শিরোনাম
◈ ‘ভারত যা চাইবে তাই পাবে’: মোদিকে নিয়ে ট্রাম্পের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা ◈ কারখানা প্রস্তুত, নেই গ্যাস: ঋণের চাপে দিশেহারা শিল্প উদ্যোক্তারা, থমকে গেছে হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ◈ পুঁজিবাজারে নতুন বড় কোম্পানি: বিআরবি ক্যাবলের আইপিওর প্রস্তুতি শুরু ◈ বাংলাদেশে ধর্ষণ ও হত্যার আলোচিত ছয়টি মামলা কী অবস্থায় আছে?  ◈ কোরবানির পরবর্তী সাতদিন ঢাকার বাইরে থেকে চামড়া ঢাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে ◈ ট্রাম্পের 'পাগলামি' ও বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকার একাকীত্ব  ◈ কুয়েতে ২৪০ টন খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ চিনিযুক্ত পণ্যে কর কমানোর ভাবনা, স্বয়ংক্রিয় ট্যাক্স রিফান্ড চালুর পরিকল্পনা এনবিআরের ◈ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রডবোঝাই ট্রাক খাদে উল্টে নিহত ১৫ ◈ ঈদে জাতীয় ঈদগাহে থাকছেন তারেক রহমান, নিজ নিজ এলাকায় নামাজ পড়বেন মন্ত্রীরা

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২২, ০২:৫৭ দুপুর
আপডেট : ০৬ অক্টোবর, ২০২২, ০৩:৪৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পেবোকে পুকুরে ফেলে নোবেল উদযাপন

নিউজ ডেস্ক : চিকিৎসাবিজ্ঞানে এসভান্তে পেবোর নোবেল জয়কে ব্যতিক্রমীভাবে উদযাপন করলেন সহকর্মীরা। উদযাপনের সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ভিডিওতে দেখা যায়, আনন্দে আত্মহারা সহকর্মীরা পেবোকে কোলে তুলে পুকুরে ছুড়ে ফেলছেন। যাতে ডুবে না যান সেজন্য লাইফ জেকেটও  ছুড়ে দেন তারা। নিউজ বাংলা

বিলুপ্ত হোমিনিনের (মানুষের আদি নিকটাত্মীয়) জিনগত সঞ্চার এবং মানব বিবর্তনের সম্পর্ক আবিষ্কারের জন্য চিকিৎসায় নোবেল জয় করেছেন সুইডেনের বিজ্ঞানী এসভান্তে পেবো।

নোবেল কমিটি বলেছে, মানুষ সব সময়েই তার শেকড় অনুসন্ধান করছে। আমরা কোথা থেকে এসেছি এবং আমাদের আগে যারা এসেছিল তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কী? হোমিনিন থেকে আমাদের হোমো সেপিয়েন্স কীভাবে আলাদা?

তাৎপর্যপূর্ণ গবেষণার মাধ্যমে এসভান্তে পেবো আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব কিছু উদঘাটন করেছেন। তিনি বর্তমান সময়ের মানুষের বিলুপ্ত নিকটাত্মীয় নিয়ান্ডারথালের জিন মানচিত্র তৈরি করেছেন। তিনি আমাদের অজানা হোমিনিন ডেনিসোভার অস্তিত্বও আবিষ্কার করেছেন।

নোবেল কমিটি বলছেন, তাৎপর্যপূর্ণভাবে পেবো এটাও দেখিয়েছেন, প্রায় ৭০ হাজার বছর আগে আগে আফ্রিকা থেকে অভিবাসনের পর এই বিলুপ্ত হোমিনিন থেকে হোমো সেপিয়েন্সে জিনগত স্থানান্তর ঘটে। বর্তমান সময়ের মানুষের কাছে জিনের এই প্রাচীন সেই জিনের শারীরবৃত্তীয় প্রয়োজনীয়তা এখনও রয়ে গেছে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কোনো সংক্রমণের ক্ষেত্রে কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে তাতে এসব জিনের প্রভাব রয়েছে।

নোবেল কমিটি বলেছে, পেবোর মূল গবেষণাটি প্যালিওজেনমিক্স নামে একটি সম্পূর্ণ নতুন বৈজ্ঞানিক ডিসিপ্লিনের জন্ম দিয়েছে। তার গবেষণা জিনগত পার্থক্যগুলোকে উন্মোচিত করেছে যার মাধ্যমে বর্তমান মানুষকে বিলুপ্ত হোমিনিন থেকে আলাদা করে। তার আবিষ্কার আমাদের মানুষ্য প্রজাতির অনন্য হয়ে ওঠার কারণ অন্বেষণের ভিত্তি দিয়েছে।

১৯৫৫ সালের ২০ এপ্রিল স্টকহোমে জন্ম নেয়া পেবোর বাবা-মা দুজনই ছিলেন বিজ্ঞানী। মা এস্তোনিয়ান বংশোদ্ভূত কারিনা পেবো ছিলেন একজন কেমিস্ট। আর এসভান্তের বাবা সুনে বার্গস্ট্রম ছিলেন একজন বায়োকেমিস্ট, যিনি ১৯৮২ সালে বেঙট স্যামুয়েলসেন ও জন আর ভেইনের সঙ্গে যৌথভাবে ১৯৮২ সালে চিকিৎসায় নোবেল পান।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়