শিরোনাম
◈ অনলাইন বিজ্ঞাপনের আড়ালে ইসরায়েলের বিশ্বজুড়ে নজরদারি, বাদ যায়নি পেন্টাগন-ন্যাটো-জাতিসংঘও ◈ ল্যাবে তৈরি ভয়ংকর মাদক ‘কুশের’ ভয়ংকর বিস্তার, আসক্ত হচ্ছে শিক্ষিত তরুণরা ◈ সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারের নির্দেশ ◈ দেশভাগের ৭৯ বছর পর ব্রহ্মপুত্র দিয়ে বাংলাদেশে পণ্য পাঠাল ভারত ◈ জাপানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হতে যাচ্ছে ভারত: আইএমএফ ◈ ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৩ ◈ মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী বিনা খরচে নিয়োগ, অনুমোদন পাচ্ছে ৩৩৮ এজেন ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: শুক্রবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে বিএনপি ◈ কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ গাজীপুরে স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২২, ০২:৫৭ দুপুর
আপডেট : ০৬ অক্টোবর, ২০২২, ০৩:৪৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পেবোকে পুকুরে ফেলে নোবেল উদযাপন

নিউজ ডেস্ক : চিকিৎসাবিজ্ঞানে এসভান্তে পেবোর নোবেল জয়কে ব্যতিক্রমীভাবে উদযাপন করলেন সহকর্মীরা। উদযাপনের সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ভিডিওতে দেখা যায়, আনন্দে আত্মহারা সহকর্মীরা পেবোকে কোলে তুলে পুকুরে ছুড়ে ফেলছেন। যাতে ডুবে না যান সেজন্য লাইফ জেকেটও  ছুড়ে দেন তারা। নিউজ বাংলা

বিলুপ্ত হোমিনিনের (মানুষের আদি নিকটাত্মীয়) জিনগত সঞ্চার এবং মানব বিবর্তনের সম্পর্ক আবিষ্কারের জন্য চিকিৎসায় নোবেল জয় করেছেন সুইডেনের বিজ্ঞানী এসভান্তে পেবো।

নোবেল কমিটি বলেছে, মানুষ সব সময়েই তার শেকড় অনুসন্ধান করছে। আমরা কোথা থেকে এসেছি এবং আমাদের আগে যারা এসেছিল তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কী? হোমিনিন থেকে আমাদের হোমো সেপিয়েন্স কীভাবে আলাদা?

তাৎপর্যপূর্ণ গবেষণার মাধ্যমে এসভান্তে পেবো আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব কিছু উদঘাটন করেছেন। তিনি বর্তমান সময়ের মানুষের বিলুপ্ত নিকটাত্মীয় নিয়ান্ডারথালের জিন মানচিত্র তৈরি করেছেন। তিনি আমাদের অজানা হোমিনিন ডেনিসোভার অস্তিত্বও আবিষ্কার করেছেন।

নোবেল কমিটি বলছেন, তাৎপর্যপূর্ণভাবে পেবো এটাও দেখিয়েছেন, প্রায় ৭০ হাজার বছর আগে আগে আফ্রিকা থেকে অভিবাসনের পর এই বিলুপ্ত হোমিনিন থেকে হোমো সেপিয়েন্সে জিনগত স্থানান্তর ঘটে। বর্তমান সময়ের মানুষের কাছে জিনের এই প্রাচীন সেই জিনের শারীরবৃত্তীয় প্রয়োজনীয়তা এখনও রয়ে গেছে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কোনো সংক্রমণের ক্ষেত্রে কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে তাতে এসব জিনের প্রভাব রয়েছে।

নোবেল কমিটি বলেছে, পেবোর মূল গবেষণাটি প্যালিওজেনমিক্স নামে একটি সম্পূর্ণ নতুন বৈজ্ঞানিক ডিসিপ্লিনের জন্ম দিয়েছে। তার গবেষণা জিনগত পার্থক্যগুলোকে উন্মোচিত করেছে যার মাধ্যমে বর্তমান মানুষকে বিলুপ্ত হোমিনিন থেকে আলাদা করে। তার আবিষ্কার আমাদের মানুষ্য প্রজাতির অনন্য হয়ে ওঠার কারণ অন্বেষণের ভিত্তি দিয়েছে।

১৯৫৫ সালের ২০ এপ্রিল স্টকহোমে জন্ম নেয়া পেবোর বাবা-মা দুজনই ছিলেন বিজ্ঞানী। মা এস্তোনিয়ান বংশোদ্ভূত কারিনা পেবো ছিলেন একজন কেমিস্ট। আর এসভান্তের বাবা সুনে বার্গস্ট্রম ছিলেন একজন বায়োকেমিস্ট, যিনি ১৯৮২ সালে বেঙট স্যামুয়েলসেন ও জন আর ভেইনের সঙ্গে যৌথভাবে ১৯৮২ সালে চিকিৎসায় নোবেল পান।

  • সর্বশেষ