শিরোনাম
◈ সৌদি-তুর্কি-পাকিস্তানের জোটে যোগ দেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ‘ইতিবাচক’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ◈ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, বৃটেনে পুলিশ কর্মকর্তাসহ সাতজন নিহত ◈ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা: বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ কলকাতার ৭ বাংলাদেশি নিহত: সেই হোটেল মালিক গ্রেপ্তার ◈ পর্তুগালে একের পর এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু, ১৫ দিনে প্রাণ গেল ৪ জনের ◈ ধানের তুষ পুড়িয়ে গ্যাস উৎপাদন, বিকল্প জ্বালানিতে চলছে বস্ত্রকল! ◈ রশি ছিঁড়ে সাগরে পড়ে আহত চট্টগ্রাম বন্দরের পাইলট, তদন্তে জাহাজের গাফিলতির অভিযোগ; বিদেশি জাহাজ আটক ◈ বাংলাদেশি হিন্দু-শিখ-জৈন শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আশ্বাস অমিত শাহের ◈ ফিফার শা‌স্তির পর আর্জেন্টিনাকে নি‌য়ে স্পেনের গণমাধ্যমে উসকানিমূলক সংবাদ প্রচার ◈ জাতীয় স্বার্থ নিশ্চিত করেই প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কলকাতার ৭ বাংলাদেশি নিহত: সেই হোটেল মালিক গ্রেপ্তার

বেহালা থেকে গ্রেপ্তার হলেন নিউ মার্কেটের সেই ‘শিখা ইন’-এর মালিক বীরেশ্বর মিত্র। মঙ্গলবার রাতে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজের গাড়িতে চেপে কলকাতা থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তারপর ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে গিয়ে আত্মগোপন করে ছিলেন। শনিবারই বেহালার ডায়মন্ড হারবার রোডের বাড়িতে ফিরেছেন বীরেশ্বর। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন তিনি পালিয়ে গিয়েও আবার নিজের বাড়িতে ফিরে আসেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। খবর: আনন্দবাজার ডট কম।

ঘটনার পর থেকেই বীরেশ্বরের খোঁজ করছিল পুলিশ। তার দুটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ সেই অ্যাকাউন্টে লেনদেন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তদন্তকারীদের একাংশ মনে করছেন, হাতে নগদের অভাব হওয়ায় তিনি ধানবাদ থেকে বাড়ি ফিরে এসেছেন। ঝাড়খণ্ডে বীরেশ্বরের কয়েক জন কর্মচারীর বাড়ি রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, সেখানেই গিয়ে সাহায্য নিয়েছিলেন তিনি। তাকে জেরার পরেই স্পষ্ট এ সব বিষয় স্পষ্ট হবে।

মঙ্গলবার গভীর রাতে নিউ মার্কেট এলাকার হোটেল ‘শিখা ইন’-এ আগুন লাগে। প্রাণ যায় নয়জনের। তাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশের নাগরিক। অভিযোগ, মাত্র ১১০০ বর্গফুট জায়গায় পাঁচটি ঘর, প্রত্যেকটির সঙ্গে লাগোয়া স্নানঘর তৈরি করা হয়েছিল। অগ্নিনির্বাপণের কোনও নিয়ম মানা হয়নি। ঘটনার পরেই বীরেশ্বরের খোঁজ শুরু করে পুলিশ। নিউ মার্কেট এলাকা ছাড়াও দিঘা এবং মন্দারমণি— এই দুই জায়গায় বীরেশ্বরের দুটি হোটেল রয়েছে বলে জানতে পারে পুলিশ।

শুক্রবার সেখানেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে বীরেশ্বরকে পাওয়া যায়নি। তদন্তে জানা যায়, বুধবার ভোরে হোটেলের এক কর্মচারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন তিনি। তার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ ছিল। অবশেষে শনিবার গ্রেপ্তার করা হয় বীরেশ্বরকে।

অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে সক্রিয় প্রশাসন। শুক্রবার অভিযান চালিয়ে নিউ মার্কেট এলাকায় ১১টি হোটেল বন্ধ করে দিয়েছে পৌরসভা ও দমকলের যৌথ কমিটি। শনিবার আরও ছটি বন্ধ করা হয় বলে জানান রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। শুক্রবার নিউ মার্কেট এলাকার ১৭টি হোটেলকে শোকজ করে দমকল। ‘শিখা ইন’-এর যে অংশে আগুন লাগে, সেটি ছাড়া তার আরও একটি অংশ ওই ভবনেরই পাঁচতলায় ছিল। দ্বিতীয় অংশটি বীরেশ্বরের থেকে উমেশ সিংহ এবং জিতেন সিংহ নামে দুজন লিজ  নিয়েছিলেন। শুক্রবার তাদের জেরা করা হয়। হোটেলের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আবু জাফরকে। তিনি মালিক বীরেশ্বরের থেকে ‘শিখা ইন’ হোটেলটি লিজ নিয়েছিলেন। মাসিক ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়