শিরোনাম
◈ মেয়ের বিয়ের বাজারের টাকা হারিয়ে ফেললেন বাবা, পেয়ে ফিরিয়ে দিলেন পুলিশ ◈ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ: প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি ◈ বিবাহিত দম্পতির ফ্ল্যাটে ‘লিভ ইন সন্দেহে’ বিশ্ববিদ্যালয় ৪ ছাত্রের হামলাচেষ্টা ◈ ছয় মাসে কূটনৈতিক মোড় ঘুরিয়েছে সরকার: মাহদী আমিন ◈ পে-স্কেল নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত শিগগিরই, বাস্তবায়ন এ বছরেই: অর্থমন্ত্রী ◈ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে হোটেলে আগুন, নিহত ৬ ◈ সৌরবিদ্যুতে চার্জ না দিলে ব্যাটারিচালিত রিকশার রেজিস্ট্রেশন নয়: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ পিএসজি পার‌লো না, দাপু‌টে খে‌লে ফরাসি সুপার কাপ জিতলো দে লাঁস  ◈ টান টান উত্তেনার ফাইনা‌লে দ্য হান্ড্রেডে প্রথম শিরোপা জিতলো ম্যানচেস্টার সুপার ◈ কঠোর শর্ত পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প, বাড়ছে রফতানির সম্ভাবনা

প্রকাশিত : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০২:৩০ দুপুর
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ: প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আবাসিক এক শিক্ষার্থীকে হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবি জানানো হয়।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে শিক্ষার্থীরা প্রভোস্টের কার্যালয়ে তালা দিয়ে তাকে ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন। একপর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতারা কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

ডাকসুর সমাজকল্যাণ সম্পাদক এ বি জুবায়ের, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদের সহসভাপতি খন্দকার আবু নাঈম ও সাধারণ সম্পাদক ইমামুল হাসানসহ বিভিন্ন হলের প্রতিনিধিরা এ বিক্ষোভে অংশ নেন।

এর আগে রোবটিকস অ্যান্ড মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহিম ফেসবুকে অভিযোগ করেন যে, হলের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলায় তাকে প্রভোস্ট কার্যালয়ে আটকে রেখে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং জোর করে লিখিত বক্তব্যে সই নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে যোগাযোগ করা হলে প্রভোস্ট এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

বিক্ষোভ চলাকালে রাত ১২টার দিকে বিভিন্ন হল থেকে ছাত্রদল ও শিবিরের নেতা-কর্মীরা প্রভোস্ট কার্যালয়ের সামনে জড়ো হলে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘাত শুরু হয়। এ ঘটনায় ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক ইমামুল হাসান আহত হয়েছেন।

ঘটনার বিষয়ে বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তানভীর হাদী আল মায়েদ ফেসবুকে অভিযোগ করেন, শিবির বিভিন্ন হল থেকে বহিরাগত নেতা-কর্মী এনে ‘মব’ তৈরির মাধ্যমে আন্দোলনকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

অন্যদিকে, ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন এবং হল সংসদের সহসভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এতে আহত হয়েছেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অমর একুশে হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক ও শিবির নেতা ওবায়দুর রহমান হাসিব একটি ছোট বস্তায় কয়েক জোড়া জুতা নিয়ে ফজলুল হক হলে ঢুকছেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা তাকে থামিয়ে সেখানে আসার কারণ জানতে চান। তবে তিনি কী উদ্দেশ্যে জুতা নিয়ে হলে এসেছিলেন, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ইব্রাহিম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুই রাজনৈতিক সংগঠনের বিরোধের কারণে আমার ন্যায়বিচারের দাবিটি আড়ালে পড়ে যাচ্ছে। দুই পক্ষই অন্যান্য হল থেকে লোক নিয়ে এসেছে। রাত ২টা পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও তা দেখানো হয়নি।

পরবর্তী সময়ে রাত ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম হলে ঢুকে অবরুদ্ধ প্রভোস্টকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। প্রভোস্টের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়