শিরোনাম
◈ চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ ডেভিড ইমনের দুই সহযোগী গ্রেপ্তার ◈ ৯৩ এএসপিকে একযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে পদায়ন, প্রজ্ঞাপন জারি ◈ ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে এবার থানায় গেলেন সেই শিক্ষিকা ◈ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন ◈ ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু, ৭ শ্রেণির ব্যক্তি যেতে পারবেন না ◈ ১২ দলীয় জোটে ভাঙনের শঙ্কা: বহিষ্কারের পথে দুই শরিক, জরুরি বৈঠক শিগগির ◈ সুন্দর সমাজ গড়তে নতুন প্রজন্মের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ আন্দোলন শেষে কোন পথে ককরোচ জনতা পার্টি? ◈ বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ◈ আশিয়ান সিটি নিয়ে পুরোনো অভিযোগে নতুন গতি, নজরুল ভূঁইয়াকে ঘিরে তদন্ত ও আইনি তৎপরতা জোরদার

প্রকাশিত : ২৬ জুলাই, ২০২৬, ০৬:৩৪ বিকাল
আপডেট : ২৭ জুলাই, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিড়ি-সিগারেট বিক্রির উপার্জিত টাকা হালাল নাকি হারাম, শায়খ আহমাদুল্লাহর ব্যাখ্যা

বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করার উপার্জন হালাল নাকি হারাম—এমন একটি বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের স্পষ্ট ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিশিষ্ট ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি জানিয়েছেন, ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী যে বস্তু পান করা, খাওয়া বা ব্যবহার করা নিষিদ্ধ, সেটির ব্যবসা বা বেচাকেনাও বৈধ নয়।

সম্প্রতি অনুসারীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই মন্তব্য করেন। শায়খ আহমাদুল্লাহ জানান, কোনো দোকানদার যদি ব্যক্তিগত জীবনে ধর্মানুরাগী হন বা নিজে ধূমপান না-ও করেন, তাহলেও বিড়ি-সিগারেট বিক্রির আয় হালাল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘দোকানদার নিজে হয়তো লম্বা দাড়িওয়ালা, নিয়মিত নামাজি কিংবা হাজি হতে পারেন—নিজে হয়তো কখনো বিড়ি-সিগারেট ছোঁেন না, তার পরিবারের কেউও খায় না; কিন্তু তিনি যদি নিজের দোকানে এসব পণ্য রেখে বিক্রি করেন, তবে সেই নির্দিষ্ট বেচাকেনা থেকে অর্জিত আয় হালাল হবে না।’

ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে আরও ভেঙে ব্যাখ্যা করেন এই ইসলামি চিন্তাবিদ। তিনি জানান, একটি জেনারেল স্টোর বা দোকানে যদি হালাল ও হারাম—উভয় ধরনের পণ্য বিক্রি হয়, তবে পুরো দোকানের সব আয় একসাথে হারাম হয়ে যাবে না।

তার মতে, দোকানটির যেসব পণ্যের বেচাকেনা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে অবৈধ, কেবল সেসব পণ্য থেকে পাওয়া লাভটুকুই হারাম বলে গণ্য হবে। অন্যদিকে একই দোকান থেকে বিক্রি হওয়া চাল, ডাল, তেলসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় বৈধ পণ্যের আয় পুরোপুরি হালাল থাকবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, শুধু পণ্য হালাল হলেই চলবে না, বিক্রির প্রক্রিয়ায় প্রতারণা বা ভেজাল থাকলে সেই বৈধ পণ্যের আয়ও হারাম হয়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ভালো মানের দেশি ডালের সাথে কম দামি বা নিম্নমানের ডাল মিশিয়ে আসল পণ্যের দামে বিক্রি করা স্পষ্ট প্রতারণা। আর এ জাতীয় অসদুপায়ে অর্জিত লাভ কখনোই বৈধ হতে পারে না।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, ইসলামে কেবল পণ্যের ধরন নয়, ব্যবসার পদ্ধতি ও সততাও উপার্জনের বৈধতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়