শিরোনাম
◈ ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি যৌতুক নয়, হাইকোর্টে খালাস পেলেন দণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী ◈ কন্যাশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেগা প্রকল্প নয়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি হোক পারস্পরিক মর্যাদা ও জনস্বার্থ: রিয়াজ হামিদুল্লাহ ◈ সোবহানার সেঞ্চুরি কা‌জে আস‌লো না, বাংলাদেশ নারী দল‌কে বড় ব‌্যবধা‌নে হা‌রি‌য়ে সি‌রিজ জিত‌লো অ‌স্ট্রেলিয়া ◈ ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল, এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি রেকর্ড ২১৯৩ জন ◈ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাংচুর: ১ কোটি টাকায় সন্ত্রাসী ভাড়া করা হয়, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ হুতিরা কারা, কেন সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের লড়াই? ◈ টেস্ট ক্রিকে‌টে পেস বো‌লিং‌য়ে হাসান মাহমুদের নতুন অধ‌্যা‌য়ের সূচনা ◈ নেপালে আবারও আকস্মিক বন্যায় ৩৫ বাড়িঘর-সেতু বিধ্বস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র: নিরাপদে সরছেন বাসিন্দারা ◈ সৌদি আরবে হুতি হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত, আইসিইউতে ৪ জন; মরদেহ আনা হবে রাষ্ট্রীয় খরচে

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ, ২০২৩, ০৫:৫৪ বিকাল
আপডেট : ২৩ মার্চ, ২০২৩, ০৫:৫৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২৮ মার্চ মন্ত্রী পরিষদে উঠবে আরপিও সংশোধনী 

গণমাধ্যম কর্মীদের ইকুইপমেন্ট কাড়াকে শান্তির আওতায় আনতে চায় ইসি 

বেগম রাশেদা সুলতানা

এম এম লিংকন: নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা বলছেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের প্রস্তাব পাস হলে এর প্রয়োগে এই সব অপরাধগুলো অনেকটা কমে যাবে। আবার কমিশন, যারা ফিল্ডে কাজ করবে, প্রত্যেকের জন্য উপকার হবে। বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথ বলেন তিনি।  

ফল গেজেট আকারে প্রকাশের পর ভোট বাতিলের ক্ষমতা দেওয়াসহ বেশকিছু বিধান আনতে আরপিও সংশোধনে ইসির প্রস্তাবটি আগামী ২৮ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে উঠবে। মন্ত্রিপরিষদে পাস হলে এটি সংসদে যাবে। এক বছরের মতো হলো আরপিও সংশোধনী আনার জন্য আইনটা (সরকারের কাছে) পাঠিয়েছে কমিশন। নির্বাচনী আচরণ বিধিমালায় যে অপরাধগুলো অপরাধ হিসেবে ছিল না, সেগুলোকে চিহ্নিত করে শাস্তির বিধানের সুপারিশ করেছে কমিশন। সংশোধনী প্রস্তাব পাস হলে যুগান্তকারী আইন হবে এবং এতে প্রার্থী, সমর্থক সবার আচরণগত পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন নির্বাচন কমিশন। 

আইন পাস হলে প্রয়োগ করতে পারবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, আমাদের যতটুকু দরকার, করতে পারব। বাকিটা তো বিচারের প্রক্রিয়ায় চলে যাবে। সেগুলো করতে গিয়ে নানাভাবেই আইনটি জনগণের প্রত্যাশিত জায়গায় যায় না প্রমাণ না থাকার কারণে। এতে খালাস পেয়ে যায়, এটি আইনেরই প্রক্রিয়া।

তিনি বলেন, আমরা কিন্তু অতীতে প্রয়োগ করেছি। এলেঙ্গা পৌরভোটে মারামারি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিয়েছি। অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছি। কেবল এলেঙ্গায় নয় অনেক জায়গায় আমরা অনেক ব্যবস্থা নিয়েছি।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের বিষয়ে বেগম রাশেদা সুলতানা বলেন, সংলাপ কাজের সুবিধা জন্য হয়। এটি করার জন্য আইনে কিছু বলা নেই। এটুকু বলতে পারি, প্রয়োজন হলে নিশ্চয় আবার আমরা বসব।

ভোটের সময়ের পর থেকে ফলাফল প্রকাশের পর, এমনকি গেজেট প্রকাশের আগে নির্বাচনের যে কোনো পর্যায়ের অভিযোগের ক্ষেত্রে কমিশন যেন তদন্ত করতে পারে এবং অনিয়মের প্রমাণ পেলে ভোট বাতিল করতে পারে, এজন্য ৯১ অনুচ্ছেদে দুটি উপধারা সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আরপিওর ৭, ১২, ১৫, ২৫, ৩১, ৩৬, ৪৪, ৮৪, ৯০, ৯১ অনুচ্ছেদসহ বেশ কিছু ধারা-উপধারায় সংযোজন-বিয়োজন ও করণিক সংশোধনের প্রস্তাব রেখেছে ইসি। ভোটের সময় কোনো অভিযোগ পেলে কমিশন খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে পারে বিদ্যমান আইনে।

এমএমএল/এসএ

  • সর্বশেষ