শিরোনাম
◈ বিদেশে জনশক্তি রপ্তানিতে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস, ১৭ দিনে পাড়ি ৪০ হাজার ৫৯৩ জনের ◈ টানা ৬ ঘণ্টা শনিবার বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় ◈ রাজধানীর একাধিক স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের পর এবার বাসে আগুন (ভিডিও) ◈ শেষ মুহূর্তে বাতিল শেখ হাসিনার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের দিল্লি বৈঠক, নেপথ্যে কী? ◈ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৩ প্রার্থীর সাক্ষাৎকার নিল বিএনপি, মনোনয়ন ঘোষণা পরে ◈ সুদের হার বাড়িয়ে কি হরমুজ সংকট মেটাতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র? ◈ মিরপুরে ‘চাঁদার জাঁতাকলে’ ব্যবসায়ীরা, এক গ্রুপের চাঁদা মিটলেই হাজির আরেক গ্রুপ ◈ ৫ ওভারে জাপানের রান তাড়া করে এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে ভারতের মেয়েরা ◈ ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ, নিজ স্বার্থ রক্ষায় ব্যবস্থা নেবে ভারত ◈ গোপন বৈঠক থেকে জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩

প্রকাশিত : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:৩৮ বিকাল
আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৪ রাত

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

শিল্পী–মন্ত্রী ছবি বিতর্ক: ‘স্টান্ট নাকি সতর্কবার্তা?’—জয়ের পোস্ট ঘিরে নতুন প্রশ্ন

মনিরুল ইসলাম: চলচ্চিত্র অঙ্গনে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তার এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি  লিখেন, “কাজের বাইরে অকারণে মন্ত্রীদের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার দিন শেষ।” এই মন্তব্য ঘিরেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। 

১৬ সেপ্টেম্বর, বুধবার ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে উপলক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)-তে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিষ্টার আন্দালিভ রহমান  পার্থ এর  সঙ্গে ছবি তোলেন চিত্রনায়িকা দীঘি।

advertisement

জয়ের দাবি, ছবি তোলার সময় মন্ত্রীর তাড়াহুড়ো এবং দীঘির মুখে কিছুটা অস্বস্তির ছাপ তিনি লক্ষ্য করেছেন। যদিও পরে তিনি নিজেই বলেন, এ পর্যবেক্ষণ তার ভুলও হতে পারে এবং কাউকে ছোট করার উদ্দেশ্য তার এই পোষ্ট  ছিলো না। এরপরই প্রশ্ন উঠেছে যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে পোস্ট, সেটি আদৌ কতটা “বিব্রতকর” ছিল? না সঠিক ছিলো। 

অনুষ্ঠানের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দেখা যায়, দীঘি সত্যিই মন্ত্রীর সঙ্গে ছবি তুলেছেন।  যা অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর চলে যাবার আগেই। ছবি তোলার সময় দীঘি  ছিলেন মন্ত্রীর বামে এবং মন্ত্রীর ডানে ছিলেন গৌতম নামে এক ফ্যাশান কেরিওগ্রাফার। তবে  প্রকাশ্যে কোনো অপমানজনক বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতির নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জয়ের বক্তব্য মূলত ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ ও ব্যাখ্যা নির্ভর, যাচাইকৃত ঘটনার ওপর নয় বলে অনেকই মনে করেন। নেটিজনরাও তা নিয়ে কমেন্ট ঘরে কমেন্ট করেছেন। 

advertisement

এদিকে, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরেই মন্ত্রী বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে ছবি তোলা।অনুষ্ঠান ঘিরে ঘনিষ্ঠতা প্রদর্শন।পৃষ্ঠপোষকতা অর্জনের চেষ্টা এসব বিষয় অস্বাভাবিক নয়।

 ফলে  চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা জয়ের মন্তব্য এই প্রচলিত সংস্কৃতির বিপরীতে এক ধরনের সমালোচনামূলক অবস্থান হিসেবেই দেখছেন। এ পিক তোলার ঘটনাটি ঘটে দীঘির পারফর্মেন্স ও বিশিষ্টজনদের সন্মাননা প্রদানের পর পর। মন্ত্রী  মঞ্চ থেকে নেমে সুঅভিনেত্রী সুচন্দা ও সু অভিনেতা ও নায়ক সোহেল রানার সাথে কুশল বিনিময়ের পর। তিনি তাদের দুজনের সাথে কলা বলার পর অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করার আগে। যাবার সময় বাপ্পারাজকে বলেন, আমি আপনার বাবার বড়ই ফ্যান ছিলাম।।ওমরসানিকে বলেন, একদিন আসবেন কথা হবে। এবলে এফডিসি ত্যাগ করেন।

advertisement

অন্যদিকে, সব দিক বিবেচনায় বলা যায়, জয়ের পোস্টটি সরাসরি কোনো প্রমাণভিত্তিক অভিযোগ নয়; বরং এটি ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ, অভিজ্ঞতা এবং ইন্ডাস্ট্রির প্রতি একটি বার্তার মিশ্রণ।

অতএব, এটি একদিকে যেমন শিল্পীদের জন্য সতর্কবার্তা হতে পারে, অন্যদিকে বিতর্ক উসকে দেওয়ার মতো বক্তব্যও বটে। বাস্তবতা হলো—ঘটনাটি স্বাভাবিক হলেও তার ব্যাখ্যা ও উপস্থাপনাই তৈরি করেছে এই আলোচনা।

জানা গেছে, জয় অনুষ্ঠানস্থলে ছিলেন না। তিনি ডেঙ্গুজ্বরে আত্রুান্ত। একটি ভিডিও দেখে পোষ্টটি লিখেছেন।

  • সর্বশেষ