শিরোনাম
◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী ◈ সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘১৪ দফা’ চুক্তি ফাঁস, সামনে আসছে যুদ্ধবিরতির রূপরেখা ◈ ‘আমরা খালেদা জিয়ার সৈনিক, দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না’ ◈ সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ দেশে হাম সন্দেহে মৃত্যু আরও ৪ জনের, নতুন করে আক্রান্ত ৯৬৬ ◈ শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন, বাজেট নিয়ে সমালোচকদের কড়া জবাব প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:১৫ সকাল
আপডেট : ১৬ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নোবেল শান্তি পুরস্কারে আসিম মুনির-শাহবাজকে বিবেচনার আহ্বান পাকিস্তানের

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তান নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে- এই যুক্তিতে এবার পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফেডারেশন অব পাকিস্তান চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিসহ দেশটির কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী ও গণমাধ্যমের একাংশ এই দাবি তুলেছে। তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তান নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ভূমিকা রাখছে। পাকিস্তানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা না থাকলে বড় ধরনের সংঘাত তৈরি হতে পারত। 

ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর দাবি, আসিম মুনিরের নেতৃত্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনী আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কাজ করছে। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা তৈরিতেও পাকিস্তানের সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা ছিল বলে তারা উল্লেখ করছে।

এই দাবির পক্ষে দেশটির কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার চালানো হচ্ছে। তাদের যুক্তি, অতীতে বিভিন্ন দেশের নেতারা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, সেই বিবেচনায় পাকিস্তানের এই দুই নেতাকেও মূল্যায়ন করা উচিত।

তবে এ দাবিকে ঘিরে দেশ-বিদেশে সমালোচনা ও বিদ্রূপও শুরু হয়েছে। সমালোচকদের মতে, যখন পাকিস্তান নিজেই অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংকট, সন্ত্রাসবাদ এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো সমস্যায় জর্জরিত, তখন এমন দাবি বাস্তবসম্মত নয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়