শিরোনাম
◈ হাসিনা প্রসঙ্গে ভারতের কাছে স্পষ্ট বার্তা বাংলাদেশের ◈ শেখ হাসিনার ‘ভার্চুয়াল সভা’ নিয়ে ভারতের স্পষ্ট অবস্থান জানতে চায় বাংলাদেশ ◈ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার বোদুগুম অ‌খি‌লেশ‌ সব ধর‌নের ক্রিকেটে ৮ বছরের  নিষিদ্ধ ◈ ফিফা সভাপতির পাশ থেকে সরে দাঁড়াল ওয়েলশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ◈ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশ্বরোডে চতুর্মুখী তীব্র যানজট, অচল ঢাকা-সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়ক ◈ ৫ আগস্টের ছুটি কারা পাবেন, কারা পাবেন না ◈ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৬৭ ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি, সংসদের কাছে ভোটার তালিকা চাইল ইসি ◈ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর, সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল চান প্রধানমন্ত্রী ◈ পুলিশের ৮ কর্মকর্তাকে বদলি

প্রকাশিত : ০৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:৫৯ বিকাল
আপডেট : ০৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘মুখ ও মুখোশ’ এর ৭০ বছর: এফডিসিতে চলচ্চিত্র পরিবারের মিলনমেলা

মনিরুল ইসলাম : বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের এক মাইলফলক ‘মুখ ও মুখোশ’। এই  চলচ্চিত্রের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (এফডিসি)-এর জহির রায়হান ভিআইপি প্রজেকশন হলে আজ  ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বর্ণাঢ্য উদযাপন অনুষ্ঠান। চলচ্চিত্রের ১৯টি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি রূপ নেয় চলচ্চিত্র পরিবারের এক মিলনমেলায়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা সানু। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “মুখ ও মুখোশ শুধু একটি চলচ্চিত্র নয়, এটি আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্মগাঁথা। এই ছবির মাধ্যমেই এদেশে পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র নির্মাণের যাত্রা শুরু হয়।

আলোচনা ও স্মরণানুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, খোরশেদ আলম খসরু, আবু মুসা দেবু, শামসুল আলম, শাহীন সুমন, জাকির হোসেন রাজু,এজেরানা, আসাদুজ্জামান মজনু প্রমুখ।

১৯৫৬ সালে নির্মিত ‘মুখ ও মুখোশ’ বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা সবাক চলচ্চিত্র হিসেবে স্বীকৃত। প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার আবদুল জব্বার খান পরিচালিত এই সিনেমাটি দেশীয় চলচ্চিত্র শিল্পের ভিত্তি রচনা করে এবং পরবর্তী প্রজন্মের নির্মাতাদের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্রের ১৯  সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বরেণ্য শিল্পী, নির্মাতা, কলাকুশলী ও নবীন প্রজন্মের চলচ্চিত্রকর্মীরা। 

বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে চলচ্চিত্র শিল্প নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও ‘মুখ ও মুখোশ’-এর ইতিহাস নতুন করে অনুপ্রেরণা জোগায়। তারা চলচ্চিত্রের ঐতিহ্য রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনা সভার পাশাপাশি চলচ্চিত্রটির স্মৃতিচারণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং শিল্পের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। অনুষ্ঠানে আলোচনা সভার শেষে বিকালে ‘মুখ ও মুখোশ’-এর বিভিন্ন দৃশ্য ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে উপস্থিতদের মধ্যে নস্টালজিয়ার আবহ সৃষ্টি হয়।

বক্তারা আরও বলেন, দেশীয় চলচ্চিত্রকে টিকিয়ে রাখতে হলে যুগোপযোগী নীতিমালা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব সংগঠনের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা জরুরি।

উল্লেখ্য, ‘মুখ ও মুখোশ’-এর ৭০ বছর পূর্তি উদযাপন শুধু একটি চলচ্চিত্রকে স্মরণ নয়, বরং বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের শিকড় ও ঐতিহ্যকে নতুন করে উপলব্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়