দুর্দান্ত বোলিংয়ে রংপুর রাইডার্সকে নাগালেই রেখেছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। মাঝারি মানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটাও ভালো পেয়েছিল তারা। কিন্তু সময়মতো ব্যাটিংয়ের গিয়ার পরিবর্তন করতে পারেননি মোহাম্মদ মিঠুন-সাইফ হাসানরা। তাতে শেষ ওভারে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ছিল ১০ রান। মোস্তাফিজের ম্যাজিক করা সেই ওভারে জয়ের সমীকরণ মেলাতে পারেনি ঢাকা।
সিলেটে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান করে রংপুর। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেছেন মাহমুদউল্লাহ। জবাবে খেলতে নেমে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানের বেশি করতে পারেনি ঢাকা ক্যাপিটালস।
১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় দারুণ শুরু করেন ঢাকার দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও আবদুল্লাহ আল মামুন। ৩১ রান করে গুরবাজ ফিরলে ভাঙে ৫৪ রানের উদ্বোধনী জুটি। একই পথে হেঁটেছেন মামুনও। থিতু হয়েও ২০ রানে ফিরেছেন।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে দলকে জয়ের ভিত গড়ে দেন মিঠুন ও সাইফ। তবে সাইফ সময়মতো গিয়ার পরিবর্তন করতে পারেননি। এক পাশে মিঠুন সাবলীল খেললেও আরেক পাশে ধীরগতির ব্যাটিং করেছেন সাইফ। ২৪ বলে ১৫ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে।
শেষদিকে শামীম হোসেন ও সাব্বির রহমান চেষ্টা করেছেন সমীকরণ মেলানোর। তবে পারেননি। সাব্বির অপরাজিত ছিলেন ৮ বলে ১২ রান করে। আর মিঠুনের ব্যাট থেকে এসেছে অপরাজিত ৫৬ রান।
এর আগে রংপুরের নতুন উদ্বোধনী জুটিতে লিটন দাসের সঙ্গে ইনিংস ওপেন করেন কাইল মেয়ার্স। এই ক্যারিবিয়ান ভালোই শুরু করেছিলেন। তবে থিতু হওয়ার আগেই ফিরেছেন উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের করা অফ স্টাম্পের বাইরের খানিকটা খাটো লেংথের বলে কাট করতে গিয়ে আউট সাইড এজ হয়েছে। সাজঘরে ফেরার আগে ১১ বলে ১১ রান করেছেন তিনি।
সুবিধা করতে পারেননি আরেক ওপেনার লিটনও। জিয়াউর রহমানের করা অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের বল স্ল্যাশ করতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ইমাদ ওয়াসিমের হাতে ধরা পড়েন। ৬ বল খেলে ৬ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি।
তিনে নেমে ব্যর্থ তাওহিদ হৃদয়। নিজের খেলা প্রথম বলেই উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন তিনি। গোল্ডেন ডাক খেয়ে হৃদয় ফেরায় ৩০ রানেই ৩ উইকেট হারায় রংপুর। দলের এমন বিপদে হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ ও মালান। দুজনে মিলে চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৫৪ বলে যোগ করেন ৭৪ রান।
৩৩ বলে ৩৩ করেছেন মালান। আর মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে এসেছে ৪১ বলে ৫১ রান। শেষদিকে ২১ বলে অপরাজিত ৩৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন খুশদিল।