শিরোনাম
◈ নির্বাচনের দিন নেতাদের যত অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ ◈ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞ প্রধান উপদেষ্টা ◈ ভোটগ্রহণ শেষ, এবার অপেক্ষা ফলাফলের ◈ দুপুর পর্যন্ত নির্বাচনে ৪৮৬ কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, ৫৯ কেন্দ্রে জালভোট ◈ দুপুরের পর বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারি, উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ ◈ গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আজকের এই নির্বাচন: তারেক রহমান ◈ সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দল ◈ ভোট ডাকাতি হলে আব্বাসের রাজত্ব খানখান করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীনের ◈ পুলিশ সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রুম থেকে ভোটের চিত্র পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধান উপদেষ্টা ◈ দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি সচিব

প্রকাশিত : ২৮ মার্চ, ২০২৩, ০২:১১ দুপুর
আপডেট : ২৮ মার্চ, ২০২৩, ০৫:৪৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উপর্যুপরি বিপর্যয়ে বিশ্বব্যাংক বলছে ‘হারানো দশক’

বিশ্বব্যাংক

শামসুল হক বসুনিয়া: আর্থিক খাতে উপর্যুপরি বিপর্যয় বৈশ্বিক অর্থনীতিকে ক্রমশ: ভয়াবহ মন্দার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। চলমান ১০টি বছরকে হারানো দশক আখ্যায়িত করে বিশ্বব্যাংক বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে দিয়েছে। সম্ভাব্য বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২০৩০ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ২.২% এর তিন দশকের সর্বনিম্নে হ্রাস পেতে পারে। বিশ্বব্যাংক সোমবার সতর্ক করে জানায়, কোভিড -১৯ মহামারী, ইউক্রেনের সংঘাত এবং আর্থিক ক্ষেত্রে চলমান ঝুঁকি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোকে অন্থির পরিস্থিতির সম্মুখীন করেছে। প্রতিবেদন অনুসারে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে  ক্রমাবনতি ১.৭% প্রসারিত হবে বলে মনে করছে ব্যাঙ্ক। আরটি

বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ইনদারমিট গিল বলেছেন, ‘একটি হারানো দশক বিশ্ব অর্থনীতির জন্য তৈরি হতে পারে।’ সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধির চলমান পতন আমাদের সময়ের জন্য অনন্য চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবেলা করার জন্য বিশ্বের ক্ষমতার জন্য গুরুতর প্রভাব ফেলেছে । একগুঁয়ে দারিদ্র্য, আয়ের ভিন্নতা এবং জলবায়ু পরিবর্তন এই পরিস্থিতিকে আরো খারাপ করতে পারে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, বিশ্বব্যাপী আর্থিক সঙ্কট বা মন্দা দেখা দিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। এর আগে আইএমএফ বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বিষয়ে সতর্কতা জারি করে।

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস গোষ্ঠীর পরিচালক আয়হান কোসকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স বলেছে, “আমরা যে মন্দার বর্ণনা দিচ্ছি... তা আরও ভয়াবহ হতে পারে। যদি আরেকটি বৈশ্বিক আর্থিক সংকট দেখা দেয়, তাহলে বিশ্বময় সংকট আরো ঘনীভূত হবে। ওয়াশিংটন-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যদ্বাণী করেছে, স্বল্প বিনিয়োগ উন্নয়নশীল অর্থনীতিতেও প্রবৃদ্ধি কমিয়ে দেবে, তাদের গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২০২০-এর বাকি অংশে ৪%-এ নেমে আসবে। ২০০০ সালের পর থেকে উৎপাদনশীলতা সবচেয়ে ধীর গতিতে বাড়তে পারে, রিপোর্টে বলা হয়েছে যে ২০২২-২৪ সালে বিনিয়োগ বৃদ্ধি গত ২০ বছরে দেখা হারের অর্ধেক হবে। বৈশ্বিক বাণিজ্য অনেক ধীর গতিতে বাড়ছে। বিশ্বব্যাংক নীতিনির্ধারকদের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক-খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং ঋণ কমানোর অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছে যে সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধি তখন ২.৯% পর্যন্ত উঠতে পারে। সম্পাদনা: রাশিদ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়