শিরোনাম
◈ দেড় মিনিটে ‘পুলিশ পরিচয়ে’ ছিনতাই সৌদি প্রবাসীর ছয় বছরের উপার্জন ◈ কর্মীদের 'অপরাধ' নিয়ন্ত্রণ কি বিএনপির জন্য কঠিন হয়ে উঠছে? ◈ আখতারুজ্জামান জামায়াতের নেতা নন, সহযোগী সদস্য: এটিএম আজহার ◈ ‘বৈধ ভিসা মানেই ভারতে প্রবেশের নিশ্চয়তা নয়’ ◈ দেশের উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশই বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার : তথ্যমন্ত্রী ◈ দুই ইউনিট সচল, রামপালে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড ◈ বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি: আমির খসরু ◈ গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়ার বাস টার্মিনাল কবে সরছে, জানালেন ডিএমপি কমিশনার ◈ সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ ৪ বারে অভিযান (ভিডিও) ◈ জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৯ রাত
আপডেট : ০৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ককপিটে ক্যাপ্টেনকে হামলা, রহস্যময় কো-পাইলটের পরিচয় মিলল

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে ককপিটের ভেতরে প্রধান পাইলটের ওপর হামলাকারী কো-পাইলটের পরিচয় পাওয়া গেছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত ওই কো-পাইলটের নাম হামাম আল-হাম্মামি, যিনি ওমানের নাগরিক। উগ্রবাদী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাকে এর আগে নিজ দেশে উড়োজাহাজ চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে পাইলটের পরিচয় বা তার বিশ্বাস সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

গত বুধবার দুবাই থেকে ১৭৪ জন যাত্রী নিয়ে তেল আবিবগামী ‘ফ্লাইদুবাই এফজেড১০৭৩’ ফ্লাইটটি আকাশে ওড়ার পর এই ঘটনা ঘটে। সংযুক্ত আরব আমিরাত একে একটি ‘সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রচেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, কো-পাইলট জরুরি ক্র্যাশ এক্স বা কুঠার দিয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে আক্রমণ করেন এবং বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে এ ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য এবং এর সাথে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

অভিযুক্ত পাইলট সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে

বিভিন্ন কূটনৈতিক ও সংবাদমাধ্যমের সূত্র জানিয়েছে, হামাম আল-হাম্মামি সংযুক্ত আরব আমিরাতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ওমানের নাগরিক হিসেবে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সে দায়িত্ব পালন করেছেন। দ্য ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উগ্রবাদী চিন্তাভাবনার আশঙ্কায় ওমানের কর্তৃপক্ষ তাকে এর আগে দেশটিতে বিমান চালনা থেকে বিরত রেখেছিল।

advertisement

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, একই ধরনের উদ্বেগের কারণে তাকে ফ্লাইট ট্রেনিং থেকেও সরিয়ে অন্য পদে পুনর্বহাল করা হয়েছিল। এছাড়া লিঙ্কডইন প্রফাইল অনুযায়ী, তিনি ওমান এয়ার এবং রয়্যাল এয়ার মরক্কোর মতো সংস্থায় কাজ করেছেন।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডাটা অনুযায়ী, দুবাই থেকে ছাড়ার পর বিমানটি যখন প্রায় ৩৪ হাজার ফুট উঁচুতে ছিল, তখন দুই পাইলটের মধ্যে ককপিটে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। হামলায় গুরুতর আহত হন ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার। বিমানটি আকস্মিকভাবে ১৭ হাজার ফুটেরও বেশি নিচে নেমে গেলে শেষ মুহূর্তে ককপিটের দরজা খুলে যাত্রীরা ভেতরে প্রবেশ করেন এবং কো-পাইলটকে কাবু করেন। পরবর্তীতে বিমানে থাকা দুজন রিজার্ভ পাইলটের সহায়তায় সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি নিরাপদে অবতরণ করে।

আমিরাতের অ্যাটর্নি জেনারেল হামাদ সাইফ আল-শামসি জানিয়েছেন, হামলাকারীর উদ্দেশ্য, মোটিভ এবং নেপথ্যের সমস্ত তথ্য উদ্ঘাটনে বিচারিক ও ফরেনসিক তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা

 

  • সর্বশেষ