শিরোনাম
◈ সৌদির সঙ্গে আলোচনা সফল হলে হজের ভাড়া আরও কমবে: আফরোজা খানম ◈ গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: পেট্রোবাংলা ◈ প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান নিয়ে সুখবর ◈ রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নির্ধারণের দায়িত্ব তারেক রহমানকে দিলো বিএনপি ◈ র‍্যাবের ‘আয়নাঘরে’ ৭ ‘ডেথ সেল’, মিলল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য (ভিডিও) ◈ সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কায় দেশজুড়ে কড়া সতর্কতা ◈ কারাতে দক্ষতার প্রদর্শন, কাঠের তক্তা ভাঙলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ (ভিডিও) ◈ দেশের সব বন্দরে ২৪ ঘণ্টা সেবা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশি হিন্দুরা অনুপ্রবেশকারী নয়, তারা শরণার্থী: শুভেন্দু ◈ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ, আগামী সপ্তাহে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ ব্যবসায়ী

প্রকাশিত : ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১৯ রাত
আপডেট : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঠান্ডা-সর্দির যন্ত্রণা কমাতে কার্যকর ঘরোয়া প্রতিকার জেনে নিন

আবহাওয়া পরিবর্তন কিংবা হঠাৎ বৃষ্টি এই সময়ে অনেকেই ঠান্ডা-সর্দি, নাক বন্ধ, গলা ব্যথা কিংবা হাঁচি-কাশির সমস্যায় ভুগেন। হঠাৎ গরম থেকে বৃষ্টি, আবার কখনো ঠান্ডা বাতাস এমন পরিবর্তনে শরীর সহজেই দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে সাধারণ ঠান্ডা-সর্দিতে কিছু ঘরোয়া উপায় দ্রুত আরাম দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঠান্ডা-সর্দি হলে শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া সবচেয়ে জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুম রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে বেশি করে পানি, গরম স্যুপ, লেবু পানি বা ভেষজ চা পান করলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে এবং গলা আরাম পায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক ঠান্ডা-সর্দি প্রতিরোধে ঘরোয়া সহজ উপায়গুলো-

গরম পানির ভাপ নেওয়া

নাক বন্ধ থাকলে গরম পানির ভাপ নিতে পারেন। এতে শ্বাস নিতে সুবিধা হয় এবং নাকের বন্ধ ভাব কমে। চাইলে পানিতে সামান্য ইউক্যালিপটাস তেল বা মেনথল ব্যবহার করা যেতে পারে।

কুসুম গরম পানিতে গার্গল করা

গলা ব্যথা কমাতে কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে গার্গল করলে উপকার পাওয়া যায়। দিনে কয়েকবার এটি করলে গলার অস্বস্তি কমতে পারে।

মধু-আদার মিশ্রণ

মধু ও আদা ঠান্ডা-সর্দির পুরোনো ঘরোয়া প্রতিকার। এক চামচ মধুর সঙ্গে আদার রস মিশিয়ে খেলে কাশি কমতে সাহায্য করে এবং গলা নরম থাকে। তবে এক বছরের কম বয়সী শিশুকে মধু দেওয়া যাবে না।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার

খাবারের দিকেও নজর রাখা জরুরি। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যেমন : কমলা, মাল্টা, পেয়ারা কিংবা আমলকি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

তবে জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হলে, শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে বা কয়েকদিনেও উপসর্গ না কমলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ সাধারণ ঠান্ডা-সর্দির আড়ালেও অন্য রোগ থাকতে পারে।

সূত্র : আনন্দবাজার

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়