শিরোনাম
◈ রমজানের আগে ২ হাজার ইউপি নির্বাচন, জানুয়ারিতে শুরু করার পরিকল্পনা ◈ জরিমানা ছাড়াই ভ্যাট রিটার্ন জমা দেয়ার সময় বাড়াল এনবিআর ◈ কক্সবাজার ও পেনাংয়ের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছে এয়ার এশিয়া: বিমান পরিবহনমন্ত্রী ◈ অফশোর বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়াতে লন্ডনে রোডশো, তথ্য নিয়েছে ১০ কোম্পানি ◈ বাবরির স্মৃতি থেকে উজ্জয়িনী: ভারতে মুসলিমদের ধর্মীয় স্থানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ ◈ সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা ◈ সাইবার অপরাধ দমনে ৪৫৯২ জনের বিশেষ ইউনিট, নিয়োগ পাবেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা ◈ ২ লাখ ২০ হাজার টন সার কিনবে সরকার ◈ জ্বালানি আসছে, ভালভ পরীক্ষায় সাফল্য—উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর ◈ ৪৯ সেকেন্ড আগে গোল, পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমস হ‌কির ফাইনালে ভারত 

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৬, ০৪:০৭ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ক্যান্সারের চিকিৎসায় আসতে পারে মুখে খাওয়ার ওষুধ

চীনা বিজ্ঞানীরা এমন একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন, যার সুবাদে ভবিষ্যতে ইনজেকশনের পরিবর্তে মুখে খাওয়ার ট্যাবলেট দিয়েই ক্যান্সারের চিকিৎসা সম্ভব হবে। শাংহাইয়ের ফুতান বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণার বিস্তারিত আন্তর্জাতিক জার্নাল সেল-এ প্রকাশিত হয়েছে।

বর্তমানে ইমিউনোথেরাপি বা রোগ প্রতিরোধভিত্তিক ক্যান্সার চিকিৎসা সাধারণত ব্যয়বহুল এবং হাসপাতালনির্ভর ইনজেকশনের মাধ্যমে দেয়া হয়। তবে নতুন এই গবেষণা সেই প্রক্রিয়াকে সহজ ও সাশ্রয়ী করার সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।

গবেষণায় বিজ্ঞানীরা কোষের ভেতরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া—এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম-সম্পর্কিত ডিগ্রেডেশন (ইআরএডি) ব্যবহার করে ক্ষতিকর প্রোটিন ধ্বংস করার নতুন কৌশল তৈরি করেছেন। সাধারণত এই প্রক্রিয়া কোষের ত্রুটিপূর্ণ প্রোটিন শনাক্ত করে ধ্বংস করে।
 
কিন্তু গবেষকরা দেখিয়েছেন, এই প্রাকৃতিক ব্যবস্থাকে ‘হাইজ্যাক’ করে নির্দিষ্ট রোগসৃষ্টিকারী প্রোটিনকেও টার্গেট করা সম্ভব। তারা একটি ক্ষুদ্র অণু ব্যবহার করে ক্ষতিকর প্রোটিনকে কোষের ধ্বংস প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করেন, ফলে কোষ নিজেই সেটিকে নষ্ট করে ফেলে।
  
নতুন কৌশলটির নাম দেয়া হয়েছে ‘ইরাডেক’। এটি বিশেষভাবে ট্রান্সমেমব্রেন প্রোটিন ধ্বংসে কার্যকর, যেগুলো সাধারণত ক্যান্সার কোষকে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। গবেষকরা পিডি-এল১ নামের একটি প্রোটিনের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন, এই পদ্ধতি প্রচলিত অ্যান্টিবডি-ভিত্তিক ইনজেকশনের তুলনায় টিউমার সংকোচনে বেশি কার্যকর।
 
গবেষকদের মতে, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে ছোট অণুর ওষুধ তৈরি করা সম্ভব হবে, যা মুখে খাওয়ার মাধ্যমে শরীরে কাজ করতে পারবে। এতে চিকিৎসা আরও সহজ। যদিও এখনও এই ওষুধ সরাসরি ট্যাবলেট আকারে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত নয়, তবে প্রাথমিকভাবে এমন যৌগ তৈরি করা হয়েছে যা শরীরে মুখে গ্রহণের মাধ্যমে শোষিত হতে পারে।
 
গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, একই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভবিষ্যতে আলঝেইমার, দীর্ঘস্থায়ী ব্যথাসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসাও সম্ভব হতে পারে। গবেষণা সফল হলে ভবিষ্যতের রোগীরা নিজ বাড়িতে তাদের ইমিউনোথেরাপি পরিচালনা করতে, ঘন ঘন হাসপাতালে পরিদর্শন এড়াতে এবং চিকিৎসা খরচ কমাতে পারবে। তথ্যসূত্র: চায়না ডেইলি

  • সর্বশেষ