শিরোনাম
◈ পাবনায় ইস্কন মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুরের সময় হাতেনাতে আটক সনাতনী শিক্ষার্থী প্রান্থ কুমার দাস! ◈ নারী থেকে পুরুষ হওয়ার স্বপ্নে ‘বান্ধবীকে বিয়ের আশায়’ স্তন অপসারণ, তরুণীর মৃত্যু ◈ সিটিজেনশিপ টেস্টে ফেল করার ৪টি কারণ জানাল মার্কিন সরকার ◈ যুক্তরাষ্ট্রে সোশ্যাল সিকিউরিটি আপডেট, সর্বোচ্চ ৫,১৮১ ডলারের পেমেন্ট আসছে এই সপ্তাহে! ◈ দালালের ফাঁদ এড়িয়ে বৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ১০ হাজার বাংলাদেশি ◈ সুখবর পেলেন ৬১৮ বিসিএস ক্যাডার, দেখুন তালিকা ◈ নবম পে-স্কেলে সব গ্রেডের প্রথমবারের মতো সরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন মোবাইল ভাতা, কোন গ্রেডে কত ◈ গ্যাস সংকট তীব্র, ২৬ অফশোর ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে বাংলাদেশের নতুন আশা ◈ আকুর ১৩৯ কোটি ডলারের বিল পরিশোধ, রিজার্ভ আবার ৩৬ বিলিয়ন ডলারে ◈ কনটেইনারে কোনো পণ্য নেই, কাগজপত্রে দেখানো সাড়ে ৫ কোটি টাকার রপ্তানি

প্রকাশিত : ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৫:২৬ বিকাল
আপডেট : ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শীতে হাত-পা কালো হয় কেন, স্বাভাবিক নাকি সতর্ক সংকেত?

শীত এলেই অনেকের হাত ও পায়ের ত্বক আগের তুলনায় গাঢ়, মলিন বা কালচে হয়ে যেতে দেখা যায়। অনেকেই একে শুধু শুষ্কতা ভাবলেও বাস্তবে এটির পেছনে ত্বকের ভেতরে ঘটে যাওয়া একাধিক পরিবর্তন কাজ করে।

ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীর নিজের তাপমাত্রা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর দিকে রক্তপ্রবাহ বেশি রাখে। এতে হাত ও পায়ের মতো দূরবর্তী অংশে রক্ত চলাচল কমে যায়। দীর্ঘ সময় এই অবস্থা চললে ত্বকে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছায় না, ফলে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা কমে গিয়ে ত্বক গাঢ় দেখাতে শুরু করে।

শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় ত্বক দ্রুত আর্দ্রতা হারায়। যখন ত্বক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি শুষ্ক হয়ে পড়ে, তখন মৃত কোষ সহজে ঝরে যেতে পারে না। এই মৃত কোষের স্তর হাত ও পায়ের ওপর জমে গিয়ে ত্বককে কালচে ও রুক্ষ করে তোলে।

অনেক ক্ষেত্রে হাত ও পায়ের যত্ন একেবারেই অবহেলায় পড়ে। নিয়মিত সাবান, ডিটারজেন্ট বা পরিষ্কারক ব্যবহারে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়, কিন্তু তা পূরণ করার মতো পর্যাপ্ত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা হয় না। এর ফলেই শীতে হাত-পা দ্রুত রঙ হারায়।

শীতে স্বাভাবিকভাবেই পানির চাহিদা অনুভব কমে যায়। এর ফলে শরীরে ধীরে ধীরে পানিশূন্যতা তৈরি হয়, যা ত্বককে আরও নিষ্প্রভ করে তোলে। শরীরের পানির ঘাটতি প্রথমে বোঝা যায় হাত ও পায়ের ত্বকে।

আরও একটি কারণ হলো মোজা, জুতা বা গ্লাভস ব্যবহারের ধরন। দীর্ঘ সময় আঁটসাঁট বা সিনথেটিক উপাদানে তৈরি জুতা-মোজা পরলে ত্বকের শ্বাস নেওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। এতে ঘাম জমে গিয়ে ত্বকের রঙ ও গঠন নষ্ট হতে পারে।

কখনও কখনও ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতিও এই পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িত থাকে। আয়রন, ভিটামিন বি১২ কিংবা ত্বকের স্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত উপাদানের অভাব হলে শীতে হাত ও পায়ের রঙ আরও বেশি বদলে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালীন এই পরিবর্তন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাময়িক এবং সঠিক যত্ন নিলে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। নিয়মিত পানি পান, ত্বক আর্দ্র রাখা এবং অতিরিক্ত শুষ্কতা এড়িয়ে চললে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক রঙ ফিরে আসে। তবে কালচে ভাব দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে বা অন্য শারীরিক সমস্যার সঙ্গে যুক্ত থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

সূত্র: জনকণ্ঠ

  • সর্বশেষ