকতে পারবে।

  • সর্বশেষ