শিরোনাম
◈ বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেফতার ◈ শিক্ষার্থী আন্দোলনে উত্তাল ফ্রান্স, বন্ধ ৪ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ময়মনসিংহে নিহত ৭ ◈ বিমানবন্দরে তর্ক-বিতর্ক : মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা ◈ গয়না থেকে স্মার্টফোন-মহাকাশযান, খাবারেও ব্যবহার হয় সোনা—জেনে নিন স্বর্ণের যত ব্যবহার ◈ সরকারের অজানা শত্রু কারা: ক্ষমতা বদলের পর আমলাতান্ত্রিক অন্তর্ঘাতের ঝুঁকি, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ◈ ভিসা সহায়তা দিতে ঢাকায় আসছে রোমানিয়ার টিম  ◈ মক্কার পর এবার মদিনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুথি, দাবি সৌদির ◈ বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও তিন তরুণীর নেপালযাত্রায় বাধা, নেপথ্যে কী? যা জানাগেল ◈ শিল্পের আকার ও রফতানি সক্ষমতা বাড়লেও প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতায় পিছিয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৬:৪৩ বিকাল
আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১২:২০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ায় সৈকতে আটকে পড়া ২০০ তিমির মৃত্যু

মৃত্যু তিমি

এম. মোশাররফ হোসাইন : অস্ট্রেলিয়ার দ্বীপ রাজ্য তাসমানিয়ার পশ্চিম উপকূলে আটকে পড়া প্রায় ২০০টি তিমির মৃত্যু হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) জানিয়েছে দেশটির উদ্ধারকর্মীরা। রাষ্ট্রীয় বন্যপ্রাণী সেবা থেকে জানানো হয়েছে, সৈকতে আটকে পড়া তিমিগুলোর মধ্যে এখন মাত্র ৩৫টি জীবিত আছে, তবে রুক্ষ প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে তাদের বাঁচিয়ে রাখাটা খুবই কঠিন কাজ হবে। এএফপি, ফ্রান্স২৪

ছবিতে দেখা যায়, মসৃণ ও কালো স্তন্যপায়ী কয়েক ডজন প্রাণী সৈকতজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। প্রাণীগুলো তটরেখায় আটকে রয়েছে, যেখানে হিমশীতল দক্ষিণ মহাসাগর বালুকাবেলায় মিলিত হয়েছে। প্রাণীগুলোকে বাঁচাতে স্থানীয়রাও তিমির শরীরে কম্বল জড়িয়ে দিচ্ছেন, আবার ঝুড়িতে করে পানির সংস্পর্শে রেখে বাঁচানোর চেষ্টাও করছেন তারা।

তাসমানিয়ার বন্য প্রাণী পরিষেবা কার্যক্রমের ব্যবস্থাপক ব্রেন্ডন ক্লার্ক জানান, আমরা সৈকতে প্রায় ৩৫টি জীবিত তিমি পেয়েছি এবং আজ সকালে আমাদের প্রথম কাজ হবে উদ্ধার অভিযান চালানো এবং উদ্ধার হওয়া এই প্রাণীগুলো সমুদ্রে ছেড়ে দেওয়া। তবে দুর্ভাগ্যবশত এরই মধ্যে অনেকগুলো তিমির মৃত্যু হয়েছে বলে জানান তিনি।

দুই বছর আগে ম্যাককুয়েরি হারবারের কাছেই দেশটির সর্বকালের সবচেয়ে বেশি তিমি আটকে পড়ে। ওই সময় প্রায় ৫০০ তিমি আটকে পড়েছিল। তাসমানিয়ার হিমশীতল পানিতে তাদের অবমুক্ত করতে কয়েক ডজন স্বেচ্ছাসেবকের কয়েক দিনের পরিশ্রম সত্ত্বেও প্রায় ৩০০ তিমি মারা যায়।
ক্লার্ক জানান, সর্বশেষ আটকে পড়ার পরিস্থিতি দুই বছর আগের তিমিগুলোর অবস্থার চেয়েও কঠিন। ওই সময় প্রাণীগুলো আরও বেশি পানির মধ্যে ছিল।

এভাবে গণহারে সমুদ্র উপকূলে তিমির আটকে পড়ার কারণ এখনো বোঝা যাচ্ছে না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, উপকূলের খুব কাছে চলে আসার পর দলছুট সঙ্গীদের অনুসরণ করতে গিয়ে এমনটা ঘটতে পারে। আবার কখনো কখনো বয়স্ক, অসুস্থ কিংবা আহত তিমিগুলো সাঁতরে তীরে উঠে আসে এবং অন্য সঙ্গীরা তাঁদের অনুসরণ করলে এমনটা ঘটে থাকে। আটকে পড়া তিমির বিপৎসংকেতে সাড়া দেওয়ার চেষ্টা করে থাকে দলের অন্য সঙ্গীরা।

গ্রিফিথ বিশ্বিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞানী ওলাফ মেইনেকে বলেছেন, সমুদ্রের পানি ক্রমশ গরম হয়ে উঠছে, এর ফলে তিমি বা অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে সমুদ্র ধীরে ধীরে এক প্রতিকূল স্থান হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এর উপর রয়েছে খাদ্যাভাব। সমুদ্রে পর্যাপ্ত খাদ্য না পেয়ে সামুদ্রিক প্রাণীরা তীরে উঠে আসছে।

  • সর্বশেষ