শিরোনাম
◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন ◈ ইউপি নির্বাচনে ইসির নতুন বিধান, জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ ◈ বিদ্যুতায়নে বছরে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর সুযোগ বাংলাদেশের : আইইএর প্রতিবেদন ◈ ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ ◈ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ ◈ ঢাকার আশপাশের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ◈ জ্বালানি তেলের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৩ পয়সা ◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত

প্রকাশিত : ১১ অক্টোবর, ২০২৫, ০২:১১ দুপুর
আপডেট : ০৫ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আমাদের লক্ষ্য হলো একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা: প্রধান নির্বাচন কমিশনার

আইনের শাসন কাকে বলে এবারের নির্বাচনে আমরা দেখাতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন। শনিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রামে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়াসংক্রান্ত কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন। 

সিইসি বলেন, “ভোটগ্রহণকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারই হবেন সেই কেন্দ্রের ‘চিফ ইলেকশন অফিসার’। আইন অনুযায়ী সব ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগের দায়িত্ব তার ওপরই থাকবে।

প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র স্থগিত করে, আইন প্রয়োগ করতে হবে। তবে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সাহসের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আপনাকে ক্ষমতা দেওয়া হবে, আর সেই ক্ষমতা আপনি যদি প্রয়োজনমতো ব্যবহার না করেন, তাহলে এটাকে আমরা ভালো চোখে দেখব না। ল অ্যান্ড অর্ডার কাকে বলে এবারের নির্বাচনে আমরা দেখাতে চাই।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিরাপত্তা। প্রশাসনিক, আইনগত ও প্রযুক্তিগত নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাই সবচেয়ে কঠিন বিষয়।’ এজন্য তিনি প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সিইসি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা।

এজন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে বিভিন্ন পেশার মানুষ যাদের মধ্যে কেউ কেউ আগে কখনো ভোটগ্রহণের অভিজ্ঞতা পাননি তারাও দায়িত্ব পালনে দক্ষ হয়ে ওঠেন। ‘ওয়ান সাইজ ফিটস অল’ পদ্ধতিতে নয়, বরং অংশগ্রহণকারীদের পটভূমি বিবেচনায় প্রশিক্ষণ মডিউল তৈরি করতে হবে।”

  • সর্বশেষ