শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জোড়া বিদেশ সফর, ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত ◈ বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা পুনরুজ্জীবনে বিনিয়োগকারীদের পাশে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ ◈ ২৪ জেলার চিত্র বদলে দেবে পদ্মা ব্যারাজ ◈ স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম যেসব ঘটনায় আলোচনায় ◈ মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় তৈরি হবে বাংলাদেশেই : প্রধানমন্ত্রী ◈ কিশোর–কিশোরীদের নিয়মিত খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনার ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী ◈ ‘যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাজি ধরলে পস্তাতে হবে না’ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনার ভেন্যুর শহরে বন্যা, সতর্কতা জারি ◈ দেশের স্বার্থেই কূটনৈতিক সফর, কারও মন জোগাতে নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ০৬ নভেম্বর, ২০২৪, ০৪:৩৫ দুপুর
আপডেট : ৩০ মার্চ, ২০২৫, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গরম চায়ের সঙ্গে মুচমুচে বিস্কুট খাওয়া কি স্বাস্থ্যকর? কী বলছেন পুষ্টিবিদ

সকাল কিংবা সন্ধ্যা— চায়ের সঙ্গে ‘টা’ না হলে ঠিক জমে না? আর বাঙালির ‘টা’ মানেই হল মুড়ি, মুচমুচে বিস্কুট অথবা শিঙাড়া, চপ। এখন তো আবার চায়ের আড্ডায় শৌখিন কুকিজ়, কেক দিব্যি চলছে। গরম চায়ে বিস্কুট ডুবিয়ে না খেলে কী আর ভাল লাগে? এখন কথা হল, চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাওয়ার এই অভ্যাস কি ভাল? সেটা যেমন বিস্কুটই খান না কেন, তাতে শরীরে লাভ হয় নাকি ক্ষতি?

এই বিষয়ে ভারতের খ্যাতনামা পুষ্টিবিদ শম্পা চক্রবর্তী বলছেন, সকালে হোক বা সন্ধ্যায়, চায়ের সঙ্গে ভুলেও ময়দার বিস্কুট খাবেন না। কুকিজ়, কেক তো নয়ই। এখন অনেকে বলবেন, থিন অ্যারারুটের মতো আটা দিয়ে তৈরি বিস্কুটও কি ক্ষতিকর? 

এই পুষ্টিবিদ জানাচ্ছেন, থিন অ্যারারুট বা ক্রিম ক্র্যাকারের মতো বিস্কুট ততটা ক্ষতিকর নয় তবে এগুলোতেও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে না। আর চায়ের সঙ্গে ময়দা বা আটার বিস্কুটের যুগলবন্দি শরীরেরর জন্য একেবারেই ভাল নয়। এই দুইয়ের মিলমিশ ঠিকমতো হজমই করতে পারে না পাকস্থলী। ফলে বদহজমের সমস্যা, গ্যাস-অম্বল বেড়ে যায় অনেকখানি।

বিস্কুটের আরও কিছু ক্ষতিকর দিক আছে। এই পুষ্টিবিদের কথায়, কার্বোহাইড্রেট-সমৃদ্ধ বিস্কুট যখন চায়ে ডুবিয়ে মুখে পুরছেন, তখন অনেকখানি ক্যালোরি শরীরে ঢুকছে। শুধু তা-ই নয়, বিস্কুটের অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট শরীরে কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রাও বাড়িয়ে দিচ্ছে। আর যদি দুধ-চিনি দেওয়া চায়ের সঙ্গে বিস্কুট রোজ খেতে থাকেন, তা হলে তো কথাই নেই। কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে তা হৃদ্রোগের কারণও হয়ে উঠতে পারে।

বিস্কুটে শর্করার মাত্রা খুব বেশি থাকে। তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের তো বটেই, শরীরে অন্য কোনও অসুখ থাকলেও বিস্কুট খাওয়া এড়িয়েই চলতে হবে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বিস্কুটে এত বেশি চিনি থাকে যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে তোলে। নোনতা বিস্কুটও সুরক্ষিত নয়। তাতে নুনের মাত্রা বেশি থাকে। পাশাপাশি গ্লুটেনের পরিমাণও অনেক বেশি থাকে। গ্লুটেনও সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে হজমের প্রক্রিয়ায়। চায়ের সঙ্গে অনেকেই টোস্ট বিস্কুট খান। সেটি আরও ক্ষতিকর। টোস্ট বিস্কুট তৈরি হয় পাউরুটি দিয়ে। আর তৈরির প্রক্রিয়াও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। তাই এই ধরনের বিস্কুটও না খাওয়াই ভাল।

বিকল্প কী হতে পারে?

শম্পা চক্রবর্তীর পরামর্শ, চায়ের সঙ্গে একমুঠো শুকনো মুড়ি খেতে পারেন। অথবা শুকনো খোলায় ভাজা ছোলাও চলবে। চিড়ে ভাজা রাখতে পারেন হাতের কাছে। বাদামও স্বাস্থ্যকর। শুকনো ফলের সঙ্গে মিশিয়ে বাদাম খেতে পারেন। তবে একমুঠোর বেশি নয়। যা-ই খান, পরিমিতই খেতে হবে।

চেষ্টা করতে হবে দুধ-চিনি ছাড়া লিকার চা খেতে। তাও দিনে দু’বারের বেশি নয়। আদা, দারচিনি, তেজপাতা, লবঙ্গ ফুটিয়ে চা বানিয়ে খাওয়া বেশি স্বাস্থ্যকর। তার সঙ্গে একমুঠো শুকনো ফল বা ছোলা খেয়ে নিতে পারেন। 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়