শিরোনাম
◈ কর্মপরিকল্পনার ১৮০ দিন শেষ, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন; হতে পারে দপ্তর রদবদল ◈ হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বলাকা লাউঞ্জে আগুন ◈ ইয়েমেনে ফের উত্তেজনা, হুতিদের হামলায় নিহত ৫৮ সেনা ◈ বোমা হামলার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারির খবর, পুলিশ বলছে গুজব ◈ খাদ্যে ভয়ংকর ভেজাল, মিলেছে ভারী ধাতু ও জীবাণু ◈ শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করতে হবে: জামায়াত ◈ বাংলাদেশ থেকে আনারস নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার ◈ ঋণের কিস্তি বকেয়া পড়লেই গ্রাহককে যখন-তখন ফোন ও হুমকি দেওয়া যাবে না: আরবিআইয়ের কঠোর নীতিমালা ◈ সৌদিকে ঘিরে ইরানি মিত্রদের সমন্বিত হামলার শঙ্কা, লক্ষ্যবস্তু জ্বালানি স্থাপনা ও বন্দর ◈ ‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ’, জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা

প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:০২ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি শুরু

রাখাইনের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার শুনানি আজ (সোমবার, ১২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) শুরু হয়েছে।

গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এটিই প্রথম গণহত্যার মামলা, যা আন্তর্জাতিক বিচার আদালত পূর্ণাঙ্গভাবে শুনানি করতে যাচ্ছে। এই মামলার রায় কেবল মিয়ানমারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং গাজা যুদ্ধ নিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আইসিজেতে দক্ষিণ আফ্রিকার করা গণহত্যার মামলার ওপরও এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সমীকরণ বদলে যেতে পারে।

জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক স্বাধীন তদন্ত প্রক্রিয়ার প্রধান নিকোলাস কুমজিয়ান রয়টার্সকে বলেন, ‘গণহত্যাকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে, এটি কীভাবে প্রমাণ করা যাবে এবং এর প্রতিকারই বা কী এই বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে এই মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নজির স্থাপন করতে যাচ্ছে।’

২০১৯ সালে পশ্চিম আফ্রিকার মুসলিম প্রধান দেশ গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে এই মামলাটি করে। মামলায় মিয়ানমারের প্রত্যন্ত পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী এক নৃশংস অভিযান শুরু করে, যার ফলে অন্তত ৭ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

জাতিসংঘের একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, ২০১৭ সালের সামরিক অভিযানে গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। তবে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেছে যে, মুসলিম উগ্রবাদীদের হামলার জবাবে তাদের সামরিক অভিযান ছিল একটি বৈধ সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ।

২০১৯ সালে আইসিজেতে মামলার প্রাথমিক শুনানিতে মিয়ানমারের তৎকালীন নেত্রী অং সান সু চি গাম্বিয়ার গণহত্যার অভিযোগকে অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর বলে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

এবারের শুনানির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো আন্তর্জাতিক আদালত এই নৃশংসতার শিকার রোহিঙ্গা ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করবে।

তবে সংবেদনশীলতা এবং গোপনীয়তার খাতিরে এই অধিবেশনগুলো জনসাধারণ ও গণমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত করা হবে না। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় এই শুনানি শুরু হচ্ছে এবং এটি টানা তিন সপ্তাহ চলবে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়