শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রে নিঝুম মজুমদারকে হেনস্তা করে যুক্তরাষ্ট্র যুবদল, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সামনে (ভিডিও) ◈ প্রধানমন্ত্রীর দেখা না পেয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের ওপর ক্ষু'ব্ধ নেতাকর্মীরা, হেনস্তার চেষ্টা (ভিডিও) ◈ উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন ৮ ইউএনও ◈ কুমিল্লায় সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আটক ◈ বাংলাদেশের মাটিতে আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নির্দেশনা সারাদেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে ◈ মোহাম্মদপুরে কয়েকশ’ লোকের হামলা-ভাঙচুর, ১৫ লাখ টাকা ও জমির দলিল লুটের অভিযোগ ◈ টিকটক পরিচয়ে কুমিল্লায় দেখা করতে গিয়ে কিশোরী ধর্ষণের শিকার, অভিযুক্ত পলাতক ◈ গাইবান্ধায় যেভাবে কণ্ঠ নকল করে মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণার ফাঁদ পাতেন প্রতারক (ভিডিও) ◈ যুক্তরাজ্যে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি, আগস্টে প্রবৃদ্ধি ১০.৫৩%

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২৬, ০৩:১৯ দুপুর
আপডেট : ০৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাতারাতি বদলে গেল জীবন, লটারি জিতে ১৫ কোটি রুপির মালিক নিরাপত্তারক্ষী

যেন এক জাদুমন্ত্র। হঠাৎই নিরাপত্তারক্ষী তায়েব খান ১৫ কোটি রুপির মালিক। সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত তায়েব লটারি জিতে রাতারাতি এমন ধনী তিনি। আমিরাতে লটারি’র লাকি ডে ড্র’তে তার কাছে থাকা টিকেট জিতেছে ৩ কোটি দিরহাম, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৭৮ কোটি রুপি। এই টিকেট তারা ৫ বন্ধু কিনেছিলেন। ফলে পুরস্কারের অর্থ তাদের মধ্যে সমানভাবে ভাগ হবে। তাতে এক একজন প্রায় ১৫ কোটি রুপি করে পাবেন। এ খবর প্রকাশ করেছে খালিজ টাইমস।আন্তর্জাতিক সংবাদ

২৬ বছর বয়সী এই নেপালি নাগরিক দীর্ঘ শিফটে নিরাপত্তার কাজ করতেন। হঠাৎ করেই একদিন টিকিট কিনে তিনি এই বিশাল পুরস্কার জিতে নেন। তিনি জানান, সরাসরি ড্র দেখেননি। ইমেইলের মাধ্যমে ফলাফল জেনে তিনি হতবাক হয়ে যান। নিশ্চিত হতে একাধিকবার চেক করতে হয় তাকে। তিনি বলেন, আমি আগে ছোটখাটো পুরস্কারের একই ধরনের ইমেইল পেয়েছি, তাই গুরুত্ব দিইনি। কিন্তু যখন ইমেইল খুলে দেখি ৩ কোটি দিরহাম, তখন আমার হাত-পা কাঁপছিল। মনে হচ্ছিল এটা স্বপ্ন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অর্থ পাঁচ ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মধ্যে ভাগ করা হবে। জ্যাকপট অর্থ সমানভাবে ভাগ হবে। ফলে প্রত্যেকে পাবেন ৬০ লাখ দিরহাম (প্রায় ১৫ কোটি রুপি)। তিনি বলেন, আমরা পাঁচজন মিলে নিয়মিত টাকা জোগাড় করে টিকিট কিনতাম। প্রতি সপ্তাহে একজন করে নম্বর বাছাই করত। পুরষ্কার জয়ের খবর তিনি প্রথমে চাচাকে জানান। তিনি বলেন, আমার চাচাই আমাকে এখানে আসতে সাহায্য করেছিলেন। যখন তাকে বললাম আমরা কত জিতেছি, তিনি পুরোপুরি বাকরুদ্ধ হয়ে যান এবং তার চোখে পানি চলে আসে।

জয়ের পর তিনি চাকরি ছেড়ে উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগের দিকে এগোতে চান। পরিবারের জন্য একটি বাড়ি তৈরি করাই তার প্রধান লক্ষ্য। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন হিসেবে তিনি একটি মাহিন্দ্র থার এসইউভি গাড়ি কেনার কথাও জানিয়েছেন, যা তার সীমিত আয় দিয়ে আগে সম্ভব ছিল না। তিনি বলেন, আমার প্রথম লক্ষ্য ছিল পরিবারের জন্য একটি ভালো বাড়ি তৈরি করা। এখন আমি একটি সুন্দর এলাকায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ বাড়ি বানাতে পারব। তিনি আরও বলেন, আমি চার বছর ধরে চাকরি করছি। এখন আমি পরবর্তী ধাপে যেতে চাই- উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগের দিকে। আমি বহুদিন ধরে মাহিন্দ্র থার জিপ এবং একটি রোলেক্স ঘড়ির দিকে নজর রাখছিলাম। বাকি অর্থ তিনি ঋণ শোধ, পরিবারের সহায়তা এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য ব্যয় করবেন। পাশাপাশি নিরাপত্তার কাজ ছেড়ে ছোট ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনাও রয়েছে তার।

লটারি জয়ের এমন ঘটনা বিরল হলেও তার গল্পটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা অনেক প্রবাসীর মধ্যে অনুপ্রেরণা জাগিয়েছে। একটি টিকিটই যে জীবন এক রাতে বদলে দিতে পারে, তারই প্রমাণ এই ঘটনা।

 

  • সর্বশেষ